মিশরীয় পিরামিড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গিজা পিরামিড চত্বর; চত্বরের দক্ষিণে অবস্থিত মালভূমি থেকে গৃহীত চিত্র। চত্বরে দৃশ্যমান ডানদিক থেকে বামদিকে খুফুর পিরামিড, খাফ্রের পিরামিডমেনকাউরের পিরামিড। সামনের ক্ষুদ্রাকার পিরামিড তিনটি মেনকাউরের পিরামিডের সঙ্গে সংযুক্ত স্থাপনা।
U23 G17
r
O24
পিরামিড
চিত্রলিপিতে

মিশরীয় পিরামিড হল মিশরে অবস্থিত প্রাচীন পিরামিড-আকৃতির প্রস্তরনির্মিত স্থাপনাসমূহ।

২০০৮ সাল পর্যন্ত মিশরে ১৩৮টি পিরামিড আবিষ্কৃত হয়েছে।[১][২] এগুলির অধিকাংশই নির্মিত হয় প্রাচীনমধ্যকালীন ফ্যারাওদের রাজত্বকালে তাঁদের ও তাঁদের পত্নীদের সমাধিসৌধ হিসেবে।[৩] [৪]

মিশরের প্রাচীনতম পিরামিডগুলি আবিষ্কৃত হয়েছে মেমফিসের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সাক্কারায়। এগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরনোটি হল তৃতীয় রাজবংশের রাজত্বকালে নির্মিত জোসারের পিরামিড (নির্মাণকাল খ্রিষ্টপূর্ব ২৬৩০-২৬১১ অব্দ)। স্থপতি ইমহোটেপ এই পিরামিড ও পিরামিড-সংলগ্ন চত্বরের নকশা প্রস্তুত করেছিলেন। সাধারণভাবে এটিকেই বিশ্বের প্রাচীনতম মসৃণ প্রস্তরনির্মিত স্থাপনা মনে করা হয়।

মিশরীয় পিরামিডগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত পিরামিডগুলি দেখা যায় কায়রো শহরের উপকণ্ঠে গিজায়। গিজার বেশ কয়েকটি স্থাপনাকে বিশ্বের অন্যতম বৃহদাকার স্থাপনা বলে মনে করা হয়।[৫]

গিজায় অবস্থিত খুফুর পিরামিড মিশরীয় পিরামিডগুলির মধ্যে বৃহত্তম। প্রাচীন বিশ্বের সাতটি আশ্চর্য বস্তুর মধ্যে পরিগণিত স্থাপনাগুলির মধ্যে এটিই একমাত্র অদ্যাবধি বিদ্যমান।


ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রথম দিকের ইতিহাস অনুসারে মিশরীয় রাজবংশের মানুষদের মৃত্যুর পরে বেঞ্চ-এর মত কাঠামোতে চিরশায়িত করা হত।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তালিকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Slackman, Michael (17 November 2008)। "In the Shadow of a Long Past, Patiently Awaiting the Future"The New York Times। সংগৃহীত 1 May 2010 
  2. "Mark Lehner (2008). The Complete Pyramids: Solving the Ancient Mysteries. p. 34."। Thames & Hudson। 
  3. Slackman, Michael (16 November 2007)। "In the Shadow of a Long Past, Patiently Awaiting the Future"New York Times। সংগৃহীত 2008-11-17। "Deep below the Egyptian desert, archaeologists have found evidence of yet another pyramid, this one constructed 4,300 years ago to store the remains of a pharaoh’s mother. That makes 138 pyramids discovered here so far, and officials say they expect to find more." 
  4. Michael Ritter (2003) [১] Dating the Pyramids. Retrieved 13 April 2005
  5. Watkin, David (4th ed. 2005)। A History of Western Architecture। Laurence King Publishing। পৃ: 14। আইএসবিএন 978-1856694599 "The Great Pyramid...is still one of the largest structures ever raised by man, its plan twice the size of St. Peter's in Rome"

অতিরিক্ত পঠন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


স্থানাঙ্ক: ২৯°৫৮′৩৪″ উত্তর ৩১°০৭′৫২″ পূর্ব / ২৯.৯৭৬১১° উত্তর ৩১.১৩১১১° পূর্ব / 29.97611; 31.13111