হারানো উপদ্বীপ

স্থানাঙ্ক: ৪১°৪৪′১৩″ উত্তর ৮৩°২৭′২৭″ পশ্চিম / ৪১.৭৩৬৯৪° উত্তর ৮৩.৪৫৭৫০° পশ্চিম / 41.73694; -83.45750
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হারানো উপদ্বীপ
Lost Peninsula
অ-একত্রীভূত এলাকা
দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগান এবং উত্তর-পশ্চিম ওহাইও, সঙ্গে লাল রঙে রাঙানো এলাকাটি হলো হারানো উপদ্বীপ
দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগান এবং উত্তর-পশ্চিম ওহাইও, সঙ্গে লাল রঙে রাঙানো এলাকাটি হলো হারানো উপদ্বীপ
স্থানাঙ্ক: ৪১°৪৪′১৩″ উত্তর ৮৩°২৭′২৭″ পশ্চিম / ৪১.৭৩৬৯৪° উত্তর ৮৩.৪৫৭৫০° পশ্চিম / 41.73694; -83.45750
দেশমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
অঙ্গরাজ্যমিশিগান
কাউন্টিমনরো
শহরতলীএরি
সময় অঞ্চলপূর্ব (ইএসটি) (ইউটিসি-৫)
 • গ্রীষ্মকালীন (দিসস)ইডিটি (ইউটিসি-৪)
জিআইপি কোড৪৮১৩৩ (এরি)
এলাকা কোড৭৩৪

হারানো উপদ্বীপ বা লস্ট পেনিন্সুলা (ইংরেজি: Lost Peninsula) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের একটি ক্ষুদ্র ছিটমহল। এটি রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে মনরো কাউন্টির অংশ।

১৮৩৫ ও ১৮৩৬ সালে টালিডো যুদ্ধে সীমান্ত বিরোধের ফলে ওহাইও বা মিশিগান অঞ্চল টালিডো স্ট্রিপ নামে পরিচিত একটি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করবে কি-না তা নির্ধারণ করার জন্য হারানো উপদ্বীপ সৃষ্টি হয়েছিল। টালিডো যুদ্ধের পরে, মাউমি নদীর অগ্রভাগের ঠিক উত্তরে প্রায় ৪১°৪৪' উত্তর অক্ষাংশ রেখায় রাজ্যের সীমানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে ওহাইও রাজ্য নদী ও টালিডো নগরী উভয়ই পায়। যাইহোক, ক্ষুদ্র অটোয়া নদী জুড়েই রাজ্য সীমা নির্ধারিত ছিল এবং এর নদীর তীরে উপদ্বীপ ভাগ হয়ে যায়। নদীর তীরে অবস্থিত রাজ্য সীমার উত্তরের অংশটি মিশিগানেই রয়ে গেছে, কিন্তু রাজ্যের বাকি অংশের সাথে এর আর কোনো প্রকার ভূমি সংযোগ নেই। এই কারণে এলাকাটি "হারানো উপদ্বীপ" বা "লস্ট পেনিন্সুলা" নামে পরিচিতি লাভ করে।[১]

ক্ষুদ্র এই উপদ্বীপটিতে বসবাসকারী মিশিগানেফ আনুমানিক ১৪০ বাসিন্দাদেরকে উত্তরে মিশিগানের বাকি অংশে যাওয়ার জন্য পূর্বে ১০ মিনিট গাড়ি চালিয়ে দক্ষিণে লুকাস কাউন্টি, ওহিওতে যেতে হয়। হারানো উপদ্বীপ এরি টাউনশিপ দ্বারা প্রশাসিত হয়। পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মিশিগানের স্কুলে পড়ার জন্য ওহাইও হয়ে যেতে হয়।[২]

প্রায় ২৫০ একর এলাকাজুড়ে উপদ্বীপটিতে একটি মেরিনা ও দুটি রেস্তোরাঁর পাশাপাশি কিছু বাড়িও রয়েছে।[৩][৪]

১৯৬৫ সালের পাম সানডে টর্নেডো প্রাদুর্ভাবের সময় উপদ্বীপে দুইজন নিহত হন।[৫]

২০০৫ সালে, উপদ্বীপটিতে ৩০০টি বিলাসবহুল কনডোমিনিয়াম ইউনিট নির্মাণের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পানি সরবরাহের সমস্যার জন্য তা প্রত্যাহার করা হয়।[৬][২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The History of the Lost Peninsula" [হারানো উপদ্বীপের ইতিহাস] (ইংরেজি ভাষায়)। লস্ট পেনিন্সুলা মারিনা। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১৭ 
  2. "Once-disputed land now somewhat part of both states"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজন [একসময়কার বিরোধপূর্ণ ভূমি বর্তমানে কিছুটা হলেও উভয় রাজ্যেরই অংশ]। ডিট্রয়েট ফ্রি প্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। নভেম্বর ২৬, ২০১১। পৃষ্ঠা A1 – Newspapers.com-এর মাধ্যমে। 
  3. লস্ট পেনিন্সুলা মেরিনা। "Lost Peninsula Marina"। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১৭ 
  4. "The story of Michigan's Lost Peninsula" [মিশিগানের হারানো উপদ্বীপের কাহিনী]। মিশিগান রেডিও। জুলাই ৯, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১৭ 
  5. "Lost Peninsula Takes Stand" [হারানো উপদ্বীপ অবস্থান নিয়েছে]। দ্য নিউজ-প্যালাডিয়াম (বেন্টন হারবার, মিশিগান)। জুলাই ২, ১৯৬৫। পৃষ্ঠা ৩৬। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১৭ – Newspapers.com-এর মাধ্যমে। 
  6. ভেলেকেট, ল্যারি (জুন ২২, ২০০৫)। "Erie Township: Lost Peninsula waterfront area scheduled to have a face-lift"দ্য ব্লেইড। টালিডো, ওএইচ। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১৭