আবর্জনার জাদুঘর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আবর্জনার জাদুঘর
Garbagemuseumlogo.png
আবর্জনার জাদুঘরের লোগো
স্থাপিত১৯৯৩
ভাঙ্গা হয়বন্ধ হয়ে যায় ২৫ আগস্ট, ২০১১
অবস্থান১৪১০ হানিস্পট রোড এক্সটেনশন, স্ট্রেটফোর্ড, কানেকটিকাট
পরিদর্শক৩২,২০০ জন ২০০৮ সাল[১]

আবর্জনার জাদুঘর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আদলে তৈরী একটি জাদুঘর যা যুক্ত্ররাষ্ট্রের স্ট্রেটফোর্ড, কানেকটিকাট এ অবস্থিত। এই জাদুঘরটি ১৯৯৩ সালে ১৯ টি স্থানীয় মিউনিসিপাল্টি (সম্মিলিতভাবে সাউথওয়েস্ট কানেক্টিকাট রিসাইক্লিং কমিটি) ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার ব্যায়ে নির্মাণ করে এবং সে বছরই উদ্ভোদন করে । জাদুঘরটি কানেক্টিকাট রিসোরসেস রিকভারি অথোরিটি পরিচালনা করে যা বর্জ্যব্যবস্থাপনা সম্পর্কে দরশনার্থিদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে এবং রিসাইকেল প্রক্রিয়ার অবলোকন করতা সহায়তা করে । এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে আবর্জনা দিয়ে তৈরী ডাইনোসরের ভাস্কর্য , ট্র্যাশ-ও-সাউরাস । ২০০৯ সালে চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় জাদুঘরটির অর্থতহবিল সংগ্রহ স্থগিত হয়ে যায় যদিও তা ২০১১ সাল পর্যন্ত খোলা ছিল । অর্থতহবিল গঠণে ব্যর্থ হওয়াতেই জাদুঘরটি বন্ধ হয়ে যায় । ২০১৪ সালে কানেক্টিকাট সাধারণ পরিষদে কানেক্টিকাট রিসোরসেস রিকভারি অথোরিটিকে ১০০,০০০ মার্কিন ডলার প্রদানের জন্যে কানেক্টিকাট এনার্জি এন্ড এনভাইরনমেন্ট প্রটেকশন ডিপারটমেন্টকে অনুমোদন দেওয়া হয় ।

কার্যকলাপ[সম্পাদনা]

১৯৯৩ সালে এই জাদুঘরটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার ব্যায়ে নির্মাণ ও উদ্ভোদন কর হয় ।[২][৩] ১৯ টি স্থানীয় মিউনিসিপাল্টি (সম্মিলিতভাবে সাউথওয়েস্ট কানেক্টিকাট রিসাইক্লিং কমিটি) জাদুঘরটির জন্যে অর্থ তহবিল সংগ্রহ করতো । জাদুঘরটি দর্শনার্থীদেরকে আবর্জনা থেকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বস্তু তৈরির প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ স্বচক্ষে দেখার এবং সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ করে দিত । জাদুঘরটি কানেক্টিকাট রিসোরসেস রিকভারি অথোরিটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতো ।[৪]

প্রদর্শনীসমূহ[সম্পাদনা]

জাদুঘরটির লক্ষ ছিলো দর্শনার্থীদের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সম্পর্কে জ্ঞানবৃদ্ধি করা। জাদুঘরের কেন্দ্রীয় পরিচালক, ভ্যালেরি নাইট-দি-গাঙ্গি বলেন , " আমরা প্রদর্শিত বস্তুগুলো তৈরী করেছি যাতে শিশু-কিশোররা আনন্দের সাথে পরিবেশের বিভিন্ন সমস্যা সমপ্রকে জানতে পারে এবং পরিবেশ সম্পর্কে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরী হয় ও তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব থাকে ।"[৫] পরিচালনা কর্তৃপক্ষ জাদুঘরের জন্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করেছিলেন যারা বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন । [৫]

জাদুঘরটিতে আশেপাশের ২০ টি শহর থেকে আনা প্রায় ৬০,০০০ টন পূনরব্যবহারযোগ্য বস্তু রিসাইকেল করা হতো ।[১] শিক্ষামূলক প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে কোমল পানীয়র ক্যান পুনর্ব্যবহারের উপকারিতা , এলুমিনিয়ামের প্রধান আকরিক বক্সাইট এবং বায়ু ও পানি দূষণ কমানোর বিষয়ে জোর দেয়া হতো । সেখানে কম্পোস্ট সারের তৈরী একটি পায়ে হাটার সুড়ংগও ছিলো । এছাড়া ছিল একটি সাধারণ স্টোর এবং আবর্জনার মধ্যে হেলমেট পরে দাড়িয়ে প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতা। যদি প্রশ্নের উত্তর ভুল হতো তাহলে অন্যদেরকে প্রতিযোগির খোলা মাথায় আবর্জনা ফেলার সুযোগ দেয়া হতো।[১] আরো ছিলো পুনরায় ব্যবহার উপযোগী বস্তু দিয়ে তৈরি শিল্পকর্ম। এর মধ্যে অসংখ্য পুরানো ও রঙ্গিন দুধের বোতলের চূর্ণকে পাইপ ক্লিনারে সন্নিবদ্ধ করে তৈরী করা মানুষ্রূপী মূর্তিটি অন্যতম ।[১] ২০০৪ সালে কানেক্টিকাট রিসোরসেস রিকভারি অথোরিটির অর্থায়িত প্রকল্পের অংশ হিসেবে মাইক ব্লাসাভ্যাজ আবর্জনা থেকে বিদ্যুত উৎপাদনের প্রক্রিয়া তৈরী করেন এবং তা প্রদর্শন করেন ।[৬]

A popular and unique exhibit was Trash-o-saurus, a ১২ ফুট (৩.৭ মি) tall and ২৪ ফুট (৭.৩ মি) long dinosaur made out of junk that was prominently on display in the Garbage Museum. The one-ton sculpture was created by Leo Sewell of Pennsylvania and made of "no parking" signs, cell phones, license plates, and other materials. The sculpture represents the average amount of garbage and recyclables that a person in Connecticut discards each year. The exhibit was focused on the importance of recycling and had an interactive checklist of items to find the comprise the sculpture.[১] In April 2011, the museum celebrated the 16th birthday of the Trash-o-saurus with a birthday party.[৭]

অবসান[সম্পাদনা]

In 2009, the fate of the Garbage Museum became uncertain due to financial problems when the recycling plant's contracts expired on June 30 and the commodity prices dropped due to the economic recession. The museum began fundraising efforts and started collecting $2 for entrance fees in September 2008. The United States Internal Revenue Service also ruled that museum donations could be tax-deductible increasing opportunities for fundraising. The Connecticut Resources Recovery Authority also applied for federal funding as a "shovel-ready" project to upgrade and automate the recycling center's operations. In 2009, Nonnenmacher stated that the museum's operational costs were between $200,000 and $250,000 per year.[১] Interest in the museum also came from a group of East Haven High School students who produced a short documentary video about the Garbage Museum, it went on to win a state award and attract some international interest.[৮]

Prior to its close in 2011, the operating budget was $341,000, which funded staffing, educational programs, and the museum's heating and lighting.[৯] In July 2011, Milford's Board of Aldermen approved allocating $26,000 via a $0.75 tax per ton of municipal solid waste, then representing the latest addition to a $100,000 fundraising drive.[৯] On August 25, 2011, the museum was closed after the Connecticut Resources Recovery Authority Board of Directors voted to close the Garbage Museum immediately.[১০] In 2013, Connecticut State Senator Kevin C. Kelly introduced legislation to reopen the museum, but the amendment failed to garner support.[১১] In 2014, the Connecticut General Assembly approved a measure to fund the museum by allowing the Connecticut Department of Energy and Environmental Protection to award a grant of up to $100,000 to the Connecticut Resource Recovery Authority via funding of the Municipal Tipping Fee Fund.[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Collins, Dave (এপ্রিল ৯, ২০০৯)। "It's always Earth Day at Connecticut trash museum"। AP Worldstream  – via HighBeam Research (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)। ২৯ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৪ 
  2. Weizel, Richard (নভেম্বর ৭, ১৯৯৯)। "One Man's Trash Is Another's Museum"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 
  3. Zimring, Carl (২০১২)। "Encyclopedia of Consumption and Waste: The Social Science of Garbage"। SAGE Publications। পৃষ্ঠা 147। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৪ 
  4. "The CRRA Garbage Museum"। Connecticut Resources Recovery Authority। ১৫ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 
  5. Davis, Mae (জুন ৩, ১৯৯৬)। "Garbage Museum Teaches Environmental Awareness to Children"Nation's Cities Weekly  – via HighBeam Research (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)। ২৯ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 
  6. Rhatigan, Chris (আগস্ট ১৭, ২০০৪)। "Museum exhibit puts new spin on garbage"New Haven Register। New Haven, CT  – via HighBeam Research (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)। ২৯ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 
  7. Swebilius, Phyllis (এপ্রিল ২২, ২০১১)। "Garbage Museum plans 16th birthday bash for Trash-o-saurus"New Haven Register। New Haven, CT  – via HighBeam Research (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)। ২৯ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 
  8. Zaretsky, Mark (জুন ১৫, ২০০৯)। "E. Haven student film focuses on plight of Stratford's Garbage Museum?"New Haven Register। New Haven, CT  – via HighBeam Research (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)। ২৯ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 
  9. McCready, Brian (জুলাই ২, ২০১১)। "Milford approves $26G for Garbage Museum?"New Haven Register। New Haven, CT  – via HighBeam Research (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)। ২৯ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 
  10. "Connecticut Resources Recovery Authority - Contact Garbage Museum"। Connecticut Resources Recovery Authority। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৪ 
  11. "Kelly tries, fails to get Garbage museum reopened"Stratford Star। জুন ৭, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  12. "An Act Providing Funds For The Garbage Museum In Stratford."। State of Connecticut। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]