আঞ্চল মালহোত্রা
আঞ্চাল মালহোত্রা | |
---|---|
জন্ম | ১৯৯০ (বয়স ৩৪–৩৫) নতুন দিল্লি, ভারত |
পেশা | লেখিকা |
সময়কাল | ২০১৭ – বর্তমান |
ধরন | ভারতের ইতিহাস |
উল্লেখযোগ্য রচনাবলি |
|
ওয়েবসাইট | |
aanchalmalhotra |
আঞ্চল মালহোত্রা একজন ভারতীয় লেখিকা এবং ইতিহাসবেত্তা যিনি ১৯৪৭ সনে ভারত বিভাজনের মৌখিক ইতিহাস এবং বৈষয়িক সংস্কৃতি নিয়ে তার কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
জীবনী
[সম্পাদনা]মালহোত্রা ১৯৯০ সালে নয়াদিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি টরন্টোর অন্টারিও কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ডিজাইন থেকে ট্র্যাডিশনাল প্রিন্ট মেকিং এবং আর্ট হিস্ট্রিতে চারুকলায় স্নাতক, যেখানে তিনি গ্রাজুয়েট অধ্যয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পদক ও স্যার এডমন্ড ওয়াকার পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি মন্ট্রিঅলের কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্টুডিও আর্টে চারুকলায় স্নাতকোত্তর।
আঞ্চাল মালহোত্রা, ১৯৫৩ সালে নয়াদিল্লিতে তার পিতামহ বলরাজ বাহরি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বাহ্রিসন বুকসেলারের পরিবারের কন্যা।[১] তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন উপাদান সংস্কৃতির একটি ডিজিটাল ভাণ্ডার, মিউজিয়াম অব মেটিরিয়াল মেমরী-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা যে সংস্থাটি বিভিন্ন উত্তরাধিকারী, সংগ্রহযোগ্য বস্তুসমূহ এবং প্রাচীনত্বের বস্তুগুলির মাধ্যমে পারিবারিক ইতিহাস এবং সামাজিক বংশবৃদ্ধির সন্ধান করে থাকে।[২] অতীতে, তিনি দেশভাগ সংগ্রহালয়, অমৃতসরের উপদেষ্টা বোর্ডের একজন সদস্য ছিলেন এবং সহকারী কিউরেটর হিসাবে চিত্রশালায় ভারতীয় বিজ্ঞাপন ও গ্রাফিক আর্ট জাদুঘর, কুমাউনে কাজ করেছেন।
রচনা
[সম্পাদনা]আঞ্চল মালহোত্রার প্রথম বই, রেম্নেন্টস্ অব আ সেপারেশন: আ হিস্ট্রি অব পার্টিশন থ্রু মেটেরিয়াল মেমোরি[৩] ২০১৪ সালে ভারতের স্বাধীনতার ৭০ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে হার্পারকোলিন্স ইন্ডিয়া প্রকাশ করে। প্রকল্পটি (অবশেষে যে নামে বইটিও প্রকাশিত হয়) আঞ্চল মালহোত্রা প্রাথমিকভাবে মন্ট্রিঅলের কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তার এমএফএ গবেষণার অংশ হিসাবে শুরু করেন এবং এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ভারত, পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ডে করা বিবিধ ক্ষেত্র গবেষণা।[৪] বইটি হলো ১৯৪৭ সালে শরণার্থীদের দ্বারা সীমান্ত পেরিয়ে অভিবাসনের সময় তাদের সহিত বহন করা বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথা অন্তরঙ্গ বিষয়গুলির মাধ্যমে ভারত বিভাজনকে পুনরায় কল্পনা করার একটি প্রচেষ্টা।[৫][৬][৭] ইতিহাস এবং নৃবিজ্ঞানের মিলন হিসাবে বইয়ের রচনাশৈলীটি মনে করা যেতে পারে। রেম্নেন্টস্ অব আ সেপারেশন: আ হিস্ট্রি অব পার্টিশন থ্রু মেটেরিয়াল মেমোরি ভারত বিভাজনের বৈষয়িক সংস্কৃতির বিশদে বিবরণ দেয় এবং এটি হিন্দুস্তান টাইমসের একটি 'ইন্ডিয়া @ 70' বই হিসাবে নির্বাচিত হয়।[৮][৯]
মালহোত্রার দ্বিতীয় বই রেম্নেন্টস্ অব আ সেপারেশন: ২১ অব্জেক্টস্ ফ্রম আ কন্টিনেন্ট ডিভাইডেড্ হুর্স্ট পাবলিশার্স ২০১৯ সালে প্রকাশ পায়।[১০] এটি ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি দ্বারা তাদের বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক বোঝার জন্য নায়ফ আল-রোদন পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছিল।[১১][১২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Malhotra, Aanchal। "How Bahrisons Delhi has been romancing books since 1953"। Scroll.in (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০১-০৭।
- ↑ Sharma, Himini (জুলাই ২৩, ২০১৯)। "The Precious Past"। The Citizen।
- ↑ Malhotra, Aanchal (২০১৭)। Remnants of a Separation: A History of the Partition through Material Memory। HarperCollins। পৃষ্ঠা 1–3। আইএসবিএন 978-9352770120।
- ↑ "The stories objects tell: What survivors of the Partition of India took with them"। CBC। নভেম্বর ১৫, ২০১৯।
- ↑ Sridhar, Lalitha (ডিসেম্বর ২, ২০১৭)। "Tangible memories: Tales through objects from across the bloodied border"। The Hindu।
- ↑ Jhurani, Aarti (আগস্ট ১৮, ২০১৯)। "Five heart-wrenching books that explore the partition of India"। The National।
- ↑ Sanyal, Devapriya (অক্টোবর ২০১৯)। "Book review: Remnants of a separation"। Contemporary South Asia। 27 (4): 564–564। ডিওআই:10.1080/09584935.2019.1689670।
- ↑ "India @ 70: 5 books that capture India's freedom struggle, independence and partition"। Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৭-০৮-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০১-০৭।
- ↑ Parkar, Hamida. (September 23, 2018)."Ambassadors of a Journey, Deccan Chronicle. Retrieved March 28, 2019.
- ↑ "Nonfiction Book Review: Remnants of Partition"। Publishers Weekly।
- ↑ "Historian Aanchal Malhotra's book shortlisted for British Academy's Nayef Al-Rodhan Prize"। Scroll.in। সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯।
- ↑ McKie, Anna (অক্টোবর ২৪, ২০১৯)। "Interview with Aanchal Malhotra"। Times Higher Education।
আরো পড়ুন
[সম্পাদনা]- Harrison, Stephen (মার্চ ২৬, ২০১৯)। "The Notability Blues: The Wikipedia rule that makes it harder to create entries about lesser-known but important women from history"। Slate।