উমাইয়া মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
উমাইয়া মসজিদ
جامع بني أمية الكبير
উমাইয়া মসজিদ দামেস্ক-এ অবস্থিত
উমাইয়া মসজিদ
Shown within Syria Old Damascus
প্রাথমিক তথ্য
অবস্থান দামেস্ক, সিরিয়া
ভৌগলিক স্থানাঙ্ক ৩৩°৩০′৪৩″ উত্তর ৩৬°১৮′২৪″ পূর্ব / ৩৩.৫১১৯৪৪° উত্তর ৩৬.৩০৬৬৬৭° পূর্ব / 33.511944; 36.306667স্থানাঙ্ক: ৩৩°৩০′৪৩″ উত্তর ৩৬°১৮′২৪″ পূর্ব / ৩৩.৫১১৯৪৪° উত্তর ৩৬.৩০৬৬৬৭° পূর্ব / 33.511944; 36.306667
ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতা ইসলাম
অঞ্চল ল্যাভেন্ট
অবস্থা সক্রিয়
স্থাপত্যের বিবরণ
স্থাপত্যের ধরন মসজিদ
স্থাপত্যের স্টাইল উমাইয়া
নির্মাণ সম্পন্ন ৭১৫
বিশেষ উল্লেখ
মিনার(সমূহ)
নির্মাণ দ্রব্যাদি পাথর, মার্বেল, টাইলস, মোজাইক

উমাইয়া মসজিদ, দামেস্ক গ্রেট মসজিদ হিসেবেও পরিচিত (আরবি: جامع بني أمية الكبير‎‎, রোমানীকরন:Ğāmi' Banī 'Umayya al-Kabīr)। এই মসজিদটি দামেস্কের পুরাতন শহরে অবস্থিত, যা বিশ্বের বৃহত্তম ও প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। মুসলমানদের একটি অংশের মতে এটি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের চতুর্থ পবিত্র স্থান।[১][২]

৬৩৪ সালে আরব যুদ্ধে দামেস্ক বিজয়ের পর, জন দ্য বাপটিস্ট (খ্রিস্টান দীক্ষা দান গুরু) ইয়াহিয়া এর খ্রিস্টানদের উৎসর্গকৃত স্থানে এই মসজিদটি স্থাপিত হয়। এই মসজিদে এখনো যাতে এখনো জন দ্য মাপটিস্ট এর মাথা আছে বলে ধারনা করা হয়। এই স্থানটি খ্রিস্টানমুসলিম উভয়ই ধর্মাবলম্বীদের জন্য পবিত্র ও সম্মানজনক স্থান। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করে যে “যীশু” তার শেষের দিনগুলোতে এখানে আগমণ করেন। সালাদিনের মাজার মসজিদের উত্তরদিকের প্রাচীরের সাথে লাগানো একটি ছোট্ট বাগানে অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাক-ইসলামী যুগ[সম্পাদনা]

লৌহ যুগে দেমাস্কাস অ্যারাম-দামেস্কের অ্যারামিয়ান স্টেটের রাজধানী ছিল। পশ্চিম সিরিয়ার অ্যারামিয়ানরা হাদাদ-রাম্মান এর সংস্কৃতির অনুসারী ছিল, এই হাদাদ-রাম্মান হল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের প্রভু। এই হাদাদ-রাম্মান –কে উৎসর্গকৃত একটি মন্দিরের স্থানে নির্মিত আজকে উমাইয়া মসজিদ। এইটা ঠিকভাবে জানা যায় যে, তৎকালীন মন্দিরটি দেখতে ঠিক কেমন ছিল, কিন্তু এইটা বিশ্বাস করা হয় যে মন্দিরটি ঐতিহ্যবাহী সিমিটিক-কানানিট স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে স্থাপিত হয়েছিল, জেরুজালেম মন্দির নামে পরিচিত ছিল। এই অ্যারামিয়ান মন্দিরটির একটি পাথর এখনো দামেস্কের জাতীয় যাদুঘরে এখনো সংরক্ষিত আছে।[৩]

প্রার্থনা কক্ষের অভ্যন্তরে জন দ্য বাপটিস্ট এর সমাধী (or Yahya)

আরব খেলাফত ও মসজিদ নির্মাণ[সম্পাদনা]

৬৩৪ সালে মুসলিম আরব শাসক খালিদ-ইবন-ওয়ালিদ দামেস্ককে নতুনভাবে নির্মাণ ও অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। এই দশকের পরে, ইসলামী খিলাফত শাসন উমাইয়া রাজবংশের অধীনে আসে। তখন দামেস্ক –কে মুসলিম বিশ্বের প্রশাসনিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। ষষ্ঠ উমাইয়া খলিফা আল-ওয়ালিদ (৭০৫-৭১৫) ৭০৬ সালে বায়জানাইথ ক্যাথেড্রাল এর পাশে একটি মসজিদ নির্মানের জন্য একটি কমিশন গঠন করেন।[৪] এর পূর্বে, ক্যাথেড্রাল গির্জাটি স্থানীয় খ্রিস্টানরা ব্যবহার করত, যা এখনো ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এই গির্জাটির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মুসলমানদের জন্য প্রধান প্রার্থনা কক্ষ (মুসাল্লা) ছিল। আল-ওয়ালিদ মুসাল্লা সহ ক্যাথেড্রাল গির্জাটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে মসজিদ নির্মান করেন, যার নির্মানকাজ তিনি ব্যক্তিগত ভাবে পরিদর্শন করেন। এই নতুন মসজিদটি প্রধান মসজিদ হিসেবে ভূমিকা রাখে যা, দামেস্ক শহরের নাগরিকদের প্রার্থনার জন্য ব্যবহৃত হত। খ্রিস্টানদের আন্দোলনের মুখে আল-ওয়ালিদ দামেস্ক শহরের সব গির্জা খ্রিস্টানদের ফিরিয়ে দেয়া হয়। মসজিদের নির্মানকাজ শেষ হয় ৭১৫ খ্রিস্টাব্দে, তার উত্তরাধিকার, সুলায়মান ইবন আব্দ-আল-মালিক (৭১৫-৭১৭) এর শাসনামলে।[৫]

দশম শতাব্দীর পারস্য ইতিহাদবিদ ইবন-আল-ফাকিহ্‌ এর মতে, এই নির্মানকাযে তৎকালীন ৬,০০,০০০ থেকে ১০,০০,০০০ দিনার ব্যয় হয়। পারস্য, ভারতীয়, গ্রীক এবং মরক্কোর শ্রমিকদের সমন্বয়ে প্রায় ১২,০০০ শ্রমিক এই নির্মানকাজে নিয়োজিত হয়।[৬]

ঘড়ি গম্বুজ (The Dome of the Clock), নির্মিত হয় ৭৮০ খ্রিস্টাব্দে
গুপ্তধন গম্বুজ (কুব্বত আল-খাজানা), নির্মিত হয় ৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে

সেলজুক ও আযুবিদ যুগ[সম্পাদনা]

১০৭৮ সালে সুন্নী মুসলিম সেলজুক তার্ক এই শহরের শাসনাভার গ্রহণ করেন এবং তিনি আব্বাসিয় খেলাফতের শাসন পুনরুদ্ধার করেন। সেলজুক রাজা তুতুশ (১০৭৯-১০৯৫) ১০৬৯ সালের অগ্নিকান্ডে মসজিদের ধ্বংসপ্রাপ্ত অংশ ঠিক করেন।[৭] এরপর দামেস্কের সেলজুক আতাবেগ, তথিকিং (১১০৪-১১২৮), মসুলের সেলজুক আতাবেগ, শরফ আল-দীন মওদুদ (১১০৯-১১১৩) এর আমলে উমাইয়া মসজিদের পুনঃনির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।

In Damascus there is a mosque that has no equal in the world, not one with such fine proportion, nor one so solidly constructed, nor one vaulted so securely, nor one more marvellously laid out, nor one so admirably decorated in gold mosaics and diverse designs, with enamelled tiles and polished marbles.

Muhammad al-Idrisi, 1154[৮]

মামলুক শাসনামল[সম্পাদনা]

১৪৮৮ সালে মামলুক সুলতান "কাইতবাঈ" এর আদেশে নির্মিত "কাইতবাঈ মিনার"

১৪৮৮ সালে মামলুক সুলতান মামলুক কাইতবাঈ –এর নামানুসারে মসজিদের কাতিবায় মিনার নির্মিত হয়। এই মামলুক শাসনামলে এই মসজিদের অনেক উন্নতকরণের কাজ করা হয়। মামলুক শাসনাওলে এই মসজিদের বিভিন্ন স্থানে মার্বেল পাথর দ্বারা সুশোভিত করা হয়। এই সময় মসজিদের অনেক অংশ পুনরুদ্ধার করা হয়। এই পুনরুদ্ধার কাজে সিরিয়া ও মিশরের মামলুক শাসনামলের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।[৯][১০]

অটোম্যান যুগ[সম্পাদনা]

১৫১৬ সালে অটোম্যান সাম্রাজ্যের অধীনে সেলিম I মামলুক রাজপরিবারের কাছ থেকে দামেস্ক বিজয় করেন। উমাইয়া মসজিদে তার শাসনামলের প্রথম জুমা’র নামাযে সুলতান নিজে উপস্থিত ছিলেন।[১১][১২] অটোম্যান সম্রাট এই ধর্মীয় স্থানটিকে কেন্দ্রিয় পরিষদের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জন্য উন্মুক্ত সম্পত্তি (ওয়াক্‌ফ) হিসেবে ঘোষনা করেন। এই ওয়াক্‌ফ স্টেটটি শহরের সর্ববৃহৎ স্টেট যেখানে ৫৯৬ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছিল।[১৩]

ফরাসী শাসনামল[সম্পাদনা]

উমাইয়া মসজিদের প্রধান পুনরুদ্ধার কাজ শুরু হয় ১৯২৯ সালে সিরিয়ায় ফরাসী শাসনামলে এবং ১৯৬৩ সালে সিরিয়া প্রজাতন্ত্রের সময়ে।[১৪]

প্রাক-উপনিবেশ যুগ[সম্পাদনা]

১৯৮০’র দশকে ও ১৯৯০ দশকের শুরুতে, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি হাফেজ আল-আসাদ উমাইয়া মসজিদের বিনির্মানের জন্য বিশাল পদক্ষেপ গ্রহনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।[১৫] হাফেজ আল-আসাদের এই ধারনা ও কর্মপদ্ধতিকে ইউনেস্কো সমালোচনা করে। কিন্তু সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গিতে এই মসজিদটি ঐতিহ্য রক্ষার চেয়ে শহরের প্রতীক হিসেব গ্রহনীয় হত, তাই এর বিনির্মান কাজ আরো কমিয়ে আনা হয়। এর বিনির্মাণ কাজ করা হয় শুধুমাত্র এর ঐতিহ্যের প্রতীককে আরেকটু বৃদ্ধির লক্ষ্যে।[১৬]

২০০১ সালে পোপ দ্বিতীয় জন পল মসজিদটি পরিদর্শন করেন, বিশেষত তিনি জন দ্য বাপটিস্ট এর সংরক্ষিত স্মৃতিচিহ্ন পরিদর্শন করেন। এই প্রথম কোন মসজিদ কোন পোপ পরিদর্শনে করেন।[১৭]

২০১১ সালের ১৫ মার্চ, সিরিয়ান গৃহযুদ্ধের সাথে সম্পর্কযুক্ত প্রথম আন্দোলন শুরু হয়। এই সময় উমাইয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের বাইরে ৪০-৫০ মুসল্লী জড়ো হয়ে প্রাক-গণতন্ত্রের জন্য শ্লোগান দিতে থাকে। সিরিয়ান নিরাপত্তা কর্মীরা দ্রুত আন্দোলনকারীদের দমন করেন এবং এরপর থেকে ঐ এলাকা শুক্রবারের জুমা’র নামাযের সময় নিরাপত্তা কর্মীরা একটি অস্থায়ী ব্যারিকেড দিয়ে রাখে বিক্ষোভ দমন করার জন্য।[১৮][১৯]

স্থাপত্যশৈলী[সম্পাদনা]

মসজিদ অঙ্গন ও প্রধান ভবন[সম্পাদনা]

উমাইয়া মসজিদটি আকারে আয়তক্ষেত্র যার আয়তন দৈর্ঘ্যে ৯৭ মিঃ (৩১৮ ফুট) ও প্রস্থে ১৫৬ মিঃ (৫১২ ফুট)। একটি বিশাল উঠান মসজিদ কমপ্লেক্সের উত্তরাংশ জুড়ে অবস্থিত এবং হারাম (পবিত্র স্থান) কমপ্লেক্সের দক্ষিণাংশে। এর উঠান ও আশপাশ এলাকা চারদিকে দেয়ালের সীমানা দিয়ে ঘেরা করা। এই দেয়ালের পাথরের বিন্যাস উচু নিচু, যা মসজিদের ইতিহাসে বিভিন্ন সংস্কারের চিহ্ন বহন করছে। কিন্তু বর্তমান সংস্কার কাজ এই মসজিদের পূর্বের উমাইয়া যুগের স্থাপত্য শৈলী পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এই প্রাচীরকে ঘিরে আছে তৌরণ যা দাঁড়িয়ে আছে অতিরিক্ত পাথরের কলাম ও জোড়-স্তম্ভ দ্বারা। প্রত্যেক দুই কলামের মধ্যে একটি জোড়-স্তম্ভ বিদ্যমান। কারণ ১৭৫৯ সালের ভূমিকম্পে এর প্রাঙ্গনের উত্তরাংশ ধ্বসে যায়।[২০] এই ধরনের তিনটি তোরণ দ্বারা প্রধান কক্ষের অভ্যন্তর গঠিত।

গম্বুজ[সম্পাদনা]

এই মসজিদের সর্ববৃহৎ গম্বুজটি “ডোম্ব অব ঈগল” ("Dome of the Eagle") নামে পরিচিত। যার আসল নাম কুব্বাত আন-নিস্‌র (Qubbat an-Nisr) এবং এটি প্রধান কক্ষের উপরে কেন্দ্রীয়ভাবে অবস্থিত।[২১] ১৮৯৩ সালের অগ্নিকান্ডের পর এর কাঠের তৈরী গম্বুজটির স্থানে পাথরের তৈরী গম্বুজটি তৈরী হয়। এর উচ্চতা ৩৬ মিঃ (১১৮ ফুট)। এই গম্বুজটি কেন্দ্রীয় আভ্যন্তরীণ তৌরণের উপর অবস্থিত।[২০]

মিনার[সম্পাদনা]

“মাধানাত আল-আরুস” (The Minaret of the Bride), প্রথম নির্মিত মিনার

উমাইয়া মসজিদ কমপ্লেক্সে মোট তিনটি মিনার আছে।

  • “মাধানাত আল-আরুস” (The Minaret of the Bride) হল নির্মিত প্রথম মিনার, যা মসজিদের উত্তরদিকের দেয়ালে অবস্থিত। এই মিনারটি কবে স্থাপিত হয়েছিল তা সঠিক জানা যায় নি।[২২]
“মাধানাত ঈসা” (The Minaret of Jesus), মসজিদ কমপ্লেক্সের উচ্চতম মিনার
  • “মাধানাত ঈসা” (The Minaret of Jesus) মসজিদ কমপ্লেক্সের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটির উচ্চতা প্রায় ৭৭ মিঃ (২৫৩ ফুট)। কয়েকটি উৎস হতে জানা যায় যে, এই মিনারট ৯ম শতকে আব্বাসীদের শাসনামলে নির্মিত হয়। কিন্তু এর বর্তমান অবস্থার মিনারটি ১২৪৭ সালে নির্মিত হয়।[২৩][২৪]
  • “মাধানাত আল-ঘারবিয়্যা” (The Western Minaret) যা "Minaret of Qaitbay" নামেও পরিচিত। এটি নির্মাণ করেন মামলুক সুলতান কাইতবাঈ ১৪৮৮ সালে নির্মাণ করেন।[২৫]

ধর্মীয় তাৎপর্য[সম্পাদনা]

হযরত মুহাম্মদ (স) এর পরিবার উপস্থিতি ও এখান থেকে ইরাক গমণ এবং কারবালার জিহাদ তারসাথে এই স্থানে তাঁর পরিবারবর্গ ষাট দিন কারাবস ছিলেন, এই কারণে উমাইয়া মসজিদটি শিয়াসুন্নী মুসলিমদের নিকট অতীব গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় তাৎপর্য বহন করে।[২৬]

এজিদের দর্শনার্থে এই স্থানে "'হোসেইন ইবন আলী"' মস্তক রাখা হয়

মসজিদের বিভিন্ন অংশের গঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করেঃ

  • "'পশ্চিম দিক""

"প্রবেশদ্বার"' ("Bāb as-Sā‘at" নামে পরিচিত)- এই দরজাটি একটি স্থানকে নির্দেশ করে, যেখানে কারবালা’র যুদ্ধের সৈনিকদের বন্দী করে রাখা হয়।[২৭]

  • "'দক্ষিণ অংশ (প্রধান ভবন)"'

"জন বাপটিস্ট"' এর সমাধী (Arabic: Yahyā‎)[২৮]

  • "'পূর্ব অংশ"'

একটি কাচের ঘরে একটি নামাজের কার্পেট ও মিহরাব- যা “হোসেইন ইবন আলীকারবালা’র যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে বন্দী থাকা অবস্থায় নামাজ আদায়ের চিহ্ন নির্দেশ করে। একটি ধাতব অংশ, ঘনাকৃর্তির প্রতিকৃতি- যা এজিদের দর্শনের জন্য হোসেইন ইবন আলী এর শির রাখা হয়। একটি লোহার খাচা- যা কারবালা যুদ্ধের অন্যান্যদের শির রাখা হয়।

উমাইয়া মসজিদের সামনের অংশ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Hitti, 2002, p. 514.
  2. Braswell, 1996, p. 26.
  3. Burns, 2005, p.16.
  4. Grafman and Rosen-Ayalon, 1999, p.7.
  5. Flood, 2001, p.2
  6. le Strange, 1890, pp. p.233p.234
  7. Burns, 2005, pp.141–142.
  8. Rudolff, 2006, p.175.
  9. Ibn Khaldun; Fischel, 1952, p.97.
  10. Ring, Salkin, La Boda, p.208.
  11. Van Leeuwen, p.95.
  12. Finkel, p.109.
  13. Van Leeuwen, p.112.
  14. Darke, p.91.
  15. Cooke, p.12.
  16. Rudolff, 2006, p.194.
  17. "Inside the Umayyad mosque"BBC News। 2001-05-06। সংগৃহীত 2010-05-26 
  18. Protesters stage rare demo in Syria. Al-Jazeera English. 2011-03-15. Al-Jazeera.
  19. Syria unrest: New protests erupt across country. BBC News. 2011-04-01.
  20. ২০.০ ২০.১ Umayyad Mosque Profile. Archnet Digitial Library.
  21. Darke, p.94.
  22. Burns, 2005, pp.131–132.
  23. Palestine Exploration Fund, p.292.
  24. "Mannheim91"
  25. "Darke92"
  26. Qummi, Shaykh Abbas (2005)। Nafasul Mahmoom। Qum: Ansariyan Publications। পৃ: 362। 
  27. Nafasul Mahmoom। পৃ: 367। 
  28. Tafseer Ibn Katheer, vol.9, p.163, published in Egypt. Tafseer Durre Manthur Vol.6, p.30-31.

জীবনী[সম্পাদনা]

American architect and architecture, J. R. Osgood & Co, 1894 .
Bowersock, Glen Warren; Brown, Peter Lamont (2001)। Interpreting late antiquity: essays on the postclassical world। Harvard University Press। আইএসবিএন 0-674-00598-8 
Burns, Ross (2005), Damascus: A History, London: Routledge, আইএসবিএন 0-415-27105-3 .
Calcani, Giuliana; Abdulkarim, Maamoun (2003)। Apollodorus of Damascus and Trajan's Column: from tradition to project। L'Erma di Bretschneider। আইএসবিএন 88-8265-233-5 
Dumper, Michael; Stanley, Bruce E. (2007)। Cities of the Middle East and North Africa: A Historical Encyclopedia। ABC-CLIO। আইএসবিএন 1-57607-919-8 
Charette, François (2003), Mathematical instrumentation in fourteenth-century Egypt and Syria: the illustrated treatise of Najm al-Dīn al-Mīṣrī, BRILL, আইএসবিএন 978-90-04-13015-9 
Finkel, Caroline (2005), Osman's dream: the story of the Ottoman Empire, 1300-1923, Basic Books, আইএসবিএন 0-465-02396-7 .
Flood, Finbarr Barry (2001)। The Great Mosque of Damascus: studies on the makings of an Umayyad visual culture। Boston: BRILL। আইএসবিএন 90-04-11638-9 
Flood, Finbarr Barry (1997)। "Umayyad Survivals and Mamluk Revivals: Qalawunid Architecture and the Great Mosque of Damascus"। Muqarnas (Boston: BRILL) 14: 57–79। ডিওআই:10.2307/1523236 
Grafman, Rafi; Rosen-Ayalon, Myriam (1999)। "The Two Great Syrian Umayyad Mosques: Jerusalem and Damascus"। Muqarnas (Boston: BRILL) 16: 1–15। ডিওআই:10.2307/1523262 
Hitti, Phillip K. (October 2002)। History of Syria: Including Lebanon and Palestine। Piscataway, NJ: Gorgias Press LLC। আইএসবিএন 978-1-931956-60-4 
le Strange, Guy (1890), Palestine Under the Moslems: A Description of Syria and the Holy Land from A.D. 650 to 1500, Committee of the Palestine Exploration Fund  (Ibn Jubayr: p.240 ff)
Ibn Ṣaṣrā, Muḥammad ibn Muḥammad (1963)। William M. Brinner, সম্পাদক। A chronicle of Damascus, 1389-1397। University of California Press। 
Ibn Khaldūn; Fischel, Walter Joseph (1952)। Ibn Khaldūn and Tamerlane: their historic meeting in Damascus, 1401 a.d. (803 a. h.) A study based on Arabic manuscripts of Ibn Khaldūn's "Autobiography"। University of California Press। 
Kafescioǧlu, Çiǧdem (1999)। ""In The Image of Rūm": Ottoman Architectural Patronage in Sixteenth-Century Aleppo and Damascus"। Muqarnas (BRILL) 16: 70–96। ডিওআই:10.2307/1523266 
Kamal al-Din, Nuha; Ibn Kathir (2002)। The Islamic view of Jesus। Islamic Books। আইএসবিএন 977-6005-08-X 
Palestine Exploration Fund (1897), Quarterly statement, Published at the Fund's Office .
Ring, Trudy; Salkin, Robert M.; Schellinger, Paul E. (1994), International Dictionary of Historic Places, Taylor & Francis, আইএসবিএন 1-884964-03-6 
Rivoira, Giovanni Teresio (1918), Moslem architecture: its origins and development, Oxford University Press .
Selin, Helaine, সম্পাদক (1997), Encyclopaedia of the history of science, technology, and medicine in non-western cultures, Springer, আইএসবিএন 978-0-7923-4066-9 .
Walker, Bethany J. (Mar 2004)। "Commemorating the Sacred Spaces of the Past: The Mamluks and the Umayyad Mosque at Damascus"। Near Eastern Archaeology (The American Schools of Oriental Research) 67 (1): 26–39। ডিওআই:10.2307/4149989 
Winter, Michael; Levanoni, Amalia (2004)। The Mamluks in Egyptian and Syrian politics and society। BRILL। আইএসবিএন 90-04-13286-4 
Van Leeuwen, Richard (1999), Waqfs and urban structures: the case of Ottoman Damascus, BRILL, আইএসবিএন 90-04-11299-5 
Wolff, Richard (2007), The Popular Encyclopedia of World Religions: A User-Friendly Guide to Their Beliefs, History, and Impact on Our World Today, Harvest House Publishers, আইএসবিএন 0-7369-2007-2 
Zaimeche, Salah; Ball, Lamaan (2005), Damascus, Manchester: Foundation for Science Technology and Culture 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]