বক্ষবন্ধনী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লেস বক্ষবন্ধনী পরিহিত জাপানি নারী, আকৃতি ৩২ডি (মার্কিন) ৭০ই (ইউরোপীয়)

বক্ষবন্ধনী বা কাঁচুলি (ইংরেজি: Brassiere) যা সংক্ষেপে ব্রা (Bra) নামেই বেশি পরিচিত, হচ্ছে নারীদের ব্যবহৃত এক প্রকার অভ্যন্তরীণ পোশাক যা স্তনকে আবৃত ও সঠিক স্থানে থাকতে সহায়তা করে।

উনিশ শতকের শেষের এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বক্ষবন্ধনী প্রচলিত হয়। বক্ষবন্ধনী সাধারণত স্তনের গড়ন ঠিক রাখতে পরিধান করা হয়। তবে পোশাকী সৌজন্যতা বজায় রাখতে কিংবা নারীসুলভ ব্যাক্তিত্ব প্রদর্শন করতেও বক্ষবন্ধনী পরিধান করা হয়। তবে গর্ভের সময় এবং সন্তানকে স্তনদানের সময় ও বিশেষায়িত বক্ষবন্ধনী পরার চল আছে।

উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নির্মাণ ও উৎপাদন[সম্পাদনা]

বক্ষবন্ধনীর প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

যান্ত্রিক নকশা[সম্পাদনা]

উপকরণ[সম্পাদনা]

সঠিকরূপে সঙ্গত কাঁচুলি[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্য বিষয়[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি এবং ফ্যাশন[সম্পাদনা]

সামাজিক বিষয় এবং প্রবণতা[সম্পাদনা]

আইনী বিষয়[সম্পাদনা]

ব্যবহারজনিত সমস্যা[সম্পাদনা]

সঠিক মাপের বক্ষবন্ধনী ব্যবহার না করলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, প্রায় ৮০% মহিলাদের দেখা যায় ভুল মাপের বক্ষবন্ধনী পরতে; হয় খুব আটো (টাইট) কিংবা ঢিলেঢালা গড়নের বক্ষবন্ধনী পরে যা কিনা পরবর্তীতে শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। মেরুদণ্ডে ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, মানসিক অস্বস্তি খুবই সাধারণ যা প্রায়ই দেখা যায়। অনেক বিশেষজ্ঞ দাবি করেন, ভুল মাপের বক্ষবন্ধনী ব্যবহারে স্তন ঠিক জায়গায় না থেকে বরং নিচের দিকে ঝুলে পরার প্রবণতাকে বৃদ্ধি করে।

বিকল্প ধারার বক্ষবন্ধনী[সম্পাদনা]

জাপানি মেয়েদের রং-বেরঙের ব্যাগ কেনার বাতিককে নিরুৎসাহিত করতে অন্তর্বাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ট্রায়াম্প ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে বাজারে আনে ব্যাগ-যুক্ত ব্রা। এজাতীয় বক্ষবন্ধনির কাপের মধ্যে ভাঁজ করা অবস্থায় লুকিয়ে থাকে ব্যাগ, যা প্রয়োজনে শপিংব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের দাবি, এজাতীয় অন্তর্বাস, পলিথিন ব্যাগ ক্রয়ে নারীকে নিরুৎসাহিত করবে ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ট্রায়াম্প মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে গরম করে ঘর উষ্ণ রাখা যায় এমনও একটি ব্রা বাজারে ছেড়েছিলো ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে। এতে শীতের সময় ঘর গরম করার বাড়তি খরচ বেঁচে যায়।[১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটিকা[সম্পাদনা]

ব্যাখ্যামূলক টীকা[সম্পাদনা]

উদ্ধৃতিসমূহ[সম্পাদনা]

  1. অন্য খবর:"একের ভেতর দুই", চলতি বিশ্ব, দৈনিক প্রথম আলো; নভেম্বর ১৭, ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ; পৃষ্ঠা ৭

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বই[সম্পাদনা]

বই পর্যালোচনা[সম্পাদনা]

নিবন্ধ[সম্পাদনা]

প্রামান্যচিত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

প্যাটেন্ট