পানামা খাল
| পানামা খাল | |
|---|---|
| পানামা খালের একটি রেখাচিত্র যাতে জলকপাট ও যাত্রাপথগুলো দেখানো হয়েছে | |
| মূল মালিক | La Société internationale du Canal |
| প্রধান প্রকৌশলী | জন ফিন্ডলে ওয়ালেস, জন ফ্রাংক স্টিভেন্স (১৯০৬-০৮), জর্জ ওয়াশিংটন গোটাল্স |
| প্রথম ব্যবহার | ১৫ আগস্ট, ১৯১৪ |
| বন্ধ স্থান | ৩টি জলকপাট, প্রতি ট্রানজিটে ৩টি আ ও ৩টি ডাউন জলকপাট; সবগুলো ২ লেনবিশিষ্ট
|
| অবস্থা | নির্মাণাধীন, আরও প্রশস্ত করার কাজ চলছে |
| নৌ-চালনা কর্তৃপক্ষ | পানামা ক্যানেল অথরিটি |
পানামা খাল (স্পেনীয়: Canal de Panamá) জাহাজ চলাচলের জন্য পানামা প্রজাতন্ত্রের ইস্থমাসে নির্মীত একটি খাল যা আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ইস্থমাস বলতে দুটো বড় ভূখণ্ডকে সংযোগকারী সরু ভূমিকে বোঝায় যার অন্য দুই পাশে সাধারণত পানি থাকে। পানামার ইস্থমাস উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে যুক্ত করে এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে আলাদা করে রাখে। এই খালটি তাই এক অর্থে মহাদেশ দুটিকে আলাদা করে মহাসাগর দুটিকে যুক্ত করেছে। খালটির মালিক ও পরিচালক হচ্ছে পানামা প্রজাতন্ত্র। পশ্চিম উপকূল থেকে পূর্বের উপকূল পর্যন্ত হিসাব করলে খালটির দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার (৪০ মাইল), কিন্তু আটলান্টিকের (আরও ঠিক করে বললে ক্যারিবীয় সাগরের) গভীর জল থেকে প্রশান্তের গভীর জল পর্যন্ত হিসাব করলে ৮২ কিলোমিটার (৫০ মাইল)। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জাহাজ চলাচলকারী কৃত্রিম খালের একটি, অন্যটি হচ্ছে সুয়েজ খাল। পানামা খাল না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব থেকে পশ্চিম উপকূল অভিমুখে যাত্রাকারী যেকোন জাহাজকে দক্ষিণ আমেরিকার কেইপ হর্ন হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে অতিরিক্ত ১৫ হাজার কিলোমিটার (৮ হাজার নটিক্যাল মাইল) পথ অতিক্রম করতে হতো। এছাড়া উত্তর আমেরিকার এক দিকের উপকূল থেকে দক্ষিণ আমেরিকার অন্য দিকের উপকূলে যাওয়ার ক্ষেত্রেও পানামা খালের কারণে ৬৫০০ কিলোমিটার কম পথ পাড়ি দিতে হয়। ইউরোপ এবং পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে যাতায়াতকারী জাহাজেরও প্রায় ৩৫০০ কিলোমিটার পথ বেঁচে যায়।[১]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ Panama Canal, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৬ জুন ২০১৩ তারিখে সংগৃহীত
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |