নূহ (সূরা)
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| নূহ نوح |
|
|---|---|
| তথ্য | |
| শ্রেণী | মক্কী সূরা |
| নামের অর্থ | নবী নূহ (আঃ) |
| সূরার ক্রম | ৭১ |
| পারা | ২৯ পারা |
| পরিসংখ্যান | |
| আয়াতের সংখ্যা | ২৮ |
| সিজদাহ্র সংখ্যা | নেই |
| পূর্ববর্তী সূরা | আল মাআরিজ |
| পরবর্তী সূরা | আল জ্বিন |
সূরা নূহ (আরবি ভাষায়: سورة نوح)(ইংরেজি ভাষায়: Sūrat Nūḥ) মুসলমানদের ধর্ম গ্রন্থ কুরআনের ৭১ নম্বর সুরা। সূরাটিতে ২৮ টি আয়াত রয়েছে। এ সুরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। সূরাটিতে নবী নূহ (আঃ) ও তার সম্প্রদায়ের কথা বর্ণিত আছে।
[সম্পাদনা] বাংলা অর্থ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
- ১. বলুন আমি নূহকে প্রেরণ করেছিলাম তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতি একথা বলেঃ তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের প্রতি মর্মন্তদ শাস্তি আসার আগে।
- ২. সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদের জন্যে স্পষ্ট সতর্ককারী।
- ৩. এ বিষয়ে যে, তোমরা আল্লাহ তা’আলার এবাদত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
- ৪. আল্লাহ তা’আলা তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলার নির্দিষ্টকাল যখন হবে, তখন অবকাশ দেয়া হবে না, যদি তোমরা তা জানতে!
- ৫. সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি আমার সম্প্রদায়কে দিবারাত্রি দাওয়াত দিয়েছি;
- ৬. কিন্তু আমার দাওয়াত তাদের পলায়নকেই বৃদ্ধি করেছে।
- ৭. আমি যতবারই তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, যাতে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, ততবারই তারা কানে অঙ্গুলি দিয়েছে, মুখমন্ডল বস্ত্রাবৃত করেছে, জেদ করেছে এবং খুব ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।
- ৮. অতঃপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,
- ৯. অতঃপর আমি ঘোষণা সহকারে প্রচার করেছি এবং গোপনে চুপিসারে বলেছি।
- ১০. অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।
- ১১. তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন,
- ১২. দের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।
- ১৩. তোমাদের কি হল যে, তোমরা আল্লাহ তা’আলার শ্রেষ্টত্ব আশা করছ না।
- ১৪. অথচ তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন রকমে সৃষ্টি করেছেন।
- ১৫. তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন।
- ১৬. এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে।
- ১৭. আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে উদগত করেছেন।
- ১৮. অতঃপর তাতে ফিরিয়ে নিবেন এবং আবার পুনরুত্থিত করবেন।
- ১৯. আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে ভূমিকে করেছেন বিছানা।
- ২০. যাতে তোমরা চলাফেরা কর প্রশস্ত পথে।
- ২১. নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করছে এমন লোককে, যার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বৃদ্ধি করছে।
- ২২. আর তারা ভয়ানক চক্রান্ত করছে।
- ২৩. তারা বলছেঃ তোমরা তোমাদের উপাস্যদেরকে ত্যাগ করো না এবং ত্যাগ করো না ওয়াদ, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নসরকে।
- ২৪. অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। অতএব আপনি জালেমদের পথভ্রষ্টতাই বাড়িয়ে দিন।
- ২৫. বলুতাদের গোনাহসমূহের দরুন তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছে, অতঃপর দাখিল করা হয়েছে জাহান্নামে। অতঃপর তারা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত কাউকে সাহায্যকারী পায়নি।
- ২৬. নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।
- ২৭. যদি আপনি তাদেরকে রেহাই দেন, তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং জন্ম দিতে থাকবে কেবল পাপাচারী, কাফের।
- ২৮. হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যারা মুমিন হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে-তাদেরকে এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
| পূর্ববর্তী সূরা: আল মাআরিজ |
সূরা নূহ (সূরা) | পরবর্তী সূরা: আল জ্বিন |
| আল কুরআন | ||
|
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ ১০ ১১ ১২ ১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭ ১৮ ১৯ ২০ ২১ ২২ ২৩ ২৪ ২৫ ২৬ ২৭ ২৮ ২৯ ৩০ ৩১ ৩২ ৩৩ ৩৪ ৩৫ ৩৬ ৩৭ ৩৮ ৩৯ ৪০ ৪১ ৪২ ৪৩ ৪৪ ৪৫ ৪৬ ৪৭ ৪৮ ৪৯ ৫০ ৫১ ৫২ ৫৩ ৫৪ ৫৫ ৫৬ ৫৭ ৫৮ ৫৯ ৬০ ৬১ ৬২ ৬৩ ৬৪ ৬৫ ৬৬ ৬৭ ৬৮ ৬৯ ৭০ ৭১ ৭২ ৭৩ ৭৪ ৭৫ ৭৬ ৭৭ ৭৮ ৭৯ ৮০ ৮১ ৮২ ৮৩ ৮৪ ৮৫ ৮৬ ৮৭ ৮৮ ৮৯ ৯০ ৯১ ৯২ ৯৩ ৯৪ ৯৫ ৯৬ ৯৭ ৯৮ ৯৯ ১০০ ১০১ ১০২ ১০৩ ১০৪ ১০৫ ১০৬ ১০৭ ১০৮ ১০৯ ১১০ ১১১ ১১২ ১১৩ ১১৪ |
||