হাড়জোড়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
হাড়জোড়া
Cissus quadrangularis
Cissus quadrangularis MS0938.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Rosids
বর্গ: Vitales
পরিবার: Vitaceae
গণ: Cissus
প্রজাতি: C. quadrangularis
দ্বিপদী নাম
Cissus quadrangularis
L.
প্রতিশব্দ

Cissus quadrangula
Vitis quadrangularis

হাড়জোড়া (বৈজ্ঞানিক নাম:Cissus quadrangularis) স্থানবিশেষে হাড়ভাঙা লতা বা হারেঙ্গা নামেও পরিচিত।লতানো কাণ্ডের টুকরা টুকরা অংশ দেখতে অনেকটা জোড়া দেওয়া হাড়ের মতোই। এটি অন্যতম ঔষধি গাছ।[১]

বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[২]

আদি ভূমি[সম্পাদনা]

উষ্ণমণ্ডলীয় আফ্রিকা, আরব, মাদাগাস্কার, ভারত, শ্রীলঙ্কাজাভা এই গাছের আদি ভূমি।[১]

আকার[সম্পাদনা]

প্রিয় আবাস বৃষ্টিবহুল অঞ্চলের ঝোপ-জঙ্গল। এটি বৃহৎ শাখান্বিত বীরুৎ-সদৃশ। সরল ও সরু পত্র-পতিমুখ আঁকশিযুক্ত। কাণ্ড রসাল, চার কোনাকার এবং চার পর্বযুক্ত। পত্র সরল, তিন থেকে ছয় সেন্টিমিটার লম্বা, নরম ও রসাল। পত্রবৃন্ত দেড় সেন্টিমিটার লম্বা, উপপত্র জোড়বদ্ধ, প্রশস্ত ডিম্বাকার, সবুজ ও ক্ষণস্থায়ী। মঞ্জরিদণ্ড আড়াই সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ফুল চার অংশক, আড়াআড়িভাবে পাঁচ মিলিমিটার ও লালচে রঙের। বৃতি পেয়ালাকার, দল খণ্ডক চারটি, প্রায় দুই মিলিমিটার লম্বা। পুংকেশর চারটি। প্রস্ফুটনকাল সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত। ফল গোলাকার, পাকলে লাল ও একবীজী।[১]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

হাড়জোড়া লতা স্কার্ভি, নাক, কান ও হাড়ভাঙা চিকিৎসায় বিশেষভাবে ব্যবহার্য। গাছের কচি কাণ্ড সবজি হিসেবে খাওয়া হয়।[১]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. হাড়জোড়ার ফুল,মোকারম হোসেন, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ৩১-১২-২০১২ খ্রিস্টাব্দ।
  2. বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুলাই ১০, ২০১২, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পৃষ্ঠা-১১৮৫৩৯

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]