আবদুল্লাহ আল আহসান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আবদুল্লাহ আল আহসান ইস্তানবুল শেহির বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক। [১] এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ার ইতিহাস ও সভ্যতা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। [২] তিনি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা নিয়ে গবেষণামূলক কাজ এবং সমকালীন পশ্চিমা ও ইসলামী সভ্যতার মধ্যে সম্পর্ক অধ্যয়নের মাধ্যমে উত্তর-ঔপনিবেশিক মুসলিম বিশ্বে সংকট মোকাবিলা প্রচেষ্টার জন্য পরিচিত।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

আবদুল্লাহ আল আহসান যথাক্রমে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাধারণ স্টাডিজে স্নাতক এবং কায়েদ-ই-আজম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর অর্জন করেছেন। এরপর থেকে তিনি কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যান এবং অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়, অ্যান আরবার থেকে ইতিহাসে পিএইচডি অর্জন করেন। [২]

গ্রন্থ-পঁজী[সম্পাদনা]

আল-আহসান শিক্ষা, রাজনীতি, বিজ্ঞান এবং সুশাসনের উপর মনোযোগ দিয়ে সমসাময়িক ইসলামী এবং পাশ্চাত্য সভ্যতার মধ্যে সম্পর্কের বিষয়ে বই, মনোগ্রাফ এবং নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন। আল-আহসান মুসলিম বিশ্বের সমসাময়িক বিষয়গুলির উপর নিয়মিত লেখালেখিও করেন। তিনি আল জাজিরা,[৩] টার্কি এজেন্ডা [৪] এবং তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত আনাদোলু এজেন্সিতে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে লেখেন - যেমন কাশ্মীর [৫], গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। [৬] তাঁর বই এবং নিবন্ধগুলি আরবি, বাংলা, বসনিয়ান, তুর্কি এবং উর্দু ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। [৭]

বই[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "PROF. ABDULLAHIL AHSAN | İstanbul Şehir Üniversitesi"www.sehir.edu.tr। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-১৭ 
  2. "Staff Directory - Abdullah al-Ahsan"। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  3. "Aljazeera page for Abdullah al-Ahsan"Aljazeera। Aljazeera। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৭ 
  4. "Turkey Agenda author profile: Abdullah al-Ahsan"। ২০১৬-০৩-০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  5. al-ahsan, Abdullah। "Analysis: Kashmir is Burning"। Anadolu agency। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৭ 
  6. al-ahsan, Abdullah। "Opinion- Democracy, Human rights and justice in Bangladesh"। Anadolu Agency। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৭ 
  7. Conference Topic: OIC and its Potential & Prospects। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬