ব্ল্যাক মেটাল
| ব্ল্যাক মেটাল | |
|---|---|
| শৈলীগত সূত্রপাত | স্পীড মেটাল, থ্রাশ মেটাল, হার্ডকোর পাঙ্ক |
| সাংস্কৃতিক সূত্রপাত | প্রথম স্রোতঃ ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে ও মাঝামাঝিতে, ইউরোপ-এ দ্বিতীয় স্রোতঃ ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে , স্ক্যান্ডিনাভিয়া |
| সংশ্লিষ্ট বাদ্যযন্ত্র | ভোকাল - ইলেকট্রিক গিটার - বেজ গিটার - ড্রামস |
| সাফল্যকাল | আন্ডারগ্রাউন্ড |
| উপধারা | |
| সিম্ফোনিক ব্ল্যাক মেটাল - ভাইকিং মেটাল | |
| সম্মিলিত শাখা | |
| ব্ল্যাকেন্ড ডেথ মেটাল - গথিক মেটাল | |
ব্ল্যাক মেটাল একধরণের চরমপন্থী (extreme) সংগীতের ধারা। এর শিকড় হেভি মেটাল মিউজিকে। যেসব বৈশিষ্ট প্রায়ই এই ধারাতে নজরে আসে তার মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত দ্রুত তাল (fast tempo), বিকৃত গায়কি ঢং (shrieked vocals); গীটার প্রায়শই অত্যন্ত distorted হয়ে থাকে, এবং tremolo picking ব্যবহার প্রায়ই নজরে আসে। ড্রামিং-এ blast beat এর ব্যবহার আরেকটি লক্ষণীয় ব্যাপার। রেকর্ডিং এর মান প্রায়ই ইচ্ছে করে ন্যু্নতম রাখা হয়। গানের কাঠামোও অনেক সময় গতানুগতিক হয় না।
আশির দশকে কিছু thrash metal ব্যান্ড ব্ল্যাক মেটালের কাঠামো গড়ে তোলে। এই "first wave" ব্যান্ডগুলির মধ্যে Venom, Bathory, Hellhammer এবং Celtic Frost সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। নব্বই দশকের শুরুতে কিছু নরওয়েজিয়ান ব্যান্ড নতুন ধরণের ব্ল্যাক মেটাল বের করতে থাকে। এই early Norwegian black metal scene কে বলা হল "সেকেন্ড ওয়েভ", এবং এর অগ্রভাগে যেসব ব্যান্ড ছিল তাদের কয়েকটি হল Mayhem, Burzum, Darkthrone, Immortal ও Emperor। এরা ব্ল্যাক মেটালকে একটা স্বতন্ত্র ধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। চার্চে অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার মত অপরাধে বিভিন্ন প্রভাব বিস্তারকারী ব্ল্যাক মেটাল ব্যান্ডের সদস্যের জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। এজন্যে ব্ল্যাক মেটালকে প্রায়ই আন্ডারগ্রাউন্ড জেনার বলে ধরা হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস [সম্পাদনা]
ব্ল্যাক মেটাল সঙ্গীতের সূচনাবিন্দু হিসেবে ধরা যেতে পারে ভেনম ব্যান্ডের ১৯৮১ সালে বের হওয়া অ্যালবাম, Black Metal, যার নামে সঙ্গীতের এই ধারাটির নামকরণ হয়েছে। যদিও আধুনিক বিচারে একে এখন থ্র্যাশ মেটাল বলে অভিহিত করা হয়, কিন্ত ভেনম ব্ল্যাক মেটাল মিউজিকের অনেক চিরায়ত ধারার প্রবর্তন করে ফেলে, যেমন শয়তান সম্পর্কিত গানের কথা এবং অ্যালবাম প্রচ্ছদ, ব্যান্ড সদস্যদের ছদ্মনাম গ্রহণ ইত্যাদি। ভেনমের পর এই ধারায় সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ব্যান্ড হল বাথোরি। তাদের রেকর্ডিং ব্যবস্থা যে শুধু নিম্নমানের ছিলো বা তাদের গানের কথায় শয়তান বিষয়ক উপকরণ ছিলো শুধু, তা নয়। বাথোরি ব্যান্ডের কুয়োর্থন (Quorthon) ই সবার আগে ব্ল্যাক মেটালের অবিচ্ছেদ্য "অমানুষিক গায়কি ধরন" প্রবর্তন করে। বাথোরি ব্যান্ডের Under the Sign of the Black Mark (১৯৮৭) অ্যালবামকে পরবর্তী প্রজন্মের (দ্বিতীয় ব্ল্যাক মেটাল ওয়েভ এর) বহু ব্যান্ডের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা বলে ধরা হয়।
ব্ল্যাক মেটালের প্রথম ওয়েভের সমাপ্তি [সম্পাদনা]
আশির দশকের শেষভাগে অনেক ব্যান্ডই তথাকথিত "ব্ল্যাক মেটাল" (সেই সময় অব্দি শয়তান বিষয়ক গানের কথা ও ছবি ব্যবহার করা যেকোনো এক্সট্রিম মেটাল ব্যান্ডকেই বলা হতো ব্ল্যাক মেটাল) ধাঁচের গানের ইতি টানে[১]। ব্রাজিলের সার্কোফেগো (Sarcófago) ও হাঙ্গেরির টর্মেন্টর অবশ্য এর ব্যাতিক্রম। ডেথ মেটাল থেকে ব্ল্যাক মেটাল পার্থক্য করার মত খুব বেশি উপকরণ আশির দশকের ঐসব ব্ল্যাক মেটাল ব্যান্ডের (ভেনম, হেলহ্যামার, সোডম ইত্যাদি) গানে ছিলো না। নরওয়ে থেকে ১৯৮৩ সালে উঠে আসা একটি ব্যান্ড আশির দশকে দু'টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা সামনে আনে। যখন প্রথম ওয়েভের (এই নামটি পরবর্তী অর্থাৎ সেকেন্ড ওয়েভের ব্যান্ডগুলির দেয়া) সঙ্গীত ক্ষীয়মান, তখন এই ব্যান্ডটিই ব্ল্যাক মেটালকে উজ্জীবিত করাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ব্যান্ডটির নাম মেয়হেম (Mayhem)[২]
সেকেন্ড ওয়েভ [সম্পাদনা]
আশির দশকের শেষভাগে কিছু স্ক্যান্ডেনেভিয় ব্যান্ড নতুন একধরণের ব্ল্যাক মেটাল বের করতে শুরু করে। এর অগ্রভাগে ছিলো নরওয়েজিয় ব্যান্ড মেয়হেম। ১৯৮৩ সালে গড়ে ওঠা এই ব্যান্ডের গিটারিস্ট Øystein Aarseth, ওরফে "Euronymous" গিটার বাজানোর নতুন কিছু স্টাইল উদ্ভব করেন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যান্ডের নাম থর্নস্ (Thorns)। ডার্কথ্রোন (Darkthrone) ব্যান্ডের ফেনরিজ বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এই দুই ব্যান্ডকে আধুনিক ব্ল্যাক মেটালের আবিষ্কারের কৃতিত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে এটা "অনেকটা বাথোরীর রূপভেদ।"[৩]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Incubus. In: Jon Kristiansen: Metalion: The Slayer Mag Diaries. Brooklyn, NY: Bazillion Points Books 2011, p. 88.
- ↑ Debub, Bill (2007). Black Metal: A Documentary (motion picture). Bill Zebub Productions
- ↑ Until the Light Takes Us (motion picture). Variance Films. 2009
| এই সঙ্গীত-সম্পর্কিত বিষয়ক নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |