স্পার্টা
| স্পার্টা
Σπάρτη
|
||
|---|---|---|
| রাজধানী | স্পার্টা 37°4′N 22°26′E / 37.067°উ 22.433°পূ |
|
| সরকার | ওলিগারকি | |
| আয়তন | ||
| - | মোট | ৮৪,৫ বর্গকিমি ৩২,৬৩ বর্গমাইল |
| জনসংখ্যা | ||
| - | ২০০১ আনুমানিক | ১৮,১৮৪ |
| - | ঘনত্ব | ২১৫ /বর্গকিমি ৮৩ /বর্গমাইল |
| কলিং কোড | ৩০ | |
স্পার্টা (গ্রিক ভাষায় Σπάρτη, Sparte; ডোরিক ভাষায় Σπάρτα, Spártā) দক্ষিণ গ্রীসের একটি শহরের নাম। সুপ্রাচীন কালে এটি একটি বিখ্যাত ডোরীয় গ্রিক সামরিক সাম্রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল। তখন এটি মূলত ল্যাকোনিয়ার অন্তর্গত ছিল। একটি পৃথক শহর-স্টেট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত স্পার্টার সৈন্যদের কঠোর অনুশীলন করানো হত। এজন্যই স্পার্টার সেনাদল তৎকালীন গ্রিসের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ সেনাদল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এথেনীয় এবং পার্সীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় লাভের পর স্পার্টা নিজেকে গ্রিসের স্বাভাবিক রক্ষক হিসেবে ঘোষণা করে।[১] গ্রিসের কেন্দ্রীয় ল্যাকোনীয় সমতলের দক্ষিণে একেবারে শেষভাগে ইউরোটাস নদীর ডান তীরে স্পার্টা নগরী অবস্থিত। প্রাচীন কাল থেকেই এই শহরের একটি প্রাকৃতিক প্রতিরোধ বিদ্যমান ঠিল। কারণ এর তিনদিক পর্বতশ্রেণী দ্বারা ঘেরা। একদিকে ছিল টেইগেটাস পাহাড়ের উপর দিয়ে লেগদা গিরিপথ হয়ে আগ্রাসী বাহিনী আক্রমণ করতে পারত। এক্ষেত্রে তাদেরকে ল্যাকোনিয়া এবং পেলোপনেসাস অতিক্রম করতে হত। কিন্তু এই পথে স্পার্টান সৈন্যদের কর্তৃত্ব বজায় ছিল সবসময়। উপরন্তু এই শহর থেকে নিকটতম সমুদ্র বন্দর তথা জিথিয়াম বন্দরের দূরত্ব ছিল ২৭ কিলোমিটার। এ কারণে এই শহরটিকে অবরোধ করা ছিল দুঃসাধ্য কাজ।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস [সম্পাদনা]
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ মাচেদোনীয়ান সাম্রাজ্য: ফিলিপ II এবং আলেকজান্ডারের অধীনে যুদ্ধের যুগ, ৩৫৯-৩২৩ বি.সি.- জেমস আর.।
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- বিশ্ব মানচিত্রে স্পার্টার অবস্থান
- GTP - স্পার্টা
- GTP - স্পার্টার পৌরসভা
- GTP - প্রাচীন স্পার্টা
- প্রাচীন স্পার্টার ইতিহাস, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতি
- Journal of Laconian Studies
- স্পার্টা এবং গ্রিক ইতিহাসের জন্য একটি শিক্ষা সংক্রান্ত পর্যায়ক্রমিক
- স্পার্টান আর্টওয়ার্ক