ভৈরব নদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ভৈরব নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাংশের একটি নদী। ভৈরব নদীর তীরে খুলনাযশোর শহর অবস্থিত। এছাড়া এর তীরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে মেহেরপুর, চুয়াডাঙা, বড়বাজার, কোটচাঁদপুর, চৌগাছা, দৌলতপুর, ও বাগেরহাট। হিন্দুদের কাছে নদীটি পবিত্র হিসাবে সমাদৃত।


নদীটির নাম "ভৈরব" এর অর্থ "ভয়াবহ", এক সময় গঙ্গা/পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ এই নদীকে প্রমত্তা রূপ দিয়েছিলো, সেই থেকেই নামটির উৎপত্তি। নদীটির দুইটি শাখা রয়েছে ইছামতি নদী এবং কপোতাক্ষ নদী। খুলনা-ইছামতীর কিছু অংশ ভারতে, এবং বাকিটুকু বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় পড়েছে -- এই নদীটি সেখানে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা নির্দেশ করে।

[সম্পাদনা] নাম

ভৈরব নদীটি তার যাত্রাপথের একেক স্থানে একেক নাম নিয়েছে। কালীগঞ্জ হতে কইখালি পর্যন্ত নদীটির নাম কালিন্দি। এর পর এটি রায়মঙ্গল নামে পরিচিত। তার পর নদীটি দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। পশ্চিমের অংশটি হরিভাঙা, এবং পূর্বেরটি ভৈরব নামে প্রবাহিত হয়। কইখালির পরে নদীটি খুলনা-ইছামতি নামে প্রবাহিত হয়। দক্ষিণের অংশটি রায়মঙ্গল-হরিভাঙা নামে পরিচিত। ভৈরব নদীর মোট দৈর্ঘ্য ২৫০ কিলোমিটার।

[সম্পাদনা] নাব্যতা

বর্তমানে নদীটি অনেকাংশে শুকিয়ে এসেছে। যশোর জেলাবাঘেরপাড়া উপজেলা পার হলে নদীটি আর নাব্য থাকে না। বর্ষা মৌসুমে এটি নাব্য থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে নদীটি শুকিয়ে যায়। তবে নদীটির নিচের দিকের অংশে জোয়ার ভাটা হয়, ও তা সারাবছর নাব্য থাকে।

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম