অমিত চাকমা
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
অমিত চাকমা (জন্ম: ১৯৫৯, অমিতাভ চাকমা নামেও পরিচিত) বাংলাদেশী রাসায়নিক প্রকৌশলী যিনি ২০০৯ সালে কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টার্ন ওন্টারিও-র প্রেসিডেন্ট ও উপাচার্য নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির ১০ম প্রেসিডেন্ট।
অমিত চাকমার জন্ম বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ পার্বত্য চট্টগ্রামের এক চাকমা পরিবারে। তার জন্মস্থানের পাশে বাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বাবধানে বাঁধ হওয়ায় তাদের অনেককেই সেখান থেকে চলে যেতে হয়। তার মধ্যে অমিত চাকমার পরিবারও ছিল। বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি আলজেরীয় সরকারের বৃত্তি নিয়ে আলজেরিয়ার বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় Institut Algerien du Petrole-এ পড়তে যান। তিনি "রাসায়নিক প্রকৌশল" বিভগে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯৭৭ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লাসে প্রথম স্থান অদিকার করে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর কানাডায় চলে যান মাস্টার্স ও পিএইচডি অধ্যয়নের জন্য। কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলাম্বিয়া থেকে রাসায়নিক প্রকৌশল বিষয়ে এমএএসসি এবং পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৮৮ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালগারির রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগে অধ্যাপনা করার পর ১৯৯৬ সালেই ইউনিভার্সিটি অফ রেগিনা-তে চলে যান। সেখানে রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগের প্রধান নিযুক্ত হন। ১৯৯৯ থেকে ২০০১ পর্যন্ত রেগিনার ভাইস-প্রেসিডেন্ট রিসার্চ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এখানে থাকার সময়ই অমিতকে কানাডার "টপ ৪০ আন্ডার ৪০" তে স্থান করে নেন। এরপর ২০০১ সালে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু-র অ্যাকাডেমিক ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং প্রভোস্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অমিত চাকমার গবেষণার মূল বিষয় প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকৌশল এবং পেট্রোলিয়াম বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।
২০০৯ সালের ১লা জুলাই অমিত চাকমা ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টার্ন ওন্টারিওর প্রেসিডেন্ট ও উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার আগে এই দায়িত্বে ছিলেন পল ড্যাভেনপোর্ট। প্রেসিডেন্ট হিসেবে অমিতের লক্ষ্য ওয়েস্টার্ন ওন্টারিওকে বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে পৌঁছে দেয়া।