ফারাও

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
"ফারাও"-এর অন্য ব্যবহারের জন্য, দেখুন ফারাও (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
প্রচলিত পোষাকে ফারাওের চিত্র
O1
O29
pr-aa
"Great house"
চিত্রলিপিতে
sw
t
L2
t


A43 A45


S1
t
S3
t


S2 S4


S5
nesu-bit
"King of Upper
and Lower Egypt"
চিত্রলিপিতে

ফারাউ (/ˈf.r/, /fɛr./[১][২] বা /fær./[২]) হলো গ্রিক-রোমান কর্তৃক বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত প্রাচীন মিশরীয় রাজবংশের রাজাদের প্রচলিত উপাধি।[৩]

প্রাচীন মিশরের নতুন রাজ্যের সময় ফেরাউনরা ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক নেতা ছিল। "বড় বাড়ি" বলতে তখন রাজাদের বাড়িকে বোঝানো হত কিন্তু মিশরীয় ইতিহাসের গতিপথের সাথে সাথে তা হারাতে বসে ছিল এমনকি রাজা, nswt এর জন্য ঐতিহ্যবাহী মিশরীয় শব্দের পরস্পরিক পরিবর্তনে মধ্যে প্রকাশ করা হয়েছিল। যদিও মিশরের শাসকরা সাধারণত পুরুষ ছিল, ফেরাউন শব্দটা বিরলভাবে মহিলা শাসকদের হ্মেত্রেও ব্যবহার করা হত। ফেরাউনরা বিশ্বাস করত যে দেবতা হরুসের সাথে জীবনের দেহযুক্ত সমস্ত মিশরের পৌরাণিক শাসক এবং ওসিরিসের মৃত্যুতে।

এরা নিজেদেরকে সূর্যের বংশধর মনে করত। নিজেদেরকে দেবতা বলে মনে করায় তারা বংশের বাইরে কাউকে বিবাহ করত না। ফলে ভাইবোনেদের মধ্যেই বিবাহ সম্পন্ন হত। ফেরাউনরা মৃত্যুর পরও জীবন আছে বলে বিশ্বাস করত। তাই তাদের মৃত্যুর পর পিরামিড বানিয়ে তার নীচে সমাধিকক্ষে এদের দৈনন্দিন জীবনের ভোগ-বাসনার সমস্ত সরঞ্জাম রক্ষিত করত। মৃতদেহকে পচন থেকে বাঁচাবার জন্য তারা দেহকে মমি বানিয়ে রাখত এবং স্বর্ণালঙ্কারে মুড়ে সমাধিকক্ষের শবাধারে রাখা হত।

নামের উৎপত্তি[সম্পাদনা]

এই উপাধি বা নামের উৎপত্তি ঘটেছে মিশরীয় শব্দ pr ˤ3 থেকে, আক্ষরিক অর্থে "মহান নিবাস", যা রাজকীয় প্রাসাদের বর্ণনা দিয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, যদিও, "ফারাও" নামটি শুধুমাত্র নতুন রাজ্যের সময়কালে রাজদের জন্য একটি নাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো, বিশেষভাবে অষ্টাদশ রাজবংশের মধ্যবর্তী সময়ে, হাতশেপসুত রাজত্বের পরবর্তীকালে।[৪]

মুকুট এবং প্রধান পোশাক[সম্পাদনা]

নার্মার প্যালেট
NarmerPalette-CloseUpOfNarmer-ROM.png NarmerPalette-CloseUpOfProcession-ROM.png
সাদা মুকুট পরিহিত নার্মার লাল মুকুট পরিহিত নার্মার

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Merriam-Webster's Collegiate Dictionary, Eleventh Edition. Merriam-Webster, 2007. p. 928
  2. ২.০ ২.১ Dictionary Reference: pharaoh
  3. Beck, Roger B.; Linda Black, Larry S. Krieger, Phillip C. Naylor, Dahia Ibo Shabaka, (1999)। World History: Patterns of Interaction। Evanston, IL: McDougal Littellআইএসবিএন 0-395-87274-X  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  4. Dodson, Aidan and Hilton, Dyan. The Complete Royal Families of Ancient Egypt. Thames & Hudson. 2004. ISBN 0-500-05128-3

গ্রন্থতালিকা[সম্পাদনা]

  • Shaw, Garry J. The Pharaoh, Life at Court and on Campaign, Thames and Hudson, 2012.
  • Sir Alan Gardiner Egyptian Grammar: Being an Introduction to the Study of Hieroglyphs, Third Edition, Revised. London: Oxford University Press, 1964. Excursus A, pp. 71–76.
  • Jan Assmann, "Der Mythos des Gottkönigs im Alten Ägypten," in Christine Schmitz und Anja Bettenworth (hg.), Menschen - Heros - Gott: Weltentwürfe und Lebensmodelle im Mythos der Vormoderne (Stuttgart, Franz Steiner Verlag, 2009), 11-26.

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]

Wikibooks
উইকিবই প্রকল্পে নিম্নের বিষয়ের উপরে সহায়িকা, বই, বা তথ্য রয়েছে: