পুরকৌশল
পুরকৌশল হল পেশাদার প্রকৌশল ব্যবস্থার একটি অন্যতম শাখা যেখানে নকশা, নির্মান কৌশল, বাস্তবিক বা প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা পরিবেশের ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয় যার মধ্যে সেতু, রাস্তা, পরিখা, বাধ, ভবন ইত্যাদি নির্মান অন্তর্ভুক্ত[১][২]। সামরিক প্রকৌশল ব্যবস্থার পর পুরকৌশল হল সবচেয়ে পুরাতন প্রকৌশল ব্যবস্থা এবং ইহা অসামরিক ও সামরিক প্রকৌশল ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্যকারী বিভাগ। পুরকৌশল বিভিন্ন অন্তঃবর্তী বিভাগে ভাগ করা হয়েছে যেমন পরিবেশবিদ্যা, ভূতত্ববিদ্যা, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, অবকাঠামো প্রকৌশল, বস্তুবিদ্যা, জলবিজ্ঞান, সার্ভেইং(Surveying) ইত্যাদি। সরকারী-বেসরকারী সকল বিভাগেই পুরকৌশল সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
পরিচ্ছেদসমূহ |
পুরকৌশল পেশার ইতিহাস[সম্পাদনা]
মানব সভ্যতার শুরু থেকে প্রকৌশল জীবন ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ এবং ২০০০ সালে প্রচীন মিশরীয় সভ্যতা ও মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা (প্রচীন ইরাক) থেকে পুরকৌশলের যাত্রা শুরু বলে ধারনা করা হয়, ঠিক যখন থেকে মানুষ তাদের বসবাসের জন্য আবাস নির্মানের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সেই সময়ে চাকা এবং পাল আবিস্কার হবার ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব দারুনভাবে বৃদ্ধি পায়।
চিত্রকক্ষ[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ The American Heritage Dictionary of the English Language, Fourth Edition
- ↑ পুরকৌশলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
- আমেরিকার পুরকৌশল সমিতি
- ইনিষ্টিটিউট অব সিভিল ইঞ্জিনায়ার্স
- যুক্তরাজ্যে পুরকৌশল সমিতি
- ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিষ্টিটিউশন ভারত
- ভারতীয় পুরকৌশলীদের ইনিষ্টিটিউশন
- ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিষ্টিটিউশন ইন বাংলাদেশ
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |