ক্লিওপেট্রা
| সপ্তম ক্লিওপেট্রা ফিলোপেটর | |
|---|---|
| মিশরের রানী | |
| সপ্তম ক্লিওপেট্রার আবক্ষ মূর্তি | |
| সময়কাল | খ্রিস্টপূর্ব ৫১–১২ আগস্ট, খ্রিস্টপূর্ব ৩০ ত্রয়োদশ টলেমি (খ্রিস্টপূর্ব ৫১–খ্রিস্টপূর্ব ৪৭) চতুর্দশ টলেমি (খ্রিস্টপূর্ব ৪৭–খ্রিস্টপূর্ব ৪৪) সিজারিওন (খ্রিস্টপূর্ব ৪৪–খ্রিস্টপূর্ব ৩০) |
| উত্তরসূরী | নেই (মিশর পরবর্তীতে রোম দ্বারা শাসিত হয়) |
| দাম্পত্য সঙ্গী | ত্রয়োদশ টলেমি থিওস ফিলোপেটর চতুর্দশ টলেমি জুলিয়াস সিজার (বৈধ বিয়ে হয়নি) মার্ক অ্যান্টনি |
| ইশু | |
| পঞ্চদশ টলেমি ফিলোপেটর ফিলোমেটর সিজার প্রিন্স আলেকজান্ডার হেলিওস ক্লিওপেট্রা সেলেনা, মৌরিতানিয়ার রানী প্রিন্স টলেমি ফিলাডেলফাস |
|
| পূর্ণ নাম | |
| সপ্তম ক্লিওপেট্রা থেয়া ফিলোপেটর | |
| পিতা | অলেটেসের দ্বাদশ টলেমি |
| মাতা | মিশরের পঞ্চম ক্লিওপেট্রা |
| সমাধি | আলেকজান্দ্রিয়া |
সপ্তম ক্লিওপেট্রা ফিলোপেটর (ইংরেজি: Cleopatra VII Philopator; গ্রিক: Κλεοπάτρα Φιλοπάτωρ) (খ্রিস্টপূর্ব ৬৯ অব্দ[১] – ১২ আগস্ট, খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ) একজন মিশরীয় ফারাও। তিনি ছিলেন প্রাচীন মিশরের সর্বশেষ ফারাও। তাঁর মৃত্যুর পর মিশর রোমান প্রদেশের আওতাধীন হয়।
ক্লিওপেট্রা ছিলেন প্রাচীন মিশরীয় টলেমিক বংশের সদস্য। মহামতি আলেকজান্ডারের একজন সেনাপতি আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর মিশরে কর্তৃত্ব দখল করেন ও টলেমিক বংশের গোড়াপত্তন করেন। এই বংশের বেশিরভাগ সদস্য গ্রিক ভাষায় কথা বলতেন, এবং তাঁরা মিশরীয় ভাষা শিখতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। ফলে রোসেত্তা স্টোনের সরকারি নথিপত্রেও মিশরীয় ভাষার পাশাপাশি গ্রিক ভাষার প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।[২] অপরদিকে ব্যতিক্রমী ক্লিওপেট্রা মিশরীয় ভাষা শিখেছিলেন এবং নিজেকে একজন মিশরীয় দেবীর পুনর্নজন্ম হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
বাবা চতুর্দশ টলেমি অলেটেসের সাথে ক্লিওপেট্রা দ্বৈতভাবে মিশর শাসন করতেন। বাবার মৃত্যুর পর তিনি তাঁর ভাতৃদ্বয় ত্রয়োদশ টলেমি ও চতুর্দশ টলেমির সাথে রাজ্য শাসন করতেন। তৎকালীন মিশরীয় ঐতিহ্য অনুসারে তিনি তাঁদেরকে বিয়েও করেছিলেন। পরবর্তীতে একসময় ক্লিওপেট্রা মিশরের একক শাসক হিসেবে অধিষ্ঠিত হন। ফারাও হিসেবে তিনি রোমের শাসক গাউস জুলিয়াস সিজারের সাথে একটি ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন, যা মিশরের সিংহাসনে ওপর তাঁর হাতকে আরও শক্তিশালী করেছিলো। পরবর্তীতে জুলিয়াস সিজারের নামানুসারে ক্লিওপেট্রা তাঁর বড় ছেলের নাম রেখেছিলেন সিজারিওন।
পরিচ্ছেদসমূহ |
পাদটীকা [সম্পাদনা]
- ↑ Walker, p. 129.
- ↑ "Radio 4 Programmes - A History of the World in 100 Objects, Empire Builders (300 BC - 1 AD), Rosetta Stone"। BBC। http://www.bbc.co.uk/programmes/b00sbrz3। সংগৃহীত 2010-06-07।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- Hegesippus, Historiae i.29–32.
- Lucan, Bellum civile ix.909–911, x.
- Macrobius, Saturnalia iii.17.14–18.
- Orosius, Historiae adversus paganos vi.16.1–2, 19.4–18.
- Pliny, Naturalis historia vii.2.14, ix.58.119–121, xxi.9.12.
- Suetonius, De vita Caesarum Iul i.35.52, ii.17.
- Syme, Ronald (1962), The Roman Revolution, Oxford University Press.
- Walker, Susan; Higgs, Peter (2001), Cleopatra of Egypt, From History to Myth, British Museum Press, আইএসবিএন 978-0714119434.
আরও পড়ুন [সম্পাদনা]
- Bradford, Ernle Dusgate Selby (2000), Cleopatra, Penguin Group, আইএসবিএন 9780141390147
- Burstein, Stanley M., The Reign of Cleopatra, University of Oklahoma Press
- Flamarion, Edith; Bonfante-Warren, Alexandra (1997), Cleopatra: The Life and Death of a Pharoah, Harry Abrams, আইএসবিএন 9780810928053
- Foss, Michael (1999), The Search for Cleopatra, Arcade Publishing, আইএসবিএন 9781559705035
- Nardo, Don (1994), Cleopatra, Lucent Books, আইএসবিএন 9781560060239
- Southern, Pat (2000), Cleopatra, Tempus, আইএসবিএন 9780752414942
- Schuller, Wolfgang. Cleopatra ISBN 3-498-06364-2. scholarly biography
- Roller, Duane W. Cleopatra: A Biography (Oxford University Press; 2010; 252 pages; $24.95). scholarly biography
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: সপ্তম ক্লিওপেট্রা |
সাধারণ [সম্পাদনা]
- Cleopatra VII (VI) at LacusCurtius – Chapter XIII of E. R. Bevan's House of Ptolemy, 1923
- Cleopatra, a Victorian children's book by Jacob Abbott, 1852, Project Gutenberg edition.
- James Grout: Cleopatra part of the Encyclopædia Romana
- "Mysterious Death of Cleopatra" at the Discovery Channel
- Cleopatra VII at BBC History
চিত্রকর্ম [সম্পাদনা]
- Sir Thomas Browne: Of the Picture describing the death of Cleopatra (1672)
- John Sartain: On the Antique Portrait of Cleopatra (1818)