কারবালার যুদ্ধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কারবালার যুদ্ধ
Brooklyn Museum - Battle of Karbala - Abbas Al-Musavi - overall.jpg
আব্বাস আল-মুসাভি - কারবালার যুদ্ধ - ব্রুকলিন জাদুঘর
সময়কাল ১০ মুহররম ৬১ হি. / ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রি.
অবস্থান কারবালা
ফলাফল উমাইয়া বিজয়
বিবদমান পক্ষ
উমাইয়া বানু হাসিম
নেতৃত্ব প্রদানকারী
উবাইদ আল্লাহ ইবন যিয়াদ
উমর ইবন সা'দ
সীমার ইবন থিল-জশান
হুর (তাঁর বাহিনী ত্যাগ করে ও হোসেইন-এর সাথে যোগ দেয়)  A
হোসেইন ইবন আলী  
আল-আব্বাস ইবন আলী  
হাবিব ইবন মুজাহির  
যুয়াহির ইবন কুয়ায়িন  
শক্তিমত্তা
৪,০০০[১] বা ৫,০০০[২] (কমপক্ষে) - ৩০,০০০[২] অথবা ১০০,০০০[৩][৪] (সর্ব্বোচ্চ) ৭০-১৫০ (সাধারণভাবে বলা হয় ১১০; ৬ মাসের শিশুসহ)[৫][৬] প্রচলিত '৭২' সংখ্যাটি এসেছে কর্তিত মাথার সংখ্রা থেকে
প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি
৭৮ (তাবারি অনুসারে) সকল পুরুষ এবং হোসেইন-এর শিশু পুত্র নিহত[৫]
^A Hurr was originally one of the commanders of Ibn Ziyad's army but changed allegiance to Hussein along with his son, slave and brother on 10 Muharram 61, October 10, 680 AD

টেমপ্লেট:Campaignbox Second Fitna

কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী[২] (১০ অক্টোবর ৬৮০)[৭][৮] বর্তমান ইরাকের কারবালার প্রান্তরের সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধটি ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা) এর নাতি হোসেইন ইবন আলী এর অল্প কিছু সমর্থক এবং আত্মীয় এবং উমাইয়া খলিফা ইয়াজীদ ১, যার বৈশ্যতা স্বীকার করতে হোসেইন অস্বীকার করেন, তারঁ বিশাল সেনাবাহিনীর মধ্যে সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধে হোসেইন এবং তাঁর ছয় মাস বয়সী শিশুপুত্র আলী আল-আসগর ইবন হোসেইনসহ সকল সমর্থক নিহত হয় ও নারী এবং শিশুরা বন্দি হন। মুসলমানদের মতানুসারে নিহতদের সকলে 'শহীদ' হিসেবে অভিহিত হন এবং এই যুদ্ধটি শিয়া ইতিহাস ও ঐতিহ্যে মধ্যস্থানে অবস্থান করে।

রাজনৈতিক পটভূমি[সম্পাদনা]

কারবালার যুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ[সম্পাদনা]

প্রাথমিক উৎস[সম্পাদনা]

আবু মিকনাফ (মৃত্যু: ১৫৭ হি./৭৭৪ খ্রি.) তারঁ কিতাব মাকতাল আল-হোসাইন গ্রন্থে সর্বপ্রথম নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা সংগ্রহ করে সেই বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন।[৯]

আবু মিকনাফ-এর মূল পুস্তকটি এখন আর পাওয়া যায়না, যেটি পাওয়া যায় সেটি হচ্ছে তার ছাত্র হিশাম ইবন আল-কালবী (মৃত্যু: ২০৪ হি.) কর্তৃক বর্ণিত। গোথা (নং: ১৮৩৬), বার্লিন (স্পেরেঞ্জার, নং ১৫৯-১৬০), লিডেন (নং: ৭৯২) এবং সেন্ট পিটার্সবার্গ (এম নং: ৭৮) লাইব্রেরীতে মাকতাল-এর চারটি পান্ডুলিপি বর্তমানে সংরক্ষিত রয়েছে।[১০]

দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎস[সম্পাদনা]

শিয়া লেখনীতে[সম্পাদনা]

ইতিহাস বিকৃতি[সম্পাদনা]

সাহিত্যে প্রভাব[সম্পাদনা]

ফার্সী সাহিত্য[সম্পাদনা]

আজেরি ও তুর্কি সাহিত্য[সম্পাদনা]

সিন্ধি সাহিত্য[সম্পাদনা]

উর্দু সাহিত্য[সম্পাদনা]

বাংলা সাহিত্য[সম্পাদনা]

মীর মোশারফ হোসেন বিষাদ সিন্ধু নামক একটি উপন্যঅস রচনা করেছেন এবং কাজী নজরুল ইসলাম প্রচুর কবিতা লিখেছেন এই বিয়োগাত্ক ঘটনার প্রেক্ষিতে। ১০ মুহররম তারিখে মার্সিয়া গাওয়া হয়।

শিয়া দর্শনানুসারে[সম্পাদনা]

শিয়া মুসলমানরা প্রতিবছর মুহররম মাসে কারবালার যুদ্ধকে স্মরণ করে। পয়লা মুহররমের দিন থেকে এর শুরু হয় এবং ১০ মুহররমের দিন (আশুরা) তা চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌছে।

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে, কারবালার যুদ্ধের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে প্রচুর সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রচলন ঘটেছে, যেমন: মার্সিয়া, নোহা এবং সোয়াজ।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Battle of Karbalā
  2. ২.০ ২.১ ২.২ Karbala: Chain of events Section - The Battle
  3. Hamish Tathkirat al Khawass 
  4. Maqtal al Husain - The Hosts। পৃ: 160। 
  5. ৫.০ ৫.১ Datoo, Mahmood। "At Karbala"। Karbala: The Complete Picture। পৃ: 167। 
  6. Karbala: The Complete Picture - Chapter 8.3
  7. Western-Islamic Calendar Converter
  8. Gregorian-Hijri Dates Converter
  9. Kitab Maqtal al-Husayn.doc
  10. Syed Husayn M. Jafri, "The Origins and Early Development of Shi'a Islam", Oxford University Press, USA (April 4, 2002), ISBN 978-0-19-579387-1

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]

সুন্নি তথ্যসংযোগ[সম্পাদনা]

শিয়া তথ্যসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Martyrs of Karbala