চেরেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সেরেস

চেরেস সৌর জগতের সর্বাতিক্ষুদ্র এবং গ্রহাণু বলয়ের একমাত্র বামন গ্রহ।, ইতালীয় জ্যোতির্বিদ গুইসেপ্পি পিয়াজ্জি ১৮০১ খ্রীস্টাব্দের প্রথম দিনে (১লা জানুয়ারী ১৮০১)এটি আবিস্কার করেন।[১]। তিনি এর নাম রাখেন চেরেস ফেরদিনানদিয়া যদিও তা সচরাচর সংক্ষেপে "চেরেস" নামে আখ্যায়িত। চেরেস নামের উৎস হচ্ছেন রোমান দেবী চেরেস যিনি অংকুরোদ্গম, ফসল ফলানো এবং মাতৃ স্নেহের দেবী। "ফেরদিনানদিয়া" এসেছে নেপলস ও সিসিলি'র রাজা ৪র্থ ফার্দিনান্দ-এর নামানুকরণে।

মাত্র ৯৫০ কিলোমিটার ব্যাসের অধিকারী চেরেস গ্রহাণুপুঞ্জের সবচেয়ে বড় জ্যোতিষ্ক। গ্রহাণুপুঞ্জের সকল গ্রহানুর মোট ভরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভর রয়েছে চেরেসের একারই । সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণসমূহ থেকে জানা যায়, চেরেসের পৃষ্ঠ সম্ভবত পানি, বরফ ও পানিতে দ্রবীভূত বিভিন্ন খনিজ পদার্থের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি । ধারনা করা হয় এর কেন্দ্র পাথুরে, এবং চারপাশ ঘিরে তরল পানির মহাসাগর রয়েছে ।

তথ্যসূত্রঃ[সম্পাদনা]

  1. Piazzi, Giuseppe (1801)। Risultati delle osservazioni della nuova Stella scoperta il dì 1 gennajo all'Osservatorio Reale di Palermo (Italian ভাষায়)। Palermo।