হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ভূমিকা

হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ
ধরনসরকারি কলেজ [১]
স্থাপিত১৯৮৭
প্রতিষ্ঠাতাড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী ( প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ )
অধ্যক্ষপ্রফেসর মো. আবুল বাশার
শিক্ষার্থী৬ ০০০ এর ওপর
অবস্থান,
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
ভাষাবাংলা
ওয়েবসাইটwww.hmcollege.edu.bd

হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।[২] এ কলেজটি ১৯৮৭ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। ইহা পৌরসভার মকিমাবাদ মৌজার উত্তরে রেললাইন ,দক্ষিণে বাজার ,পশ্চিমে জেলা বোর্ডে র পাকা সড়কের পূর্বে অবস্থিত। ইহা প্রথমে একটি মহিলা মহাবিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

নামকরণ[সম্পাদনা]

হাজীগঞ্জ মডেল কলেজটি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার একাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । এটি ৩১ জানুয়ারি ১৯৮৭ সালে হাজীগঞ্জ মহিলা মহাবিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। হাজীগঞ্জ মহিলা কলেজের নাম পরিবর্তন পূর্বক সহশিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ করার লক্ষ্যে গর্ভনিং বডির ৮ জুলাই ১৯৯৩ তারিখের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে হাজীগঞ্জ মডেল কলেজ নামকরণ করার জন্য কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে আবেদনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তারই প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বোর্ড ২৩ জুলাই ১৯৯৩ এর পত্রের মাধ্যমে কলেজের নামকরণ নিশ্চিত করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ডাকাতিয়া নদীর উত্তর পাড়ের শিক্ষার্থীরা দক্ষিণ পাড়ে অবস্থিত হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে যাওয়ার পথে নদী পারাপারের সময় ডাকাতিয়া নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণ নদীর উত্তর পাড়ের বিশিষ্ট জনদের উদ্যোগের প্রেক্ষিতে হাজীগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকাধীন ২১৩ নং মকিমাবাদ মৌজার উত্তরে রেললাইন, দক্ষিণে হাজীগঞ্জ বাজার পশ্চিমে জেলা বোর্ডের পাকা রাস্তা ও পূর্বে হাজীগঞ্জ রঘুনাথপুর রাস্তার মধ্যস্থিত রেল লাইন সংলগ্ন উত্তরের মনোরম স্থানে প্রতিষ্ঠানে অবস্থিত । বর্তমানে এর অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাশার যিনি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন।

প্রতিষ্ঠাতা[সম্পাদনা]

একক ভাবে সম্মত্তি বা পরিমাণমত অর্থ প্রদানে কেউ না থাকায় জনসাধারণের সর্বাত্মক সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধা বি.এম. কলিমউল্লাহ সার্বিক নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় । বি.এম.কলিমউল্লাহকে আহবায়ক করে আবদুল আউয়াল, কলিমউল্লাহ মিয়াজী,আলহাজ্ব আলমগীর কবির পাটওয়ারী ও সোলায়মান মজুমদার সদস্য করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে জমির পরিমাণ ছিল দানকৃত - ১.৬২ একর; ক্রয়- ০.২৬ একর; পৌরসভার - ০.৮৪ একর; মোট - ২.৭২ একর। অধ্যক্ষ ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ।

গভর্নিং বডির সভাপতি[সম্পাদনা]

এ.কে.এম. দিলওয়ার হোসেন জেলা প্রশাসক চাঁদপুরের মনোনীত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ), আবদুল বাসেত উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মো. জুলফিকার রহমান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ), এম.এ মতিন সংসদ সদস্য, চাঁদপুর-৪ মো. নাজমুল হক উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ ।

খন্দকার আতিয়ার রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ,মো.মঈনুদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ,মো.ওবায়দুল হক উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ, খুরশিদ ইকবাল রিজভী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ, মো. তাহেরুল ইসলাম জেলা প্রশাসক চাঁদপুর, এস.এম. মনিরুল ইসলাম জেলা প্রশাসক, মো. আনিছুর রহমান মিঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ, বিদুষী চাকমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ,নাসির-উদ-দৌলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মো. গাউছুল আজম উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জ , মোহাম্মদ এমরান হোসেন, হোসনা আফরোজ, শেষ মুর্শিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আহবুবুল আল মজুমদার।

অনুমোদন[সম্পাদনা]

সাংগঠনিক কমিটির ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ সভায় শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন প্রাপ্তির লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লার সাথে প্রস্তাবিত কলেজের সকল কার্যসম্পাদন করার জন্য সাংগঠনিক কমিটির সম্পাদক সোলায়মান মজুমদার,আবদুল লতিফ মিয়া ও আলমগীর কবির পাটওয়ারীকে শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়। শাখা ও বিষয়সমূহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লা– ১ জানুয়ারি ১৯৮৭ এর মাধ্যমে ১৯৮৭-১৯৮৮ শিক্ষাবর্ষ হতে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান শাখা শিক্ষাবর্ষ শুরু করে ।

একাডেমিক স্বীকৃতি[সম্পাদনা]

৮ মার্চ ১৯৮৯ এর মাধ্যমে একাডেমিক স্বীকৃতি ও ১১ আগস্ট ১৯৯২ সালে এমপিও ভুক্তি হয় । মডেল কলেজের নামে ছাত্র ভর্তি শুরু : ১৯৯৩-১৯৯৪ শিক্ষাবর্ষ ।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি[সম্পাদনা]

বিএম শাখার অনুমতি প্রাপ্ত হয় গভর্নিং বর্ডির সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ২ জুলাই ২০০০ পত্রের মাধ্যমে শিক্ষাবর্ষ ও ২০০০-২০০১ হতে কম্পিউটার অপারেশন ও হিসাবরক্ষণ অনুমতি পায়

আভ্যন্তরীণ শিক্ষা কার্যক্রমে শাখা বিভক্তি করণ[সম্পাদনা]

শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ২১ এপ্রিল থেকে চারটি শাখায় মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও বিএম শাখার চারজনকে শাখা প্রধান করে বিভক্ত করা হয়।

ডিগ্রি কোর্স[সম্পাদনা]

২২ জুনের ১৯৯৭ সালে ১৯৯৭-১৯৯৮ শিক্ষাবর্ষ হতে বি.এ, বি.এস.এস, বি.এসসি, বি.বি.এস কোর্স খোলা হয়। ৪ জুন ২০০৬ সালে ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পত্রের মাধ্যমে স্নাতক(পাস) কোর্সের বি.এ, বি.এস.এস, বি.এসসি, বি.বি.এস অনুমতি প্রাপ্ত হয়।

এ.ডি.বি.র অবমুক্তি[সম্পাদনা]

এ.ডি.বি.র শর্তের কারণে সারা দেশে এডিবি ভুক্ত১৩২ টি কলেজে ডিগ্রি কোর্স খোলা সম্ভব হচ্ছিল না। তখন অধ্য ড.মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারীকে আহবায়ক করে একটি কমিটি গঠন করে। সরকার ও এডিবি সাথে বিষয়ের প্রেেিত যৌক্তিক বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং জাতীয় প্রেস কাসে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। পরবর্তীতে এক পর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তারিখ ২ মে ২০০৫ স্মারকের মাধ্যমে ৫৯টি কলেজকে ডিগ্রী কোর্স খোলার অনুমতি প্রদানে সুপারিশ করেন।

অন্যান্য কোর্স[সম্পাদনা]

হিসাববিজ্ঞান/ব্যবস্থাপনা/সমাজকর্ম ঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় , তারিখ ৩ ফেব্রয়ারি ২০১১ পত্রের মাধ্যমে সম্মান কোর্স চালুর অনুমতি প্রাপ্ত হয়। অনার্স কোর্স খোলার অনুমতি (মার্কেটিং ও গণিত) : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জানুয়ারি ২০১২ পত্রের মাধ্যমে সম্মান কোর্স চালুর অনুমতি প্রাপ্ত হয়। বাংলা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ১৪ নভেম্বর ২০১২ পত্রের মাধ্যমে সম্মান কোর্স চালুর অনুমতি প্রাপ্ত হয়।

মার্স্টাস প্রিলিমিনারী খোলার অনুমতি হিসাববিজ্ঞান/ব্যবস্থাপনা/সমাজকর্ম : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ,তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৩ পত্রের মাধ্যমে সম্মান কোর্স চালুর অনুমতি প্রাপ্ত হয়। মার্স্টাস শেষপর্ব খোলার অনুমতি(হিসাববিজ্ঞান/ব্যবস্থাপনা/সমাজকর্ম) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় , তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ পত্রের মাধ্যমে সম্মান কোর্স চালুর অনুমতি প্রাপ্ত হয়।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

সরকারি উন্নয়ন[সম্পাদনা]

বিগত সময়ের ফলাফলের ভিত্তিতে ১৯৯৫ সালে ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে ত্রি-তল ভবন নির্মিত হয়। যা বিজ্ঞান শাখার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে । ২০০১ সালে ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে দ্বিতল ভবন নির্মিত হয় মানবিক বিভাগের জন্য ব্যবহৃত এবং ২০০৪ সালে ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে দ্বিতল ভবন নির্মিত হয় বিএম শাখার জন্য ব্যবহৃত ।

বেসরকারি উন্নয়ন[সম্পাদনা]

ছাত্র - ছাত্রীর সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধির কারণে স্থান সংকুলনের অভাব দেখা দেয়ায় ১৯৯৯ সালে অত্র কলেজের শিক্ষকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা উত্তোলন পূর্বক কলেজ মাঠের দক্ষিণ পূর্ব অংশে ৭ কক্ষ বিশিষ্ট দৈর্ঘ্য:ে ২২র্২ ৪র্৭ = ১০,৪৩র্৪ বর্গফুট ভবন নির্মিত করা হয় যা ব্যবসায় শিক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

২০০০ সালে বিজ্ঞান শাখার ত্রিতল ভবনের উপরে ১০র্২ ৩র্০ = ৩০৬র্০ বর্গফুট তিনটি শ্রেণী কক্ষ নির্মিত হয়। ২০০৫ সালে ৫র্৫ ২র্৬ = ১৪৩র্০ বর্গফুটের মসজিদ নির্মিত হয়। ৪র্২ ২র্০ = ৮৪র্০ বর্গফুট উন্মুক্ত মঞ্চ নির্মিত হয়। ২০০৯ সালে কলেজের দণি পূর্ব পাশে ১২র্৬ ৪র্৭ = ৫৯২র্২ বর্গফুট অডিটরিয়াম/ক্লাশ রুম নির্মিত হয়। ২০১২ সালে ৮র্০ ৩র্৩ = ২৬৪র্০ বর্গফুট একটি লাইব্রেরী ও কালেকশন রুম নির্মিত করা হয়। মূল গেটে একটি ১৪.র্৯ ১২.র্৭ = ১৮৯.২র্৩ বর্গফুট অনুপ্রবেশ রুম নির্মাণ করা হয়।

এছাড়াও বিএম শাখা ও ডিগ্রি ভবনের মাঝামাঝিতে ১১র্১ ২র্৬ = ২৮৮র্৬ বর্গফুট চারটি শ্রেণী কক্ষ নির্মিত হয়। ২৭২৩০.২৩ বর্গফুটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়। ৩র্১ ৩র্৪= ১০৪র্৪ বর্গফুট শহীদ মিনার নির্মিত হয়। সৌর্ন্দয্য বৃদ্ধির জন্য ও সবুজায়নের জন্য বিভিন্ন ভবন ও জায়গায় ২১৩০ বর্গ ফুটের বাগান করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ১.২৩ একর নাল, ডোবা ও নিচু ভূমি ভরাট করা হয়।

মাঠ সম্প্রসারণের জমি ক্রয়[সম্পাদনা]

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় শ্রেণী কক্ষ ও খেলাধুলার মাঠের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে কলেজ সংলগ্ন ০.৬৯৩১২৫ একর জমি কলেজের নিজস্ব উৎস থেকে ক্রয় করা হয়।

জাতীয় পুরস্কার লাভ[সম্পাদনা]

২০০৪ সালে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পুরস্কার লাভ। ফলাফলে পরীার্থীদের কৃতিত্বের স্বার ঃ ১৯৯৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বোর্ড পরীক্ষায় মেধাতালিকায় পর পর চার বার প্রথম স্থানসহ সর্বমোট ২৭টি স্থান দখল করে। ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত জি.পি.এর ফলাফলের ভিত্তিতে ২০৬ টি জি.পি.এ - ৫ প্রাপ্ত হয়। ডিগ্রি (পাস) পরীায় প্রথম বার অংশগ্রহণ করে (২০০৯ সাল) প্রথমবারেই প্রথম শ্রেণী প্রাপ্ত হয়।

ক্রীড়া সাহিত্য ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

প্রতি বছর ৩১ শে জানুয়ারি কলেজ ডে উদ্যাপন উপলক্ষে আনন্দ আয়োজন, সপ্তাহব্যাপি সহ-পাঠক্রমিক বিষয়গুলোর প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও উপজেলা কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা হয়। উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে ১৯৯০ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ৭৩ টি প্রথম স্থানসহ ১০৪টি পুরস্কার অর্জন করে। ২০১১ সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক আয়োজিত সাহিত্য ও সংস্কৃতিক প্রতিয়োগিতায় রবীন্দ্র সঙ্গীতে প্রথম স্থান লাভ করে। ২০০৯ সালে চাঁদপুর জেলা বির্তক আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত দূর্নীতি বিরোধী বির্তক প্রতিয়োগিতায় জেলা চ্যাম্পিয়ান, ২০১০ সালে উপজেলায় নসু চৌধুরী বির্তক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ও শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং ২০১১ সালে চাঁদপুর বির্তক আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত বির্তক প্রতিয়োগিতায় প্রথম স্থান এবং শ্্েরষ্ঠ বক্তা হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকে। ২০১৬ সালে জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়েজিত ক্রিয়া মাস উপলক্ষে আয়োজিত আন্ত:কলেজ এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরভ অর্জন করে। ২০১৫ সালে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মরহুম আবদুল করিম পাটওয়ারী স্মৃতি আন্ত:কলেজ ফুটবল প্রতিযোগিতায় রানার আপ হয়। প্রতিবছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লা কর্তৃক আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ১ম ও ২য় স্থান লাভ করে।

রোভার স্কাউটিং[সম্পাদনা]

কলেজের ছাত্র মেহেদি হাসান জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ^ স্কাউটস জাম্বুরিতে ২০১৫ সালে সার্ভিস টিমে মেম্বার হয়ে অংশগ্রহণ করে। ষোড়শ জাতীয় রোভার মুট ২০০৪ সালে সফলতার সাথে অংশগ্রহণ। ২০১৭ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় রোভার মুটে সাফল্যজনক অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জে সফলতা অর্জন করে। সপ্তদশ রোভার মুট ২০১১ (২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর) হাজীগঞ্জ উপজেলার একমাত্র দল হিসাবে অংশগ্রহণ। প্রথম চাঁদপুর জেলার রোভার মুট ২০১০ অংশগ্রহণ করে জেলায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন। প্রথম জেলা স্বাস্থ্য ক্যাম্প মেট কোর্স ২০০৯ অংশগ্রহণ। প্রথম জেলা বিদ্যুৎ মেট কোর্স ২০১১ অংশগ্রহণ।

প্রথম জেলা রোভার মুটে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র পরাগ হোসেন ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি কর্তৃক আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় চাঁদপুর জেলায় সকল কলেজের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকারী হয়। পঞ্চগড় জেলা অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় রোভার মুট ও কমডেকায় সফলতার সাথে অংশগ্রহণ করে।

লাইব্রেরি[সম্পাদনা]

কলেজে লাইব্রেরিতে উচ্চ মাধ্যমিক, ¯œাতক(পাশ), ¯œাতক(সম্মান), মাস্টার্স ও অন্যান্য কোর্সে ৬৮,৫৯টি বই আছে। দ’ুটি কম্পিউারে ২০০০ ই-বুক আছে। বিভিন্ন বিষয়ের সেমিনারে হিসাববিজ্ঞান (সম্মান) বিষয়ে ৪৭২, ব্যবস্থাপনা (সম্মান) বিষয়ে ৪৫০, সমাজর্কম (সম্মান) বিষয়ে ১,৬৯২, বাংলা (সম্মান) বিষয়ে ৫০৮, মার্কেটিং (সম্মান) বিষয়ে ৪০৫, গণিত (সম্মান) বিষয়ে ২৬৯, রাষ্ট্রবিজ্ঞান (সম্মান) বিষয়ে ১,৬১০ টি বই। সর্বমোট ১৪,২৬৫ টি বই আছে।

শিক্ষক ও কর্মচারী[সম্পাদনা]

এমপিও ভুক্ত শিক্ষক ২৮ জন কর্মচারী ১৫ জন। এমপিও বহির্ভুত শিক্ষক ৫২ জন ও কর্মচারী ১৯ জন। সর্বমোট: ১১৪ জন। অধ্যয়নরত ছাত্র- ছাত্রীর সংখ্যা - উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে (বিএম সহ) ছাত্র ২,২৭১ জন ছাত্রী - ডিগ্রি(পাস) - ১৭৩৬ জন। অনার্স কোর্স - ১,৫০৭ জন। মার্স্টাস প্রিলিমিনারী- ১১৯ জন। মার্স্টাস শেষবর্প-১০৪ জন , উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি (পাস)- ২৫২ সর্বমোট শিার্থীর সংখ্যা = ৬, ২৪১ জন। ( ২০১৭ -১৮ সালের সংগৃহীত তথ্য মতে )

অনুষদ ও বিভাগসমুহ[সম্পাদনা]

এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২ বছর মেয়াদী উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণী ও ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রী প্রদান করা হয়।

উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি[সম্পাদনা]

স্নাতক (পাস) শ্রেণি[সম্পাদনা]

একাডেমিক সুযোগ সুবিধা[সম্পাদনা]

কলেজটিতে বিভিন্ন ধরনের একাডেমিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। যেমন একাডেমিক ভবন, গ্রন্থাগার ইত্যাদি। এছাড়া এখানে পড়াশুনার পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বৃত্তির ব্যবস্থা।[৩]

কলেজের সুযোগ সুবিধা[সম্পাদনা]

কলেজটিতে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের থাকার জন্য রয়েছে হোস্টেল এবং ছাত্রছাত্রীদের খেলার জন্য রয়েছে এক বিশাল খেলার মাঠ।

হোস্টেল[সম্পাদনা]

কলেজটিতে ছাত্রদের জন্য রয়েছে দুটি হল।

সহশিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

কলেজটিতে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে:

  • বি. এন. সি. সি.
  • রোভার স্কাউট [৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. https://www.bdupnews.com/news/8874[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  3. "হাজীগঞ্জ উপজেলা"। ২০১৮-০৯-২৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-২০ 
  4. http://www.chandpur-kantho.com/first-page/2018/10/30/58327