আয়নার হের্টসস্প্রোং
আয়নার হের্টসস্প্রোং | |
|---|---|
১৯৬১ সালে হের্টসস্প্রোং | |
| জন্ম | ৮ অক্টোবর ১৮৭৩ কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক |
| মৃত্যু | ২১ অক্টোবর ১৯৬৭ (বয়স ৯৪) রসকিল, ডেনমার্ক |
| মাতৃশিক্ষায়তন | কোপেনহেগেন পলিটেকনিক |
| পরিচিতির কারণ | হের্টসস্প্রোং ব্যবধান হের্টসস্প্রোং-রাসেল লেখচিত্র |
| দাম্পত্য সঙ্গী | হেনরিয়েটে মারিয়েটে আউগুস্টিনে আলবের্টিনে কাপটাইন |
| পিতা-মাতা |
|
| পুরস্কার | ব্রুস পদক (১৯৩৭) রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিকাল সোসাইটির স্বর্ণপদক (১৯২৯) |
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র | রসায়ন, জ্যোতির্বিজ্ঞান |
| প্রতিষ্ঠানসমূহ | লাইডেন মানমন্দির |

আয়নার হের্টসস্প্রোং (ডেনীয়: Ejnar Hertzsprung; আ-ধ্ব-ব:[ˈɑjnɐ ˈhɛɐ̯tsˌpʁɔŋ]; ৮ই অক্টোবর, ১৮৭৩ - ২১শে অক্টোবর, ১৯৬৭) ছিলেন একজন বিখ্যাত ডেনীয় রসায়নবিদ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে জন্মগ্রহণ করেন এবং একই দেশের রসকিল শহরে মৃত্যুবরণ করেন।
তারাদের (নক্ষত্র) হের্টসস্প্রোং-রাসেল লেখচিত্রটির যৌথ স্রষ্টা হিসেবে হের্টসস্প্রোং সর্বাধিক স্মরণীয়। এছাড়া তিনি দুইটি গ্রহাণু আবিষ্কার করেন।[১] তাঁর সম্মানে সেগুলিকে হের্টসস্প্রোং গ্রহাণু নামকরণ করা হয়েছে।[২]
আবিষ্কার ও গবেষণাকর্ম
[সম্পাদনা]১৯১১ থেকে ১৯১৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী হেনরি নরিস রাসেলের সাথে যৌথভাবে হের্টসস্প্রোং-রাসেল লেখচিত্র উদ্ভাবন ও উন্নয়ন সাধন করেন।
১৯১৩ সালে পরিসাংখ্যিক লম্বনের মাধ্যমে তিনি অনেকগুলো ছায়াপথীয় শেফালী তারার দূরত্ব নির্ণয় করেন। এর মাধ্যমে তিনি হেনরিয়েটা লিভিট কর্তৃক আবিষ্কৃত শেফালী পর্যায় এবং দীপন ক্ষমতার মধ্যে সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণ করতে সমর্থ হন। এটি নির্ণ করতে গিয়ে তিনি একটি ভুল করেছিলেন যা তার লেখার ভুলও হতে পারে। ভুলটি হল, তিনি তারাগুলোকে প্রকৃতের তুলনায় ১০ গুণ নিকটবর্তী দেখিয়েছেন। এই সম্পর্কগুলোর মাধ্যমে তিনি ক্ষুদ্র ম্যাজেলানীয় মেঘের আনুমানিক দূরত্ব বের করেছিলেন।
১৯১৯ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত হের্টসস্প্রোং নেদারল্যান্ডসের লাইডেন মানমন্দিরে কাজ করেন। ১৯৩৭ থেকে তিনি এই মানমন্দিরের পরিচালক ছিলেন। তিনি দুইটি গ্রহাণু আবিষ্কার করেন:
| ১৬২৭ আইভার | ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯২৯ |
| ১৭০২ কালাহারি | ৭ জুলাই ১৯২৪ |
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]পুরস্কারসমূহ
[সম্পাদনা]- রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির স্বর্ণপদক - ১৯২৯
- ব্রুস পদক - ১৯৩৭
তাঁর নামে নামাঙ্কিত
[সম্পাদনা]আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Schmadel, Lutz D. (২০০৩)। "(1627) Ivar"। Dictionary of Minor Planet Names – (1627) Ivar। Springer Berlin Heidelberg। পৃ. ১২৯। ডিওআই:10.1007/978-3-540-29925-7_1628। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৫৪০-২৯৯২৫-৭।
- ↑ Schmadel, Lutz D. (২০০৩)। "(1693) Hertzsprung"। Dictionary of Minor Planet Names – (1693) Hertzsprung। Springer Berlin Heidelberg। পৃ. ১৩৫। ডিওআই:10.1007/978-3-540-29925-7_1694। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৫৪০-২৯৯২৫-৭।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Bruce Medal page ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে
- Awarding of Bruce Medal: PASP 49 (1937) 65
- Awarding of RAS gold medal: MNRAS 89 (1929) 404
মুদ্রিত শোকসংবাদ
[সম্পাদনা]- AN 290 (1968) 287 (one line, in German)
- AN 291 (1969) 85 (in German)
- JRASC 62 (1968) 137
- Obs 87 (1967) 298 (one line)
- PASP 79 (1967) 638 (one line)
- PASP 80 (1968) 51
- QJRAS 9 (1968) 337