আল-ফাতাত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দামেস্কের কাছে আল-ফাতাতের সদস্যরা। নিচের সারি (বাম থেকে ডানে) : তৌফিক আল-হায়ানি, ফায়েজ আল-শিহাবি, রফিক আল-তামিমি, আউনি আবদুল হাদি, আহমেদ কাদরি, মইন আল-মাদি, তৌফিক আল-ইয়াজাগি ও সাইদ তালাব। মধ্যের সারি (বাম থেকে ডানে) : ওয়াসফি আল-আতাসসি, আহমেদ মুরায়েদ, শুকরি আল-কুয়াতলি, বাহজাত আল-শিহাবি, সালিম আল-আত্তার, জাকি আল-তামিমি, হোসনি আল-বারাজি। উপরের সারি (বাম থেকে ডানে) : আদিল আল-আজমা, রুশদি আল-হোসামি, রিয়াদ আস-সোল, সাদাল্লাহ আল-জাবিরি, আফিফ আস-সোল, ইজ্জত দারয়াজা

আল-ফাতাত বা তরুণ আরব সমিতি (আরবি : جمعية العربية الفتاة) ১৯১১ সালে প্যারিসে আরব জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্ব ইজ্জত দারয়াজা (১৮৮৮ – ১৯৮৪) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরব জাতীয়তাবাদীদের এই সমিতিটি ছিল একটি গোপন সংগঠন। অটোমান শাসকদের কাছ থেকে আরবদের স্বাধীনতা অর্জন এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল। সিরিয়াতে সংগঠনের অনেক অনুগামী ছিল। আবদ আল-মিরজাইয়ের মত বিপ্লবী অটোমানদের বিভিন্ন সংস্কার আন্দোলনের সাথে তারা যোগাযোগ বজায় রাখেন।[১] আল-আহদের সাথেও তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। আল-আহদের সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে অবস্থান ছিল। আনোয়ার পাশা তুরস্কে ক্ষমতা লাভের পর তাদের অধিকাংশকে পদচ্যুত করেন। এই সংগঠনের সাথে তরুণ তুর্কিদের কাজের মিল ছিল। তুর্কি জাতীয়তাবাদ তাদের মূল লক্ষ্য ছিল।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]