নিউ ক্যালিডোনিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Nouvelle-Calédonie
নিউ ক্যালিডোনিয়া
পতাকা প্রতীক
জাতীয় সঙ্গীত
লা মারসেল্লাইসে (জাতীয়)
রাজধানী
(ও বৃহত্তম নগরী)
ন্যুমিয়া
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ফরাসি ভাষা,
আঞ্চলিক ভাষা  নুভেল কালেদোনির ভাষালয়্যালিটি আইল্যান্ডস ভাষা
সরকার ফ্রান্স নিয়ন্ত্রিত এলাকা
 -  প্রেসিডেন্সিয়াল হেড অফ স্টেট নিকোলাস সারকোজি
 -  প্রেসিডেন্ট অফ দ্য গভর্নমেন্ট অফ নিউ ক্যালিডোনিয়া ফিলিপ গোমেজ
 -  হাই কমিশনার ইভেজ দ্যাজোভিলে
ফরাসি ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য ১৯৪৬-১৯৯৯ 
আয়তন
 -  মোট  বর্গ কিমি. (১৫৪তম)
 বর্গ মাইল 
জনসংখ্যা
 -  জানুয়ারি ১, ২০০৯ আনুমানিক ২,৪৯,০০০ (১৭৮তম)
 -  আগস্ট/সেপ্টেম্বর ২০০৪ আদমশুমারি ২,৩০,৭৮৯[১] 
 -  ঘনত্ব ১৩/বর্গ কিলোমিটার 
/বর্গ মাইল
জিডিপি (নামমাত্র) ২০০৭ আনুমানিক
 -  মোট ৮.৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার 
 -  মাথাপিছু ৩৬,৩৭৬ মার্কিন ডলার 
মুদ্রা সিএফপি ফ্র্যাংক (XPF)
সময় স্থান (ইউটিসি+১১)
ইন্টারনেট টিএলডি .nc
কলিং কোড ৬৮৭

নিউ ক্যালিডোনিয়া[২] (ফরাসি: সরকারিভাবে: Nouvelle-Calédonie; কথ্যভাবে: (la) Calédonie; জনপ্রিয় ডাকনাম: (le) Caillou) হচ্ছে ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত ফ্রান্স নিয়ন্ত্রিত একটি রাষ্ট্র। প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের মেলানিশিয়া অংশরের উপঅঞ্চলে এর অবস্থান। এটি বেশ কিছু ছোট ছোট দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত। এটির মূল দ্বীপগুলো মধ্যে আছে গ্র্যান্দে তেরালয়ালটি দ্বীপপুঞ্জ। সব মিলিয়ে এর আয়তন তাইওয়ানের অর্ধেক। এর আয়তন ১৮,৫৭৫.৫ বর্গ কিলোমিটার (৭,১৭২ বর্গমাইল)। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসের আনুমানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী এর জনসংখ্যা প্রায় ১,৪৯,০০০।[১] ন্যুমিয়া হচ্ছে দেশটির রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর হচ্ছে। দেশটির আঞ্চলিক মুদ্রার নাম সিএফপি ফ্র্যাংক

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তী অঞ্চলসমুহে সর্বপ্রথম মানুষের পদার্পণ হয় প্রায় ৩০০০ বছর পূর্বে। অস্ট্রোনেশীয়রা তার আরও অনেক পরে এই অঞ্চলে উপনিবেশ গড়ে। বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন রকম মানুষ মেলানেসিয়া দ্বীপপুঞ্জে এসে স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করে এবং তারা লাপিতা নামে পরিচিত ছিল। লাপিতারা এরপর খৃস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে দুইটি দ্বীপপুঞ্জ আবিষ্কার করে যে দ্বীপপুঞ্জ গুলো এখন নিউ ক্যালিডোনিয়া ও লওয়ালটি আইল্যান্ডস নামে পরিচিত। লাপিতা'রা সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত নাবিক ও কৃষক হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বৃহৎ অংশ জুড়ে তাদের প্রভাব ও কর্তৃত্ব ছিল।

একাদশ শতাব্দি থেকে এই দ্বীপপুঞ্জে পলিনেশিয়ানদের আগমন ঘটে এবং তারা দ্বীপের অধিবাসীদের সাথে মিশে যায় ও স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করে।

১৯ শতকে এই অঞ্চলে ইউরোপীয়দের আগমন ঘটে। ব্রিটিশ অভিযাত্রী জেমস কুক ১৭৭৪ সালে দ্বীপাঞ্চলের বৃহৎ ভূমি আবিষ্কার করেন এবং নিউ ক্যালিডোনিয়া নামকরণ করা হয়। এই নাম রাখা হয়েছিল স্কটল্যান্ড এর ল্যাটিন নাম "ক্যালিডোনিয়া" থেকে।

টীকা[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ (ফরাসি) Institut de la statistique et des études économiques de Nouvelle-Calédonie (ISEE)। "Bilan Economique et Social 2008 (on page 11)"। সংগৃহীত 2009-09-14 
  2. Previously known officially as the "Territory of New Caledonia and Dependencies" (ফরাসি: Territoire de la Nouvelle-Calédonie et dépendances), then simply as the "Territory of New Caledonia" (French: Territoire de la Nouvelle-Calédonie), the official French name is now only Nouvelle-Calédonie (Organic Law of 19 March 1999, article 222 IV — see [১]). It should be noted that French courts often continue to use the appellation Territoire de la Nouvelle-Calédonie.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • Boyer, S.L. & Giribet, G. (2007): A new model Gondwanan taxon: systematics and biogeography of the harvestman family Pettalidae (Arachnida, Opiliones, Cyphophthalmi), with a taxonomic revision of genera from Australia and New Zealand. Cladistics 23(4): 337-361. ডিওআই:10.1111/j.1096-0031.2007.00149.x

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]