গৃহ নির্যাতন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

গৃহ নির্যাতন হল কাউকে নিজ গৃহের মধ্যে পরিবারেরই অন্য কোনো ব্যাক্তি কর্তৃক শারীরিক বা মানসিকভাবে নিপীড়ন করা।

নির্যাতনের ধরণ[সম্পাদনা]

গৃহ নির্যাতনের প্রধান ধরণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • অপ্রীতিকর ফোনকল[১]
  • শারীরিকভাবে হামলার হুমকি[১]

গৃহ নির্যাতনের কারণ[সম্পাদনা]

গৃহ নির্যাতনের যে সকল কারনগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • দারিদ্র্য[২]
  • আর্থিক সমস্যা[২]
  • মানসিকতার পরিবর্তন[২]
  • যুদ্ধের প্রভাব[২]

গৃহ নির্যাতনের প্রভাব[সম্পাদনা]

  • নারীরা নির্যাতনের ফলে কর্মস্থল ত্যাগ করছে, ফলে উত্পাদনশীলতা ব্যহত হচ্ছে[১];
  • নির্যাতিত মহিলারা প্রায়ই দেরী করে কর্মস্থলে আসেন বা ছুটির পূর্বেই কর্মস্থল ত্যাগ করেন[১], ফলে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে;
  • নির্যাতিত মহিলাদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে[১];
  • নির্যাতিতারা নিজেদের কাজে উৎসাহ-উদ্দীপনার অভাব ও আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভোগে[১];
  • নির্যাতনের ফলে নির্যাতিতার মনে সর্বদা এক ধরনের ভীতি কাজ করে[১];
  • নির্যাতনের শিকার নারীরা পরবর্তিতে গৃহ ত্যাগের ফলে পাচারের শিকার হচ্ছে[৩];

অঞ্চল ভিত্তক তথ্য[সম্পাদনা]

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এই ধরণের নির্যাতনের ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে; তবে তুলনামূলকভাবে যুদ্ধ বিদ্ধস্থ অঞ্চল, নিম্ন-মাথাপিছু আয়ের অঞ্চল এবং শিক্ষার হার যেসব অঞ্চলে কম সেখানে এর প্রকোপ বেশি লক্ষনীয়।

এশিয়া[সম্পাদনা]

দক্ষিণ এশিয়া[সম্পাদনা]

মধ্যপ্রাচ্য[সম্পাদনা]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

রাশিয়ায় প্রতিবছর ৬ লক্ষ নারী নিজ গৃহে নির্যাতনের শিকার হন[৪]। যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত সার্বিয়ায় প্রতি ৩ জন নারীর মধ্যে ১ জন এই ধরণের নির্যাতনের শিকার হয়[২]। অপর দিকে, জার্মানিতে প্রতিবছর প্রায় ৪০ হাজার মহিলা নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে মহিলাদের সাহায্যার্থে গড়া ওঠা বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে এসে আশ্রয় নেয়[১]

প্রতিকারের উপায়[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ ১.৫ ১.৬ ১.৭ জার্মানিতে গৃহ নির্যাতন
  2. ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ ২.৪ সার্বিয়ায় গৃহ নির্যাতন
  3. নারী ও শিশু নির্যাতন
  4. রাশিয়ায় গৃহ নির্যাতন

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]