রানাসিংহে প্রেমাদাসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রানাসিংহে প্রেমাদাসা
180px
৩য় শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি
কার্যালয়ে
২ জানুয়ারি, ১৯৮৯ – ১ মে, ১৯৯৩
পূর্বসূরী জুনিয়াস রিচার্ড জয়াবর্ধনে
উত্তরসূরী দীনগিরি বান্দা বিজেতুঙ্গা
শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ে
৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৮ – ৩ মার্চ, ১৯৮৯
পূর্বসূরী জুনিয়াস রিচার্ড জয়াবর্ধনে
উত্তরসূরী দীনগিরি বান্দা বিজেতুঙ্গা
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯২৪-০৬-২৩)২৩ জুন ১৯২৪
কলম্বো, ব্রিটিশ সিলন
(বর্তমানে শ্রীলঙ্কা)
মৃত্যু ১ মে ১৯৯৩(১৯৯৩-০৫-০১) (৬৮ বছর)
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
জাতীয়তা শ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কান
রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গী হেমা প্রেমাদাসা
(বিবাহ-পূর্ব বিক্রেমাতুঙ্গে)
সন্তান সজিথ, দুলানজলি
ধর্ম থেরাবাদা বুদ্ধত্ব

রানাসিঙ্গে প্রেমাদাসা বা রানাসিংহে প্রেমাদাসা (সিংহলি: රණසිංහ ප්‍රේමදාස, তামিল: ரணசிங்க பிரேமதாசா; জন্ম: ২৩ জুন, ১৯২৪ - মৃত্যু: ১ মে, ১৯৯৩) তৎকালীন ব্রিটিশ সিলনের কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। ২ জানুয়ারি, ১৯৮৯ থেকে ১ মে, ১৯৯৩ সময়কাল পর্যন্ত তিনি শ্রীলঙ্কার ৩য় রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তারপূর্বে জে. আর. জয়াবর্ধনে সরকারের অধীনে ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৮ থেকে ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সময়কাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন ১ মে, ১৯৯৩ তারিখে অনুষ্ঠিত মে দিবসের শোভাযাত্রা অনুষ্ঠানে এলটিটিই কর্তৃক পরিচালিত[১] আত্মঘাতি বোমা হামলায় তিনি নিহত হন।[২] ১৯৮৬ সালে নির্মিত খেত্তারামা স্টেডিয়ামের উন্নয়নে অনন্য সাধারণ ভূমিকা রাখেন তিনি। মৃত্যু পরবর্তীকালে তাঁর নামকে চীরস্মরণীয় করে রাখতে এর বর্তমান নামকরণ করা হয় আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

কলম্বোর সেন্ট জোসেফ’স কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়ে প্রাচ্য ভাষা শিখতে থাকেন। তাঁর বাবা রিচার্ড রানাসিংহে। তাঁরই অনুপ্রেরণায় তিনি এ ভাষা শিখেন। সাংবাদিক হতে চেয়েছিলেন রানাসিংহে প্রেমাদাসা। সিংহলি ভাষায় জওহরলাল নেহেরু’র আত্মজীবনী অনুবাদ করেন।

হেমা বিক্রমাতুঙ্গে নামীয় এক রমণীকে বিয়ে করেন তিনি। তাঁদের সংসারে সজীথ প্রেমাদাসা ও দুলানজলী নামীয় দুই সন্তান রয়েছে। তন্মধ্যে, পুত্র সজীথ প্রেমাদাসা হাম্বানতোতা জেলা থেকে ইউএনপি’র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি’র সাবেক উপ-নেতা ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

এ. ই. গুণেসিংহে’র নেতৃত্বাধীন সিলনের লেবার পার্টি’র মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনে অনুপ্রবেশ করেন। ১৯৫০-এর দশকে লেবার পার্টির অনুজ্জ্বল ভবিষ্যৎ টের পেয়ে দল ত্যাগ করেন ও মধ্যপন্থী ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টিতে যোগ দেন। এভাবেই তিনি প্রথম অ-গোভিগামা রাজনীতিবিদ হলেন যিনি গণতান্ত্রিক পন্থায় শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতা পরবর্তীকালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উপনীত হয়েছেন।

ডাডলে সেনানায়েকের মন্ত্রীসভায় সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে অভিষিক্ত হন তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম রেডিও স্টেশন রেডিও সিলনকে ৫ জানুয়ারি, ১৯৬৭ তারিখে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা হিসেবে সিলন ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনে নামাঙ্কিত করেন।

দরিদ্রদের আশ্রয়দান প্রকল্পের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন। সেজন্যে জাতিসংঘ আশ্রয়বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সরকারি অফিস
পূর্বসূরী
জুনিয়াস রিচার্ড জয়াবর্ধনে
শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি
১৯৮৯–১৯৯৩


উত্তরসূরী
দীনগিরি বান্দা বিজেতুঙ্গা
পূর্বসূরী
জুনিয়াস রিচার্ড জয়াবর্ধনে
শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী
১৯৭৮–১৯৮৯


উত্তরসূরী
দীনগিরি বান্দা বিজেতুঙ্গা