কলিন ইনগ্রাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কলিন ইনগ্রাম
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম কলিন আলেকজান্ডার ইনগ্রাম
জন্ম (১৯৮৫-০৭-০৩) ৩ জুলাই ১৯৮৫ (বয়স ২৯)
পোর্ট এলিজাবেথ, কেপ প্রভিন্স, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরণ বামহাতি
বোলিংয়ের ধরণ লেগ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ) ১৫ অক্টোবর ২০১০ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই ১০ মার্চ ২০১৩ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই শার্ট নং ৪১
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
২০০৪-২০০৬ ফ্রি স্টেট
২০০৫-২০০৯ ইস্টার্ন প্রভিন্স
২০০৬-বর্তমান ওয়ারিয়র্স
২০১১-২০১২ দিল্লি ডেয়ারডেভিলস
কর্মজীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই এফসি এলএ টি২০আই
ম্যাচ সংখ্যা ১৯ ৫৮ ৯৬
রানের সংখ্যা ৬২৬ ৩,৩৭৭ ৩,৫৩৮ ২১০
ব্যাটিং গড় ৪৪.৭১ ৩৪.৪৫ ৪২.৬২ ২৬.২৫
১০০/৫০ ৩/১ ৬/১৬ ৭/২১ ০/১
সর্বোচ্চ রান ১২৪ ১৯০ ১২৭ ৭৮
বল করেছে ২,৪০২ ৩৬০
উইকেট ৩৩ ১০
বোলিং গড় ৩৬.৫৭ ২৯.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট n/a
সেরা বোলিং ৪/১৬ ২/১৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/– ৩৮/– ৩১/– ২/–
উত্স: Cricinfo, ১০ মার্চ ২০১৩

কলিন আলেকজান্ডার ইনগ্রাম (ইংরেজি: Colin Alexander Ingram; জন্ম: ৩ জুলাই, ১৯৮৫) কেপ প্রদেশে জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকা দলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। দলের অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ তিনি। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলেছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি ওয়ারিয়র্স দলের পক্ষ হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

চৌদ্দ বছর বয়সে দলে অভিষিক্ত হয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের সময়কালে খেলেছেন। এরপর ইস্টার্ন কেপের উডরিজ কলেজে অধ্যয়নকালীন তিনি সেরা ক্রিকেটার ছিলেন। কলেজের পাঁচ বছরের তিন বছরই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রাদেশিক ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্স দলে খেলেন। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকান স্কুল টিমে খেলার জন্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে ফ্রি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বৃত্তি লাভ করেন। ঐ সময়েও সফলভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে খেলেছেন।

ইস্টার্ন কেপে খেলার সময়ই ইনগ্রামের উজ্জ্বল প্রতিভার স্ফূরণ ঘটতে শুরু করে। ব্যাটিংয়ে উদ্বোধন করতে নেমে আক্রমণাত্মক ভঙ্গীমায় খেলেন। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজে পাকিস্তান এ দলের বিপক্ষে ১১১ বলে ৮৫ রান করেন।[১]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

২০১০ সালে সফরকারী জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে ইনগ্রামের। দুই খেলায় তিনি মাত্র ৩ ও ১২ রান করলেও তার দল উভয় খেলাতেই বিজয়ী হয়েছিল। এরপর একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষিক্ত হয়ে বিশ্বের ৬ষ্ঠ ও প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে অভিষেকে সেঞ্চুরি করে সবিশেষ কৃতিত্ব দেখান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]