অ্যাবালোন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

অ্যাবালোন
সময়গত পরিসীমা: Late Cretaceous – Recent[১]
LivingAbalone.JPG
Living abalone in tank showing epipodium and tentacles, anterior end to the right.
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
আদর্শ প্রজাতি
Haliotis asinina
Linnaeus, 1758
প্রতিশব্দ[২]
  • Euhaliotis Wenz, 1938
  • Eurotis Habe & Kosuge, 1964
  • Exohaliotis Cotton & Godfrey, 1933
  • Haliotis (Haliotis) Linnaeus, 1758
  • Haliotis (Marinauris) Iredale, 1937
  • Haliotis (Nordotis) Habe & Kosuge, 1964
  • Haliotis (Notohaliotis) Cotton & Godfrey, 1933
  • Haliotis (Padollus) Montfort, 1810
  • Haliotis (Paua) C. Fleming, 1953
  • Haliotis (Sulculus) H. Adams & A. Adams, 1854
  • Marinauris Iredale, 1927
  • Neohaliotis Cotton & Godfrey, 1933
  • Nordotis Habe & Kosuge, 1964
  • Notohaliotis Cotton & Godfrey, 1933
  • Ovinotis Cotton, 1943
  • Padollus Montfort, 1810
  • Paua C. Fleming, 1953
  • Sanhaliotis Iredale, 1929
  • Schismotis Gray, 1856
  • Teinotis H. Adams & A. Adams, 1854
  • Tinotis P. Fischer, 1885 (invalid: unjustified emendation of Teinotis)
  • Usahaliotis Habe & Kosuge, 1964

অ্যাবালোন শামুক জাতীয় একটি প্রাণী। পূর্ব এশীয় অঞ্চলে খাবার হিসেবে এর প্রচলন আছে। এটি Haliotidae গোত্রের একমাত্র গণ Haliotis এর সদস্য। এসব মোলাস্কা Ear shell, Ormer বা Paua নামেও পরিচিত।

শীতপ্রধান অঞ্চলে এবং গ্রিস্মমন্ডলের সব সাগরে অ্যাবালোনের প্রজাতিগুলো ব্যপকভাবে বিস্তৃত। এবালোন সাধারণত রাতের বেলা সক্রিয় হয়ে উঠে। এদের প্রধান খাদ্য শৈবাল। এদের খোলক চ্যাপটা, ভিতরে প্রশস্ত, প্যাঁচ কম এবং দেখতে কানের মত। এদের খোলকে এক সারি ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। এসব ছিদ্রের মাধ্যমে ম্যান্টল গহবর থেকে পানি সরাসরি বাইরে বের করে দেয়। অ্যাবালোনের দেহের অনাবৃত অংশ সাধারণত কালো, সবুজ এবং বাদামী রঙের হয়ে থাকে। এদের লার্ভা সমুদ্রের পানির উপরিভাগে স্বচ্ছন্দে ভেসে বেড়ায় এবং প্রায় দুইদিন প্ল্যাংকটনের মধ্যে মুক্তভাবে সাঁতার কাটে। পরে সমুদ্রের মাঝে আশ্রয় পূর্ণবয়স্ক শামুকে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]