অশ্মক রাজ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আসক মহাজনপদ

অশ্মকের অবস্থান
রাজধানীপোটালি বা পোদনা - (বর্তমান দিন বোধান), আসীকনগর
সরকাররাজতন্ত্র

অসসক (পালি) বা অশ্মক (আইএএসটি : Aśmaka) জনপদ (প্রাচীন ভারতের পুরাণ অনুসারে) বা মহাজনপদ (বৌদ্ধ গ্রন্থ অনুসারে) ছিল। যা খ্রিস্টপূর্ব ৭০০ থেকে ৪২৫ বা ৩৪৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বিদ্যমান ছিল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

অশ্মক গোদাবরী নদীর চারপাশে এবং এর মাঝে অবস্থিত ছিল। [১] এটিতে বর্তমান অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা এবং মহারাষ্ট্রের অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল[২] এটা ষোড়শ (ষোল) অন্যতম মহাজনপদ ষষ্ঠ শতাব্দীতে বৌদ্ধ টেক্সট অঙ্গুত্তর-নিকায় তে উল্লেখ আছে। [৩] পুরাণে অশ্মককে নন্দ বংশের খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম ও চতুর্থ শতকের মধ্যে অধিকৃত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখিত আছে।

রাজধানী পোটালি বা পোদানা বলে পরিচিত ছিল যা বর্তমানে তেলেঙ্গানা রাজ্যের বোধান নামে পরিচিত। [৪] বৌদ্ধ পাঠ্য মহাগোবিন্দ সুত্তান্ত তে বর্ণিত আছে অশ্মকের এক শাসক ব্রহ্মদত্ত যিনি পোতালি থেকে শাসন করেছিলেন। [৫] মৎস্য পুরানা (ch.272) অশ্মকের পঁচিশ জন শাসকদের তালিকা করেছেন যারা মগধের শাসক Shishunaga এর সমসাময়িক। পাণিনির 'অষ্টাধ্যায়ী' থেকে দাক্ষিনাত্য এবং কলিঙ্গ রাজ্যের সাথে অশ্মক রাজ্যের যোগাযোগের কথা জানা যায়।

[৬]

অশ্মক ছাড়াও এটি অসসক ও অসভক নামে পরিচিত ছিল বৌদ্ধিক সাহিত্য এবং রাজা হালার গাথা সপ্তসাঠি তে ।

খারভেল এর হাতিগুম্ফা শিলালিপি ( খ্রীস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে) তে একটি শহরের বর্ণনা করা আছে মাসিকা(মাসিকনগর),মুষিকা(মূূূষিকানগর), অসিকা(অসিকানগর) যা তার পক্ষে হুমকি স্বরূপ ছিল। এন.কে.সাহু

আশিকাকে আসাকার রাজধানী হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। [৭] :১২৭ অজয় মিত্র শাস্ত্রীর মতে, "আসিকা-নগর" বর্তমানে নাগপুর জেলার আদম গ্রামে ( ওয়েয়নগা নদীর তীরে ) অবস্থিত । গ্রামে খনন করা একটি পোড়ামাটির সিলটিতে অস্মক জনপদের উল্লেখ রয়েছে। [৮] [৯] অশ্মক এছাড়াও অন্তর্ভুক্ত করা মুলাকা আশপাশের এলাকায় পৈঠান যেমন প্রাচীন কালে পরিচিত ছিল প্রতিষ্ঠান নামে। [১০] সুত্তা-নিপাতা মতে সাকেত বা অযোধ্যা ছিল শ্রাবস্তী থেকে প্রতিষ্ঠান যাবার পথে প্রথম বিশ্রাম নেবার জায়গা।


আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Gupta, Parmanand (১৯৮৯)। Geography from Ancient Indian Coins & Seals (ইংরেজি ভাষায়)। Concept Publishing Company। আইএসবিএন 9788170222484 
  2. Tiwari, Anshuman; Sengupta, Anindya (২০১৮-০৮-১০)। Laxminama: Monks, Merchants, Money and Mantra (ইংরেজি ভাষায়)। Bloomsbury Publishing। পৃষ্ঠা 307। আইএসবিএন 9789387146808 
  3. Law, Bimala Churn (১৯৭৩)। Tribes in Ancient India (ইংরেজি ভাষায়)। Bhandarkar Oriental Research Institute। পৃষ্ঠা 180। 
  4. Sen, Sailendra Nath (১৯৯৯)। Ancient Indian History and Civilization (ইংরেজি ভাষায়)। New Age International। পৃষ্ঠা 109। আইএসবিএন 9788122411980 
  5. Raychaudhuri, Hemchandra (1972) Political History of Ancient India, University of Calcutta, mumbai, p.80
  6. Gupta, Kalyan Kumar Das (১৯৭২)। "The Aśvakas: an Early Indian Tribe": 33–40। আইএসএসএন 0012-8376জেস্টোর 29755742 
  7. N. K. Sahu; Kharavela (King of Kalinga) (১৯৮৪)। Khâravela। Orissa State Museum। 
  8. Ajay Mitra Shastri (১৯৯৮)। The Sātavāhanas and the Western Kshatrapas: a historical framework। Dattsons। পৃষ্ঠা 56। আইএসবিএন 978-81-7192-031-0 
  9. Inguva Karthikeya Sarma; J. Vara Prasada Rao (১ জানুয়ারি ১৯৯৩)। Early Brāhmī Inscriptions from Sannati। Harman Publishing House। পৃষ্ঠা 68। আইএসবিএন 978-81-85151-68-7 
  10. Indian History (ইংরেজি ভাষায়)। Allied Publishers। ১৯৮৮। আইএসবিএন 978-81-8424-568-4 

বাহ্যিক লিঙ্কগুলি[সম্পাদনা]