আমিনুল হক (ফুটবলার)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আমিনুল হক
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম মোহাম্মদ আমিনুল হক
জন্ম (1980-10-05) ৫ অক্টোবর ১৯৮০ (বয়স ৩৯)
জন্ম স্থান ভোলা, বাংলাদেশ
উচ্চতা ১.৮৫ মি
মাঠে অবস্থান গোলকিপার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ
জার্সি নম্বর
জাতীয় দল
সাল দল ম্যাচ (গোল)
১৯৯৮–২০১১ বাংলাদেশ ৪৮ (০)

আমিনুল হক (জন্মঃ ৫ অক্টোবর, ১৯৮০, জন্মস্থানঃ ভোলা)[১] বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের একজন সাবেক গোলকিপার।তাকে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা গোলকিপার (তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ও) বলা হয়।[২] আলি আশফাকবাইচুং ভুটিয়ার মতো তাকেও দক্ষিণ এশিয়ার প্রভাবক্ষম ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়।[৩]

ক্লাব কর্মজীবন[সম্পাদনা]

আমিনুল ১৯৯৪ সালে ঢাকা মোহামেডান যুবদলের হয়ে অভিষেক করেন। প্রথম একাদশে জায়গা না পাওয়ার কারণে তিনি ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবে যোগদান করেন। তিনি অনেক ক্লাবের হয়ে খেললেও সোনালি সময় কাটান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের হয়। এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় রাউন্ডে নিয়ে যাওয়ায় তার অবদান অনেক। ২০০০–০৩ সময়কালে তার খেলার জন্য তাকে ক্লাব কিংবদন্তী বলা হয়।[৪] তারপর দুই মৌসুম ব্রাদার্স ইউনিয়নে থাকার পর তিনি ঢাকা মোহামেডানে যোগদান করেন।২০০৭ সালের পুরো মৌসুম তিনি ইঞ্জুরির কারণে খেলতে পারেন। [৫]

২০০৪ সালে প্রিমিয়ার লীগে ক্লাব নিউক্যাসেল ইউনাইটেড কর্তৃক তার সাথে যোগাযোগ করা হয়। এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, "হ্যাঁ,এমন একটা প্রস্তাব পেয়েছিলাম।কিন্তু যোগাযোগের সমস্যার কারণে চুক্তিটি আর আগায় নি"।ইএসপিএন স্টারের শেবি সিং বলেন, " সে এর থেকে ভালো লীগে খেলার যোগ্য,হয়তো ভালো প্রশিক্ষণসহ ইংল্যান্ডে"।

আন্তর্জাতিক কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৯৬ সালে জাতীয় দলে ডাক পেলেও একাদশে জায়গা পাননি। ১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম কাতারের বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক করেন।তিনি দলের সাথে ১৯৯৯ ও ২০১০ সাফ গেমসে স্বর্ণপদক জয় করেন। তবে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি ছিলো মালদ্বীপের বিপক্ষে ২০০৩ সাফ গোল্ড কাপের ফাইনাল।সেখানে তিনি পেনাল্টি বাচিয়ে বাংলাদেশকে শিরোপা জেতান।তিনি ২০০৫ সাল থেকে দলের অধিনায়কত্ব করেন।[৩] তিনি ২০১০ সালে অবসরের ঘোষণা দেন।তার শেষ খেলাটি ছিলো হংকং এর বিপক্ষে। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল প্রাক বাছাইপর্বে পাকিস্তানের সাথে খেলার জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তাকে অবসর পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি তার সিদ্ধান্তেই বহাল থাকেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]