আফগানিস্তানে আইএসআইএল–তালেবান সংঘাত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আফগানিস্তানে আইএসআইএল–তালেবান সংঘাত
মূল যুদ্ধ: আফগানিস্তান সংঘাত
তারিখ১১ নভেম্বর ২০১৫ — বর্তমান
(৬ বছর ও ১ সপ্তাহ)
অবস্থান
অবস্থা

চলমান

  • দারজাব ও নানগারহারের যুদ্ধে তালেবানের বিজয়[৮]
  • ২০১৯ সালে পূর্ব আফগানিস্তানে আইএসের শক্ত ঘাঁটির পতন[৯]
বিবাদমান পক্ষ
তালেবান
হাক্কানি নেটওয়ার্ক[১]
সমর্থক:
 যুক্তরাষ্ট্র[২][৩][৪]
 ন্যাটো
 ইউরোপীয় ইউনিয়ন
 জার্মানি
 কাতার
 পাকিস্তান (অঘোষিত)
 ইরান (অঘোষিত)[৫][৬]
 রাশিয়া (অঘোষিত)[৭]
 চীন
 তুরস্ক
 সৌদি আরব

ইসলামিক স্টেট – খোরাসান প্রদেশ
ফিদাই মাহাজ
মোল্লা দাদুল্লাহ ফ্রন্ট


আফগানিস্তান আমিরাতের হাই কাউন্সিল
সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী
আখতার মনসুর 
হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা
হাজী নসরভ

হাফিজ সাঈদ খান 
আব্দুল রউফ আলিজা 
নেমাতুল্লাহ কাইয়ুম আত্মসমর্পণকারী
ক্বারী হেকমত 
শাহাব আল-মুহাজির[১০]
মনসুর দাদুল্লাহ 
নজিবুল্লাহ


মুহাম্মদ রাসুল
জড়িত ইউনিট

তালেবান

  • ইসলামিক মুভমেন্ট অব উজবেকিস্তান
  • তালেবান দলত্যাগীরা
  • বিদেশী যোদ্ধারা
  • শক্তি
    ১,০০০ বিশেষ বাহিনী (২০১৫ সাল অনুযায়ী)[১১]
    ৭৫,০০০ (২০২১ সাল অনুযায়ী)[১২]
    ৩,০০০-৪,০০০ (২০১৬ সাল অনুযায়ী)[১৩]
    ১,৫০০-২,২০০ (২০২১ সাল অনুযায়ী)[১২]
    হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি
    ১,৫৪৭ জনের সর্বমোট মৃত্যু (উপশালা কনফ্লিক্ট ডেটা প্রোগ্রাম)[১৪]

    আফগানিস্তানে আইএসআইএল–তালেবান সংঘাত হলো আফগানিস্তানে তালেবানইসলামিক স্টেটের একটি শাখার মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত। হাক্কানি নেটওয়ার্ক তালেবানকে সমর্থন করে থাকে এবং তালেবানবিরোধী একটি গ্রুপ ইসলামপন্থী মুহাম্মদ রসুলের নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান আমিরাতের হাই কাউন্সিল আইএসকে সমর্থন করে থাকে।[১৫][১৬]

    সময়রেখা[সম্পাদনা]

    ২০২১[সম্পাদনা]

    ২৬ আগস্ট আফগানিস্তানের কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবে গেটের কাছে একটি আত্মঘাতী বোমা হামলা ও গণ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।[১৭][১৮][১৯][২০][২১] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বিমানবন্দরের বাইরে মার্কিনীদের সন্ত্রাসী হামলার হুমকির কারণে বিমানবন্দর এড়িয়ে যাওয়া পরামর্শ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই এই হামলা চালানো হয়।[২২] এই হামলায় কমপক্ষে ১৮৫ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ১৩ মার্কিন সামরিক সদস্যও ছিল।[২৩] তালেবান হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, "দুষ্ট চক্রদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে"।[২৪] তালেবান পরবর্তীকালে ঘোষণা করে যে, তারা আইএসআইএল-কেপি নেতা শাহাব আল-মুহাজিরকে ধরার জন্য সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।[২৫]

    তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

    1. "Afghanistan Faces Tough Battle as Haqqanis Unify the Taliban - ABC News"। মে ৮, ২০১৬। ২০১৬-০৫-০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
    2. "Taliban fought IS with 'limited' US military support, US general reveals"। France 24। ১০ মার্চ ২০২০। 
    3. Sisk, Richard (১১ মার্চ ২০২০)। "US Has Given 'Limited Support' to Taliban in ISIS Fight, General Says"। Military.com। 
    4. ইউটিউবে "Nat'l Security Challenges & U.S. Military Activities in the Greater Middle East & Africa" ভিডিও
    5. "The Odd Couple: Why Iran Is Backing the Taliban"Stratfor 
    6. Dreazen, Yochi। "Exclusive: Iran Teams With Taliban to Fight Islamic State in Afghanistan" 
    7. Noorzai, Roshan; Sahinkaya, Ezel; Gul Sarwan, Rahim (৩ জুলাই ২০২০)। "Afghan Lawmakers: Russian Support to Taliban No Secret"। Voice of America। 
    8. Seldin, Jeff (২০ মার্চ ২০২০)। "US Admits Taliban Offensive Is Whittling IS's Grip on Afghanistan"। Voice of America। 
    9. Gibbons-Neff, Thomas; Mashal, Mujib (২ ডিসেম্বর ২০১৯)। "ISIS Is Losing Afghan Territory. That Means Little for Its Victims." 
    10. "Who are Isis-K, and what is their relationship with the Taliban?"The Telegraph। ২৮ আগস্ট ২০২১। 
    11. "Why Taliban special forces are fighting Islamic State"BBC News। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫। 
    12. Walsh, Joe (২৭ আগস্ট ২০২১)। "What Is ISIS-K Or IS-K? This Afghan Terror Group — And Taliban Enemy — Is Suspected In Kabul Airport Bombing."Forbes (ইংরেজি ভাষায়)। 
    13. Philp, Catherine; Charter, David (২৭ আগস্ট ২০২১)। "Isis-K an acute and growing risk" (ইংরেজি ভাষায়)। 
    14. "UCDP - Uppsala Conflict Data Program"ucdp.uu.se। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-০৩ 
    15. "Afghan Taliban Group Backs IS, But Only Abroad"RadioFreeEurope/RadioLiberty (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-১৮ 
    16. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; :0 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
    17. "Afghanistan news: Latest on blasts reported outside Kabul airport"। ২৬ আগস্ট ২০২১। 
    18. "Biden on Kabul suicide bombings: 'We will hunt you down and make you pay" 
    19. "Sheer Chaos: At Least 13 U.S. Troops Killed as Blasts Rock Kabul Airport"The Daily Beast। ২৬ আগস্ট ২০২১। 
    20. CNN, Ivana Kottasová, Barbara Starr, Kylie Atwood, Nick Paton Walsh, Sam Kiley, Zachary Cohen, Jennifer Hansler and Tim Lister। "US troops, Afghans killed in attacks outside Kabul airport"CNN 
    21. Cooper, Helene; Schmitt, Eric; Gibbons-Neff, Thomas (২০২১-০৮-২৭)। "As U.S. Troops Searched Afghans, a Bomber in the Crowd Moved In"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-২৮ 
    22. "Afghanistan explosions: 13 US service members killed in Kabul airport blast, more wounded, officials say"। ২৬ আগস্ট ২০২১। 
    23. "Biden Vows to Finish Mission, Hunt Attackers: Afghanistan Update"Bloomberg News। আগস্ট ২৬, ২০২১। 
    24. "Taliban condemns suicide bombing at Kabul airport"Fox News। ২৬ আগস্ট ২০২১। ২৬ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২১ 
    25. Farmer, Ben (২৭ আগস্ট ২০২১)। "Ambitious new Isis-K leader becomes Taliban's most wanted enemy after Kabul attacks"The Daily Telegraph (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0307-1235। ২৮ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০২১