সু ম্যাসি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সু ম্যাসি
Sue Macy, Wheels of Change (cropped).jpg
জন্ম (1954-05-13) ১৩ মে ১৯৫৪ (বয়স ৬৭)
নিউ ইয়র্ক শহর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশালেখিকা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়
ধরনতরুণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের নন-ফিকশন
ওয়েবসাইট
suemacy.com

সুসান বেথ ম্যাসি (জন্ম মে ১৩, ১৯৫৪) একজন আমেরিকান লেখিকা। প্রধানত নারীদের ইতিহাস এবং খেলাধুলার উপর ভিত্তি করে তিনি তরুণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নন-ফিকশন রচনা করেন। ২০১৯ সালে প্রকাশিত তার লেখা বই "দ্য বুক রেসকিউয়ার" ২০২০ সালে আমেরিকান লাইব্রেরি অ্যাসোসিয়েশন থেকে সিডনি টেলর বই পুরষ্কার জিতেছে।

প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

ম্যাসি ১৯৫৪ সালে নিউ ইয়র্ক সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং নিউ জার্সির ক্লিফটনে বড়ে হন। ধর্মীয় দিকে তিনি একজন ইহুদি। তার বাবা মরিস ম্যাসি একজন প্রত্যয়িত সরকারি হিসবারক্ষক ছিলেন এবং তার মা রুথ ম্যাসি (ওরফে নারোটস্কি) গৃহিণী হিসেবে কাজ শুরু করার আগ পর্যন্ত একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষার পাঠদান করতেন। যুবতী বয়সে তার কর্মজীবনের মোড় আইনের দিকে ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু ১৯৭১ সালে তিনি তার স্থানীয় সংবাদপত্রের মাধ্যমে নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি জার্নালিজম ইনস্টিটিউটের গ্রীষ্মকালীন উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃত্তি জেতার পরে তার আগ্রহ লেখা এবং সাংবাদিকতায় মোড় নিতে শুরু করে। নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি জার্নালিজম ইনস্টিটিউট ম্যাসিকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য নর্থ জার্সি হেরাল্ড নিউজে গ্রীষ্মকালীন নবিশ (ইন্টার্ন) হিসাবে কাজ করতে সুযোগ দেয়।[১][২]

ম্যাসি ক্লিফটন হাই স্কুল এবং প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন।[৩]

পেশা[সম্পাদনা]

ম্যাসির লেখা বই হুইলস অফ চেঞ্জ: হাউ উইমেন রোড দ্য বাইসাইকেল টু ফ্রিডম (With a Few Flat Tires Along the Way) ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি দ্বারা প্রকাশিত হয় । বইটি ১৮৯০-এর দশকে নারী মুক্তির উপর সাইকেলের প্রভাব তুলে ধরে।[৪] এটি ২০১২ সালে ইয়ং অ্যাডাল্ট লাইব্রেরি সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশনের ইয়ালসা অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স ইন ননফিকশন ফর ইয়ং অ্যাডাল্টস পুরস্কারের চূড়ান্ত বিজয়ী ছিল।[৫] [[৬] ২০১৯ সালের তার লেখা ছবি-বই "দ্য বুক রেসকিউয়ার" -এ তিনি ইদ্দিশ বুক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যারন ল্যানস্কির গল্প তুলে ধরেন। বইটি পাবলিশার্স উইকলি,[৭] কিরকুস রিভিউ[৮], এবং দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস [৯] থেকে তারকাখচিত পর্যালোচনা পেয়েছ। ২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি আমেরিকান লাইব্রেরি এসোসিয়েশনের ইয়ুথ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডসে ২০২০ সালের সিডনি টেলর বুক পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে বইটিকে ছবির বই বিভাগে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[১০][১১]

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি ১৯২০-এর দশকে ম্যাসির লেখা নারী ক্রীড়াবিদদের বিশ্লেষণ প্রকাশ করে, যার শিরোনাম ছিল ব্রেকিং থ্রু: হাউ ফিমেল অ্যাথলিটস শ্যাটার্ড স্টিরিওটাইপস ইন দ্য রোরিং টুয়েন্টিস।[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Something About the Author series, Vol 134, pp.65-66
  2. Hile, Kevin, সম্পাদক (১৯৯৭)। Something about the author. Volume 88। Detroit, Mich.: Gale। পৃষ্ঠা 65–66। আইএসবিএন 978-0-8103-9945-7ওসিএলসি 705262563 
  3. Daidone, Angela (২০০৯-১০-২৩)। "Bringing women's stories to life"Clifton Journal। পৃষ্ঠা A38। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-১৫ 
  4. Bland, Alastair। "Books on Bike Perfection and Women's Bike-Won Freedom"Smithsonian Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪ 
  5. "2012 Nonfiction Award Nominations"Young Adult Library Services Association (YALSA) (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১২-০১-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪ 
  6. Popova, Maria (২০১১-১২-১৬)। "The 11 Best History Books of 2011"Brain Pickings (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪ 
  7. "Children's Book Review: The Book Rescuer: How a Mensch from Massachusetts Saved Yiddish Literature for Generations to Come"Publishers Weekly (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪ 
  8. "The Book Rescuer"Kirkus। ২০১৯-০৬-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪ 
  9. Ingall, Marjorie (২০১৯-১২-০৫)। "The Stories Behind American Heroes, Made Accessible to Kids"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪ 
  10. 2020 Sydney Taylor Book Award Winners Announced
  11. School Library Journal: "Sydney Taylor Blog Tour: THE BOOK RESCUER Creators Sue Macy and Stacy Innerst"[১]
  12. Media, Jacqueline Cutler (২০২০-০২-০৭)। "A prison of long skirts: How the pioneers of women's sports bucked society to compete in the Jazz Age"NJ.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৪