ডেথ মেটাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ডেথ মেটাল
শৈলীগত সূত্রপাত থ্রাশ মেটাল
সাংস্কৃতিক সূত্রপাত ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝিতে, আমেরিকা (বিশেষকরে ফ্লোরিডা)
সংশ্লিষ্ট বাদ্যযন্ত্র ভোকাল, ইলেকট্রিক গিটার, বেজ গিটার, ড্রামস
সাফল্যকাল আন্ডারগ্রাউন্ডে ১৯৮০-এর দশকে, ক্রমান্বয়ে বেড়েছে চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৯০-এর দশকের প্রথম থেকে মাঝামাঝিতে ছোট থেকে মাঝারি মাপের, জনপ্রিয়তা বাড়ছে ২০০০ সহস্রাব্দে।
উপধারা
মেলোডিক ডেথ মেটাল, টেকনিক্যাল ডেথ মেটাল
সম্মিলিত শাখা
ডেথকোর, ব্যানেন্ড ডেথ মেটাল, ডেথেন্ড ডুম, গোরগ্রিন্ড, ডেথগ্রিন্ড, ডেথ এন রোল
Regional scenes
ফ্লোরিডা, নিউ ইয়র্ক, সুইডেন, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, জাপান, পোল্যান্ড
অন্যান্য বিষয়
এ্যাক্সট্রিম মেটাল, ডেথ গ্রাউল, ব্ল্যাস্ট বীট

ডেথ মেটাল এক ধরনের সঙ্গীত ধারা, যা হেভি মেটাল সঙ্গীতের উপধারা হিসেবে ধরা হয়। এ ধরনের সংগীতে অতি উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির গিটার, ড্রামস এবং গম্ভীর ভরাট গলার উচ্চস্বর ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের গানের বিষয়বস্তু কিছুটা ভিন্নধর্মী। খুন, ধর্ষণ, শয়তানের উপাসনা, অত্যাচার, ধর্মহীনতা, যৌনবিকৃতি,সামাজিক বৈষম্য, দর্শন, রহস্যময়তা ইত্যাদি ডেথ মেটাল সঙ্গীতের বিষয়বস্তু হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সমাজবিজ্ঞানী কিথ কান হ্যারিসের মতে ডেথ মেটাল হচ্ছে নৃশংসতাকে চাকচিক্যময় করা, যা মানুষের মনে এক ধরনের মুগ্ধতা জাগায় এবং যে মুগ্ধতা একই সাথে আকাঙ্খা এবং ক্রোধ জাগিয়ে তোলে। ডেথ মেটাল শিল্পীরা একে এক ধরনের চূড়ান্ত শিল্প বলে মনে করেন, যা হরর ছবির সাথে তুলনা করা যেতে পারে।মেলোডিক ডেথ মেটাল ডেথ মেটাল শাখার একটি উপশাখা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

আশির দশকের মাঝামাঝি ডেথ মেটাল সঙ্গীতের উদ্ভব ঘটে। ডেথ ব্যান্ডের লীডার চাক সোল্ডিনারকে ডেথ মেটাল সঙ্গীতের পিতা হিসেবে ধরা হয়। এ সঙ্গীত ধারা বিশেষভাবে কিছু থ্রাশ মেটাল ব্যান্ড দ্বারা অনুপ্রানিত, যেমন স্লেয়ার, কেল্টিক ফ্রস্ট,ক্রিয়েটরমরবিড এ্যাঞ্জেল, পসেসড ব্যান্ড এ সঙ্গীত ধারার পুরোধা। আশির দশকের শেষের দিকে এবং নব্বই দশকের শুরুতে ডেথ মেটাল সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থকে। ক্যানিবাল করপস, মরবিড এ্যাঞ্জেল,ওবিচুয়ারি কিছু ব্যবসায়িকভাবে সফল ব্যান্ডের নাম। ব্যবসায়িকভাবে সফলতা পেলেও মূলধারার সঙ্গীত থেকে এখনও ডেথ মেটাল ব্যান্ডগুলো বিচ্ছিন্ন।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]