অ্যাসটেরিক্স
| অ্যাস্টেরিক্স |
|
| 300px | |
| কাহিনী ও চিত্র: | রেনে গোসিনি এবং আলবার্ট উদারযো |
| প্রকরণ: | কৌতুক এবং ব্যঙ্গধর্মী |
| প্রকাশক: | দারগদ (ফ্রান্স) |
| মূল প্রকাশের সময়সীমা: | ২৯ অক্টোবর ১৯৫৯ – ২২ অক্টোবর ২০১০ |
| অবস্থান: | এখনো প্রকাশিত হচ্ছে |
| মূল দেশ: | ফ্রান্স |
| মুল ভাষা: | ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি |
| প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা: | ৩৪ |
| ওয়েবসাইট: | official website |
অ্যাস্টেরিক্স বা অ্যাস্টেরিক্সের অভিযান(ফরাসি: Astérix or Astérix le Gaulois, IPA: asteʁikslə ɡolwa রেনে গোসিনি লিখিত এবং আলবার্ট উদারযো (উদারযো, গোসিনি ১৯৭৭ সালে মৃত বরণ করলে লেখার দায়িত্বও নেন) কতৃক চিত্রিত, ফরাসি ভাষায় লিখিত ছবি সম্বলিত গল্পের বই (কমিক বই)। [পিলট] নামে এক ফরাসি পত্রিকায় ২৯শে অক্টোবর, ১৯৫৯ সালে প্রথম প্রকাশ পায়। ২০০৯ সালের শেষাব্দি পর্যন্ত ৩৪ টি কার্টুন বই বের হয়েছে।
গল্প গুলি রোমান সাম্রাজ্যের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে লিপ্ত প্রাচীন এক গল গ্রামকে ঘিরে সম্পাদিত হয়েছে। তারা তাদের ড্রুড বা পুরোহিতের বানানো এক ধরণের জাদুই শরবত পান করে প্রচন্ড শক্তিশালী হয়ে এ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতো। গল্পের নায়ক বা প্রধান চরিত্র ‘অ্যাস্টেরিক্স’ আর তার বন্ধু ওবেলিক্স দু’জনে মিলে অনন্য সাধারণ অভিযানে লিপ্ত হত। প্রতিটা চরিত্রের নামের শেষে যে ‘ক্স’ বিভক্তিটি ব্যবহার করা হয়েছে তা অনেকটা ‘ভারসিঙ্গটরিক্স’ নামে এক ঐতিহাসিক গল প্রধানের নামের উচ্চারণের সাথে মিল রয়েছে। যদিও এ সকল গল্পের ঘটনাগুলো গ্রামের আশেপাশের ব্যাপার ঘিরে গড়ে উঠলেও, অনেকগুলো গল্পই এই দু’জনকে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ ভ্রমন করতে নিয়ে গেছে। গল্পের ঘটনাগুলিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় (ভলিউম ৪ থেকে ২৯), পর্যায়ক্রমে একবার গল এবং পরেরবার বিদেশকে ঘিরে গড়ে উঠেছে, জোড় সংখ্যার বইগুলো বিদেশ আর বেজোড় সংখ্যার বইগুলো গল, বেশির ভাগ গ্রামকে ঘিরে গড়ে উঠেছে।
সারা পৃথিবীতে অ্যাস্টেরিক্স-এর কাহিনীগুলো ফ্রাঙ্কো-বেলজিয়ান কমিক বইগুলোর মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয়, এ কাহিনীগুলো মোটামুটি ১০০টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে, এবং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে। তবে জাপান আর আমেরিকায় এর পরিচিতি অনেক কম।
এর এই বিশাল জনপ্রিয়তার কারণে কিছু বই ১১ টি সিনেমায় রূপান্তরিত করা হয়েছে; যার মাঝে ৮টি অ্যানিমেটেড (কার্টুন) আর তিনটি সিনেমা। এছাড়া এর চরিত্রের উপর নির্ভর করে বেশ কিছু গেমস ও প্যারিসের কাছে ‘পার্ক অ্যাস্টেরিক্স’ নামক একটি থিম পার্ক তৈরি করা হয়েছে। আজ পর্যন্ত এই ৩৪ কাহিনী ৩২৫ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে সারা বিশ্বে। যার ফলশ্রুতিতে লেখকদ্বয় ফ্রান্সের বর্হিবিশ্বের সেরা লেখক হিসেবে স্থান পেয়েছেন।[১][২]
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
অ্যাস্টেরিক্সের কাহিনীগুলো লিখবার আগে, গোসিনি আর উদারজো তাদের আউম্পাহ-পাহ, নামক আরেকটি চিত্র কাহিনীর মাধ্যমে বেশ সাফল্য অর্জন করেছিলেন। এ কাহিনীটি টিনটিন পত্রিকায় ছাপানো হত।.[৩]
অ্যাস্টেরিক্স প্রথম ধারাবাহিকভাবে বের হওয়া শুরু হয় পিলট, পত্রিকায়, এবং প্রথম সংখ্যাটি বের হয় ২৯ অক্টোবর ১৯৬৯।[৪] ১৯৬১ সালে প্রথম বই আকারে যে কাহিনীটি বের হয় সেটি ছিল অ্যাস্টেরিক্স দা গল। এর পর থেকে সাধারণত প্রতিবছর একটি করে বই প্রকাশিত হতে শুরু করে ।
উদারযো প্রথম যখন রেখাচিত্র অঙ্কন করেন তখন গল যোদ্ধাদের বৈশিষ্ট মোতাবেক অ্যাস্টেরিক্সকে বিশাল আকারের শক্তিশালী একজন যোদ্ধা হিসেবে চিত্রিত করেন। কিন্তু গোসিনির চিন্তাধারা ছিল অন্যরকম। তিনি অ্যাস্টেরিক্সকে একজন ক্ষুদ্রাকৃতির বুদ্ধিমান যোদ্ধা হিসেবে কল্পনা করেছিলেন, যে শক্তির চাইতে বুদ্ধিমত্তাকে বেশি ব্যবহার করবে। তথাপি, উদারযো মনে করেছিলেন এরকম ক্ষুদ্রাকৃতির নায়কের প্রয়োজন একজন অনুজ্জ্বল কিন্তু শক্তিশালী সহচর। ধারণাটি গোসিনির কাছেও ভালো লেগেছিল। আর তাই জন্ম নিল ওবেলিক্স।[৫] যদিও এসময় অ্যাস্টেরিক্সের জনপ্রিয়তা ধিরে ধিরে বেরেই চলেছিল, কিন্তু অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে পিলটের প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। এসময় পিলটকে জর্জ দারগদ কিনে নেয়।[৫]
যখন গোসিনি মৃত্যু বরণ করেন তখন পাঠকদের অনুরোধে উদারযো নিজেই কাহিনীর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে শুরু করেন। কিন্তু কমিকটির প্রকাশনা কিছুটা অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এই কাহিনীর বেশির ভাগ সমালোচক এবং ভক্তরা গোসিনির লেখাকেই পছন্দ করত।[৬] উদারজো এসময় লে এডিশন Albert-René নামে নিজের একটি প্রকাশনা সংস্থা খোলেন। সেখান থেকে পরবর্তিতে উদারযোর নিজের লেখা এবং অঙ্কিত বইগুলি ছাপানো হয়।[৫] যদিও, দারগদ, সর্বপ্রথম কাহিনীগুলোর প্রকাশক, তারা প্রথম ২৪টি কাহিনী যার লেখক উদারযো এবং গোসিনি দু’জনেই, সেগুলো প্রকাশের স্বত্ব রেখেদিয়েছিল। ১৯৯০ সালে লেখকদ্বয়ের পরিবার স্বত্ব ফেরত পাবার জন্য দারগদের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯৮ সালে দির্ঘস্থায়ী এক মামলার পর দারগদ কাহিনীগুলো প্রকাশ এবং বিক্রি করবার অধিকার হারিয়ে ফেলে। উদারযো পরবর্তিতে আলবার্ট-রেন এর পরিবর্তে হ্যাচেটের কাছে স্বত্ব বিক্রয় করে দিলেও নতুন কাহিনী প্রকাশনার স্বত্ব আলবার্ট উদারযো (৪০%), সিলভিয়া উদারযো (২০) এবং অ্যান গোসিনি (৪০%) কাছেই রয়ে যায়।
যদিও উদারযো প্রথমে ঘোষণা দিয়েছিলেন তার মৃত্যুর পরে এর আর কোন নতুন কাহিনী লেখা হবে না, যে ধরণের অনুরোধ হার্জ Hergé করে যান তার বিখ্যাত টিনটিনের অভিযান সম্পর্কে, কিন্তু ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে হ্যাচেটের কাছে তার অংশ বিক্রয় (যারা তার কম্পানি অধিগ্রহণের মাধ্যমে কমিক্সের স্বত্বের মালিকানা লাভ করেছে) করবার পর তার মনোভাবের পরিবর্তন ঘটে। আর এর ফলে দু’পরিবারের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে মনোমালীণ্যের।[৭]
ফ্রান্সের দৈনিক পত্রিকা 'লে মন্ড' Le Monde এর কাছে লেখা এক চিঠির মাধ্যমে উদারযোর নিজের মেয়ে সিলভিয়া তার বাবার পারিবারিক প্রকাশনা কেন্দ্র বিক্রয় এবং তার মৃত্যুর পরেও অ্যাস্টেরিক্সের কাহিনী বের করবার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি লিখছেন, “...অ্যাস্টেরিক্সের সহলেখক, গল যোদ্ধাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে আজ যোগ দিয়েছে রোমানদের সাথে- যারা শুধু কলকারখানা আর পয়সা বোঝে।”[৮][৯] অ্যানে গোসিনি অবশ্য তার স্বত্ব একই সময়ে বিক্রয় এবং নতুন প্রকাশনা চালিয়ে যাবার অনুমতি দেন।[১০] কয়েকমাসের মধ্যেই উদারযো নতুন কাহিনী রচনার কাজে তিনজন অঙ্কনশিল্পী, যারা তার সাথে অনেক দিন ধরে কাজ করেছিল তাদেরকে নিয়োগ দেন।[৬]
[সম্পাদনা] গ্রন্থতালিকা
নাম্বার ১ - ২৪, ৩২ এবং ৩৪ নাম্বার বইগুলি উদারযো আর গোসিনি একসাথে লিখেছিলেন। নাম্বার ২৫ – ৩১ এবং ৩৩ উদারযোর একা লেখা বই। ব্যাবহৃত তারিখ প্রথম প্রকাশের উপর নির্ভর করে দেয়া হয়েছে।
|
|
অ্যাস্টেরিক্স কঙ্করস রোম (Asterix Conquers Rome) গল্পটি অ্যানিমেটেড কাহিনী দা টুয়েলভ টাস্ক অভ অ্যাস্টেরিক্স (The Twelve Tasks of Asterix) চিত্র থেকে অভিযোজন করা হয়েছে। বইটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হওয়ায় কাহিনীটাকে অ্যাস্টেরিক্সের ২৩তম গল্প হিসেবে বলা যেতে পারে। কিন্তু বইটি পরবর্তীতে খুব একটা প্রকাশিত হয় নি বলে মূল কাহিনীর অংশ নয় canonical বলে বিবেচিত হয়। বইটির ইংরেজি অনুবাদ ‘অ্যাস্টেরিক্সের বার্ষিকী ১৯৮০’ ছাড়া মাত্র একবারই সঙ্কলন আকারে বের হয়েছিল ১৯৮৪ সালে।
এছাড়া ২০০৭ সালে লে এডিশন আলবার্ট রেন Astérix et ses Amis নামে একটি শ্রদ্ধা জ্ঞাপক সঙ্কলন বের করে, এই বইটি নানারকম ছোট গল্প (এক থেকে চার স্ট্রিপের মধ্যে) অবলম্বনে রচিত হয়েছিল। বইটি ইউরোপীয় ৩৪জন বিখ্যাত চিত্র-কাহিনীকারের (Comics Artists) পক্ষ থেকে উদাযোর ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একটি শ্রদ্ধা জ্ঞাপক বই ছিল। বইটি নয়টি ভাষায় অনুদিত হয়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত ইংরেজিতে অনুদিত হয়নি।[১৩]
[সম্পাদনা] ভাষান্তর
অ্যাস্টিরেক্সের ৩৪টি বই (একটি ছোট গল্পের সঙ্কলন সহ) বিশ্বের ১০০টি ভাষা, উপভাষা এবং আঞ্চলিক কথ্য ভাষায় অনুদিত হয়েছে। মূল ফরাসি ভাষাকে বাদ দেবার পরে যে কটি ভাষায় বইগুলি পাওয়া যায় সেগুলো হলো, এস্তোনিয়ান, ইংরেজি, চেক, ডাচ, জার্মান, গ্যালিসিয়ান, ড্যানিস, আইসল্যান্ডিক, নরোয়েজিয়ান, সুইডিস, ফিনিস, স্প্যানিস, ক্যাটালান, বাস্ক, পর্তুগীজ (ব্রাজিলিয়ান পর্তুগীজ সহ), ইটালিয়ান, আধুনিক গ্রিক, হাঙ্গেরিয়ান, পোলিস, রোমানিয়ান, তার্কিস, স্লভেন, বুল্গেরিয়ান, সার্বিয়ান, ক্রোয়েসিয়ান, লাতভিয়ান, ওয়েলস।[১৪] আধুনিক ইউরোপের দেশগুলোর ভাষা ছাড়াও বিবিধ কিছু ভাষাতেও এর কাহিনী অনুবাদ করা হয়েছে, যেমন, এস্পারা্নটো, ইন্দোনেশিয়ান, পার্সিয়ান, ম্যান্দারিন(চাইনিজ), কোরিয়ান, জাপানিজ, বাংলা, আফ্রিকান, আরবী, হিন্দি, হিব্রু, ফ্রিসিয়ান,লাতিন, রোমানস্ক, ভিইয়েতনামিজ, সিনহালা (সিংঘালিজ) এবং পৌরাণিক গ্রিক।[১৪]
ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড এবং বিশেষ করে জার্মানিতে বেশ কিছু বই বিভিন্ন উপভাষা এবং আঞ্চলিক কথ্য ভাষায় ভাষান্তরিত হয়েছে, যেমন, ফ্রান্সের আলসাতিয়ান, ব্রেটন, টিমি (পিকার্ড); জার্মানির বাভারিয়ান, সোয়াবিয়ান এবং নিচুশ্রেণির জার্মান; পোল্যান্ডে কাসুবিয়ান এবং সিলেসিয়ানিন; এবং ফিনল্যান্ডের সাভো, ক্যারেলিয়া, রওমা অঞ্চলের কথ্য ভাষায় অনুদিত হয়েছে। এছাড়া, পর্তুগালে, অ্যাস্টেরিক্সের প্রথম সংখ্যার 'অ্যাস্টেরিক্স দা গল' এক বিশেষ সংস্করণটি স্থানিয় ভাষা মিরান্ডিযে প্রকাশ করা হয়েছে।]].[১৫] গ্রিসে অনেকগুলি সংখ্যাই ক্রেটান গ্রিক, কিপ্রিয়ট গ্রিক এবং পন্টিক গ্রিক কথ্য ভাষায় এবং পৌরাণিক গ্রিক ভাষায় প্রকাশ করা হয়।[১৬] শ্রিলঙ্কায় সিঙ্গহালা ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। এটাই আন্তর্জাতিক একমাত্র কমিক্স বই যা প্রথমবারের মত শ্রিলঙ্কায় অনুবাদ সত্বেও কাহিনীর মৌলিকতা ধরে রাখতে পেরেছে।.[১৫]
ইটালিয়ান ভাষায় অনুদিত বইগুলিতে দেখা যায় গলেরা সাধারণ ইটালিয়ান বলছে আর রোমান সৈন্যরা রোমানস্ক ভাষা ব্যবহার করছে।
[সম্পাদনা] ইংরেজি অনুবাদ
বইগুলিকে ব্রিটিশ ইংরেজীতে অনুবাদ করেছেন ডেরেক হকরিজ এবং অ্যান্থিয়া বেল । তাদের অনুদিত বইটি প্রকাশ করে ব্রকহ্যাম্পটন প্রেছ ১৯৬৯ সালে।
[সম্পাদনা] বাংলায় অনুবাদ
এর কিছু সংখ্যক বই ভারতের আনন্দ প্রকাশনী বাংলায় অনুবাদ করেছে। বইগুলোর অনুবাদকদের নাম উল্লেখ করা হয় নি এবং বেশির ভাগ চরিত্রের নাম পরিবর্ত্ন করা হয়েছে।
[সম্পাদনা] অন্য মাধ্যমে অভিযোজন
কাহিনীগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোজিত হয়েছে।
[সম্পাদনা] চলচ্চিত্র
বেশ কয়েকটি কাহিনীকে নির্ভর করে সিনেমা তৈরি করা হয়েছে।
- টু রোমানস ইন গল (Two Romans in Gaul), ১৯৬৭, চলচ্চিত্র, যেখানে অ্যাস্টেরিক্স এবং ওবেলিক্স চরিত্র দুটিকে দেখানো হয়।
- অ্যাস্টেরিক্স দা গল (Asterix the Gaul), ১৯৬৭, কার্টুন ছবি, অ্যাস্টেরিক্স দা গল বইটিকে অবলম্বন করে।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা গোল্ডেন সিকল (Asterix and the Golden Sickle), ১৯৬৭, কার্টুন ছবি, একই নামে রচিত কমিক বই অবলম্বন করে, অসম্পূর্ণ এবং কখনো মুক্তি পায়নি।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ক্লিওপ্যাট্রা (Asterix and Cleopatra), ১৯৬৮, একই নামে রচিত কমিক বই অবলম্বন করে।
- দা ডগম্যাটিক্স মুভি (The Dogmatix Movie), ১৯৭৩, কার্টুন ছবি, ডগম্যাটিক্স আর তার প্রাণী বন্ধুদেরকে নিয়ে রচিত অদ্বিতীয় কাহিনী অবলম্বনে, উদারযো পরবর্তীতে এই মুক্তি না পাওয়া সিনেমাটি অবলম্বনে ২০০৩ সালে একটি কমিক্স বই রচনা করেন।
- দা টুয়েল্ভ টাস্ক অভ অ্যাস্টেরিক্স (The Twelve Tasks of Asterix), ১৯৭৬, কখনো কমিক্স হিসেবে বের হয়নি এমন অদ্বিতীয় কাহিনী অবলম্বনে রচিত কার্টুন ছবি।
- অ্যাস্টেরিক্স ভার্সাস সিজার (Asterix Versus Caesar), ১৯৮৫, অ্যাস্টেরিক্স দা লেজিওনারি এবং অ্যাস্টেরিক্স দা গ্ল্যাডিয়েটর বইদুটি অবলম্বনে রচিত কার্টুন ছবি।
- অ্যাস্টেরিক্স ইন বৃটেন (Asterix in Britain), ১৯৮৬, একই নামে রচিত কমিক বই অবলম্বন করে কার্টুন ছবি।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা বিগ ফাইট (Asterix and the Big Fight), ১৯৮৯, অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা বিগ ফাইট এবং অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা সুথসেয়ার বইদুটি অবলম্বন করে কার্টুন ছবি।
- অ্যাস্টেরিক্স কনকয়ার্স আমেরিকা (Asterix Conquers America), ১৯৯৪, কার্টুন ছবি, খানিকটা অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা গ্রেট ক্রসিং অবলম্বন করে নির্মিত।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্স টেক অন সিজার (Asterix and Obelix take on Caesar), ১৯৯৯, চলচ্চিত্র, অ্যাস্টেরিক্স দা গল (Asterix the Gaul) , অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা গথস (Asterix and the Goths), অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা সুথসেয়ার (Asterix and the Soothsayer), অ্যাস্টেরিক্স দা লেজিওনারি (Asterix the Legionary) এবং অ্যাস্টেরিক্স দা গ্ল্যাডিয়েটর (Asterix the Gladiator) বইগুলি অবলম্বনে।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্সঃ মিশন ক্লিওপ্যাট্রা (Asterix and Obelix: Mission Cleopatra), ২০০২, চলচ্চিত্র, অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ক্লিওপ্যাট্রা বই অবলম্বনে।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্স ইন স্পেন (Asterix and Obelix in Spain), ২০০৪, চলচ্চিত্র, অ্যাস্টেরিক্স ইন স্পেন অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি অসমাপ্ত রয়ে গেছে অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা ভাইকিংগসের কারণে যেটি অ্যাস্টেরিক্স কনকয়ার্স আমেরিকার পরে নির্মিত প্রথম কার্টুন ছবি।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা ভাইকিংগস (Asterix and the Vikings), ২০০৬, খানিকটা অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা নর্মান গল্প অবলম্বনে নির্মিত কার্টুন ছবি।
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যাট দা অলিম্পিক গেমস (Asterix at the Olympic Games), ২০০৮, চলমান চিত্র, কিছুটা একই নামে রচিত কমিক্স বই অবলম্বন করে।.[১৪][১৭][১৮]
- অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্সঃ গুড সেভ ব্রিটানিয়া (Asterix and Obelix: Good Save Britannia),২০১২, চলচ্চিত্র, অ্যাস্টেরিক্স ইন বৃটেন অবলম্বনে রচিত এবং এটাই অ্যাস্টেরিক্সের প্রথম ত্রিমাত্রিক (3D) চলচ্চিত্র।
- অ্যাস্টেরিক্সঃ দি ল্যান্ড অভ গডস (Asterix: The Land of Gods), ২০১৪ (সর্বশেষ), দি ম্যান্সন অভ দা গডস (The Mansions of the Gods) অবলম্বনে তৈরিরত প্রথম ত্রিমাত্রিক কার্টুন ছবি।
[সম্পাদনা] গেমস
অনেক খেলার বই (gamebook), বোর্ড গেমস (boardgame) এবং ভিডিও গেম অ্যাস্টেরিক্সের কাহিনী অবলম্বনে বানানো হয়েছে।
বিভিন্ন কম্পিউটার গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমের জন্য গেমস বের করেছে। যেমনঃ
| নাম | বছর | মাধ্যম | |||||||||||||||||||||||
| আটারি ২৬০০ | সি-৬৪ | ZX স্প্রেকটাম | আমস্ট্রাড সি.পি.সি | আটারি ST | অ্যামিগা | PC | মাস্টার সিস্টেম | আরকেড | নেস | স্নেস | গেম বয় | গেম গিয়ার | মেগা ড্রাইভ | সিডি-i | পিএস | গেম বয় কালার | পিএস২ | গেম কিউব | গেম বয় অ্যাডভান্স | ডি.এস | পি.এস.পি | উইই | [[Xbox 360|এক্স৩৬০] | ||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| অ্যাস্টেরিক্স | ১৯৮৩ | X | |||||||||||||||||||||||
| ওবেলিক্স | ১৯৮৩ | X | |||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা ম্যাজিক কলড্রন | ১৯৮৬ | X | X | X | |||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা ম্যাজিক কার্পেট | ১৯৮৭ | X | X | X | X | X | |||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্সঃ অপারেশন গেটাফিক্স | ১৯৮৯ | X | X | X | |||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স | ১৯৯১ | X | |||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স | ১৯৯২ | X | |||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স | ১৯৯৩ | X | X | X | |||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা সিক্রেট মিশন | ১৯৯৩ | X | X | ||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা গ্রেট রেস্কিউ | ১৯৯৩ | X | X | X | |||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড দা পাওয়ার অভ দা গডস | ১৯৯৫ | X | |||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্সঃ সিজারস চ্যালেঞ্জ | ১৯৯৫ | X | X | ||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্স | ১৯৯৫ | X | X | X | X | ||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স | ১৯৯৬ | X | |||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্সঃ সার্চ ফর ডগম্যাটিক্স | ২০০০ | X | |||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্স টেক অন সিজার | ২০০০ | X | X | X | |||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্সঃ দা গ্যালিক ওয়ার | ২০০০ | X | X | ||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্সঃ মেগা ম্যাডনেস | ২০০১ | X | X | ||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্স XXL | ২০০৪ | X | X | X | X | ||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্স XXL ২: মিসন লা ভেগম | ২০০৫ | X | X | X | X | ||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স ইন দা অলিম্পিক গেমস | ২০০৭/২০০৮ | X | X | X | X | X | |||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্স ব্রেন ট্রেনার | ২০০৮ | X | |||||||||||||||||||||||
| অ্যাস্টেরিক্সঃ দি রোমানস ইজ ক্রেজি | ২০০৯ | X | |||||||||||||||||||||||
[সম্পাদনা] থিম পার্ক
পার্ক অ্যাস্টেরিক্স, প্যারিস থেকে ২২মাইল উত্তরে অবস্থিত একটি অ্যাস্টেরিক্সের ধারা অনুকরণে নির্মিত থিম পার্ক। ১৯৮৯ সালে এটি চালু হয়, এখানে বছরে প্রায় ১.৬ মিলিয়ন লোক বেরাতে আসে।
[সম্পাদনা] আরো দেখুন
- Bande dessinée
- অ্যাস্টেরিক্সের অনুবাদ
- এর তালিকা
- সমুহের তালিকা
- i Kokosz
- Gaul, ৫৮-৫১ খ্রিস্টপূর্বে জুলিয়াস সিজার গলদেশ দখলের পরবর্তীতে গঠিত পাঁচটি প্রদেশ।
[সম্পাদনা] পাদটীকা
- ↑ volumes-sold (8 October 2009). "Asterix the Gaul rises sky high". Reuters. http://in.reuters.com/article/entertainmentNews/idINIndia-43015020091008.
- ↑ Sonal Panse. Goscinny and Uderzo. প্রকাশক: Buzzle.com. http://www.buzzle.com/editorials/6-3-2004-54995.asp। সংগৃহীত হয়েছে: 11 March 2010.
- ↑ René Goscinny. প্রকাশক: Comic creator. http://lambiek.net/home.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 9 March 2010.
- ↑ BDoubliées. Pilote année 1959 (French ভাষায়). http://bdoubliees.com/journalpilote/series1/asterix.htm.
- ↑ ৫.০ ৫.১ ৫.২ Kessler, Peter (2) Asterix Complete Guide (First সম্পাদিত) প্রকাশক: Hodder Children's Books; আইএসবিএন 0340653469
- ↑ ৬.০ ৬.১ Hugh Schofield (22 October 2009). Should Asterix hang up his sword ?. প্রকাশক: BBC News. (London). http://news.bbc.co.uk/2/hi/europe/8319196.stm.
- ↑ Matt Selman (21 January 2009). An Open Letter to Albert Uderzo. প্রকাশক: Techland.com. http://techland.com/2009/01/21/an-open-letter-to-albert-uderzo/। সংগৃহীত হয়েছে: 9 March 2010.
- ↑ Shirbon, Estelle (14 January 2009). "Asterix battles new Romans in publishing dispute". Reuters. http://www.reuters.com/article/entertainmentNews/idUSTRE50D46K20090114। সংগৃহীত হয়েছে: 16 January 2009.
- ↑ "Divisions emerge in Asterix camp". BBC News Online (London). 15 January 2009. http://news.bbc.co.uk/2/hi/entertainment/7831375.stm। সংগৃহীত হয়েছে: 16 January 2009.
- ↑ Anne Goscinny: «Astérix a eu déjà eu deux vies, du vivant de mon père et après. Pourquoi pas une troisième?» (French ভাষায়). প্রকাশক: Bodoï. http://www.bodoi.info/magazine/2009-01-20/anne-goscinny-%C2%ABasterix-a-eu-deja-eu-deux-vies-du-vivant-de-mon-pere-et-apres-pourquoi-pas-une-troisieme%C2%BB/10581.
- ↑ ১১.০০ ১১.০১ ১১.০২ ১১.০৩ ১১.০৪ ১১.০৫ ১১.০৬ ১১.০৭ ১১.০৮ ১১.০৯ ১১.১০ ১১.১১ ১১.১২ ১১.১৩ ১১.১৪ ১১.১৫ ১১.১৬ ১১.১৭ ১১.১৮ ১১.১৯ ১১.২০ ১১.২১ ১১.২২ ১১.২৩ ১১.২৪ ১১.২৫ ১১.২৬ ১১.২৭ ১১.২৮ Kessler, Peter (1997). The Complete Guide to Asterix (The Adventures of Asterix and Obelix). প্রকাশক: Distribooks Inc. আইএসবিএন 0340653469.
- ↑ October 2009 Is Asterix’S 50th Birthday. প্রকাশক: Teenlibrarian.co.uk. 9 October 2009. http://teenlibrarian.co.uk/?p=688। সংগৃহীত হয়েছে: 31 December 2010.
- ↑ Les albums hors collection - Astérix et ses Amis - Hommage à Albert Uderzo. প্রকাশক: Asterix.com. http://www.asterix.com/edition/albums-hors-collection/asterix-et-ses-amis.html। সংগৃহীত হয়েছে: 31 December 2010.
- ↑ ১৪.০ ১৪.১ ১৪.২ Asterix around the World. প্রকাশক: asterix-obelix-nl.com. http://www.asterix-obelix.nl/। সংগৃহীত হয়েছে: 9 March 2010.
- ↑ ১৫.০ ১৫.১ Translations. প্রকাশক: Asterix.com. http://www.asterix.com/encyclopedia/translations/। সংগৃহীত হয়েছে: 11 March 2010.
- ↑ List of Asterix comics published in Greece by Mamouth Comix (Greek ভাষায়). http://www.mamouthcomix.gr/asterix/index.html.
- ↑ Astérix & Obélix: Mission Cléopâtre. প্রকাশক: Soundtrack collectors. http://www.soundtrackcollector.com/catalog/soundtrackdetail.php?movieid=61353। সংগৃহীত হয়েছে: 13 March 2010.
- ↑ Astérix aux jeux olympiques. প্রকাশক: IMD. 2008. http://www.imdb.com/title/tt0463872/। সংগৃহীত হয়েছে: 13 March 2010.
[সম্পাদনা] মূলসূত্র
- Astérix publications in Pilote BDoubliées (ফরাসি)
- Astérix albums Bedetheque (ফরাসি)
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: Astérix |
| উইকিউক্তিতে নিচের বিষয় সম্পর্কে সংগৃহীত উক্তি আছে:: অ্যাসটেরিক্স |
- Official site
- Asterix Wikia
- সারা পৃথিবীতে অ্যাস্টেরিক্স – বহু ভাষা
- Asterix NZ– ইংরেজি ভাষা বোঝে সেরকম ভক্তদের জন্য তথ্যসূত্র জ্ঞাপক সাইট
- Asterix - The Dictionary– অ্যাস্টেরিক্স এর ভাষা বোঝার জন্য স্পানিশ ভাষীদের জন্য অভিধান
- Alea Jacta Est (Asterix for grown-ups) Each Asterix book is examined in detail
- Les allusions culturelles dans Astérix - Cultural allusions (ফরাসি)
- The Asterix Annotations – album-by-album explanations of all the historical references and obscure in-jokes