মিনিস্কার্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লিগ অফ জার্মান গার্লস এর সদস্যরা জিমন্যাস্টিকস চর্চার সময় ছোট পোষাক ব্যবহার করতো, ১৯৪১ সালের কুচকাওয়াজ

মিনিস্কার্ট (ইংরেজি: Miniskirt) হচ্ছে কোমর থেকে হাঁটুর ওপর পর্যন্ত ঢেকে রাখে—এরকম এক প্রকার স্কার্ট। সাধারণত এটি নিতম্বের শেষাংশ থেকে ১০ সেন্টিমিটারের (৪ ইঞ্চি) বেশি লম্বা হয় না।[১] মিনিস্কার্ট পরিচিত পেয়েছে লন্ডনের ফ্যাশন প্রতীক সুইংগিং লন্ডন-এর মাধ্যমে, এবং তদাবধি এটি জনপ্রিয়তা রক্ষা করে চলেছে। যে সকল পোষাক হাঁটুর ওপরে এসে শেষ হয় সেগুলোকে মিনিড্রেস হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া ফ্যাশন শিল্পে মিনিস্কার্টকে একধাপ এগিয়ে মাইক্রো-মিনিস্কার্ট নামেও অভিহিত করা হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মেরি কোয়ান্ট এবং জঁ শ্রিম্পটন[সম্পাদনা]

মেরি কোয়ান্ট নামক একজন ফ্যাশন ডিজাইনার লন্ডনের চেলসির কিংস রোডে বাজার (Bazaar) নামক একটি বস্ত্র বিতান পরিচালনা করতেন, যেখানে বিক্রয়কৃত পোষাকগুলো ছিলো তাঁর নিজের ডিজাইন অনুসারে তৈরিকৃত। ১৯৬০-এর দশকে তিনি ছোট স্কার্ট নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেন, যা ১৯৬৫ সালে এসে মিনিস্কার্টে রূপ নেয়, এবং সেটি ছিলো ঐ দশকের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ফ্যাশন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

মেরি কোয়ান্টের অবস্থান দখলের উদ্দেশ্যে ফ্যাশন হাউজ ‘সুইংগিং লন্ডন’ মিনিস্কার্টের প্রসারে কাজ করে এবং এর ফলে এটি সাধারণ একটি আঞ্চলিক ফ্যাশন থেকে একটি অন্যতম আন্তর্জাতিক ফ্যাশনে পরিণত হয়। ডিজাইনার কলিন রোলফের তৈরি মিনিস্কার্ট সদৃশ একটি সাদা পোষাক ১৯৬৫ সালের ৩০ অক্টোবর, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন কাপ কার্নিভালের প্রথম দিন, ডার্বি দিবসে তারকা ব্যক্তিত্ব জঁ শ্রিম্পটন পরিধান করেন, যা এটিকে মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলে। এ সম্মন্ধে শ্রিম্পটনের ভাষ্য ছিলো, তিনি সমাজের রক্ষণশীলতা ভাঙার একটি সাহসিক প্রয়াস হিসেবে এই স্কার্ট পরিধান করেন, কারণ এটি তৈরির উপাদানগুলো ছিলো খুবই অপর্যাপ্ত, যা তখন বিতর্কের জন্ম দেয়।[২][৩]

ছবিঘর[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. (ফরাসি) Sophie George, Le Vêtement de A à Z, ISBN 978-2-9530240-1-2, p.100.
  2. Shrimpton, Jean (1990). An Autobiography.
  3. Kimball, Duncan (2002-09-12). Jean Shrimpton in Melbourne. Milesago article on Jean Shrimpton, modified "Thursday, 12 September 2002 10:48:55". Retrieved from http://www.milesago.com/Features/shrimpton.htm.

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • Quant, Mary (1996)। Quant by Quant। London: Cassell। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]