নারীর ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

নারীর ইতিহাস হল এমন এক ধরনের শিক্ষা যেখানে নারীরা ইতিহাসে কি ভূমিকা পালন করেছেন এবং কোন উপায়ে তা করেছেন তা বিবৃত হয়। লিপিবদ্ধ ইতিহাসে নারীর অধিকার আদায়ের ইতিহাস, একক এবং দলগতভাবে ইতিহাসে নারীদের গুরুত্ব পর্যালোচনা, এবং তাদের উপর ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর প্রভাব এই শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত। নারীর ইতিহাস শিক্ষায় দেখা যায় অনেক রেকর্ড পাওয়া যায় না বা তাদের অবদান এবং তাদের উপর ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর প্রভাব উপেক্ষা করা হয়। ফলে নারীর ইতিহাসে অনেক ক্ষেত্রেই সংশোধনের প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

পাণ্ডিত্যের প্রায় সবগুলো কেন্দ্রই যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে, যেখানে নারীবাদের দ্বিতীয় তরঙ্গ সমর্থনকারী ইতিহাসবেত্তারা সামাজিক ইতিহাসের নতুন প্রগতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। নারী স্বাধীনতায় সক্রিয় কর্মীরা নারীদের অভিজ্ঞতালব্ধ অসমতা ও নিপীড়ন নিয়ে আলোচনা ও বিশ্লেষণ করে থাকেন। তারা মনে করেন তাদের পূর্বনারীপ্রজন্মের জীবন থেকে শিক্ষা নেয়াটা বাধ্যতামূলক। ইতিহাস মূলত লেখা হয়েছে পুরুষের হাতে এমনকি গণপরিবেশের যুদ্ধ, রাজনীতি, কূটনীতি এবং প্রশাসননীতিতেও পুরুষের সক্রিয়তার গল্পই উঠে এসেছে।

অঞ্চলসমূহ[সম্পাদনা]

আফ্রিকা[সম্পাদনা]

আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নারীর ইতিহাস নিয়ে কয়েকটি ছোট-খাট গবেষণা হয়েছে।[১][২][৩] কয়েকটি জরিপে উপ-সাহারা আফ্রিকার নারীদের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।[৪][৫]

এছাড়া কয়েকটি দেশ ও অঞ্চল, যেমন নাইজেরিয়া[৬] ও লেসথোর[৭] নারীর ইতিহাসের উপর বেশ কয়েকটি গবেষণা হয়েছে।

পণ্ডিতগণ অভিনব সূত্রের ভিত্তিতে আফ্রিকার নারীদের ইতিহাস নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছেন, যেমন মালাউয়ির গান, সকটোর বুনন কৌশল, এবং ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান।[৮]

আমেরিকা[সম্পাদনা]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র[সম্পাদনা]

নারীরা এককভাবে নারীর ইতিহাস রচনা ছাড়াও নারীর ইতিহাস রচনায় প্রথম দলবদ্ধ প্রচেষ্টা ছিল বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ইউনাইটেড ডটার্স অফ দ্য কনফেডারেসি (ইউডিসি) থেকে। এসময়ে যখন পুরুষ ইতিহাসবেত্তাগণ যুদ্ধ ও সেনাপতিদের ইতিহাস রচনায় ব্যস্ত, ইউডিসি প্রচেষ্টায় নারীদের গল্প সংগ্রহ করে। নারীরা নারীবাদী কার্যক্রম, কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্বের উপর জোর দেন। তাদের প্রতিবেদনে উঠে আসে যখন পুরুষগণ যুদ্ধে চলে গেলে নারীরা দায়িত্ব গ্রহণ করত, খাদ্য অন্বেষণ করত, ফ্যাক্টরিতে তৈরি পোশাক অপর্যাপ্ত হলে চরকা দিয়ে পোশাক তৈরি, এবং কৃষি জমি ও উদ্যানের কাজ পরিচালনা করত। তারা পুরুষরা না থাকার ফলে বিপদের সম্মুখীন হত।[৯]

কানাডা[সম্পাদনা]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। যেমন আইনে নারীদের সম-অধিকার রক্ষিত হয়েছে। নারীরা যুগ যুগ ধরে গৃহস্থালীর কাজ, সন্তান জন্ম ও লালন পালন, সেবিকা, মা, স্ত্রী, প্রতিবেশী, বন্ধু ও শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছে। যুদ্ধকালীন সময়ে নারীদের দিয়ে শ্রম বাজারে এমন কাজও করানো হয়েছে যা পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তারা তাদের চাকরী হারায় এবং তাদের পুনরায় গৃহস্থালী ও সেবামূলক কাজে নিয়োজিত হয়।[১০][১১][১২]

ফ্রান্স[সম্পাদনা]

ফরাসি ইতিহাসবেত্তাগণ এক ধরনের অভিনব কৌশল গ্রহণ করেছে। ফ্রান্সে নারী ও জেন্ডার শিক্ষা বিষয়ক প্রোগ্রাম বা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন আলাদা বিভাগ না থাকলেও নারী ও জেন্ডার ইতিহাস নিয়ে বিশদ গবেষণা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য একাডেমিকদের সামাজিক ইতিহাস ভিত্তিক গবেষণায় গৃহীত কৌশলও নারীর ইতিহাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। নারী ও জেন্ডার ইতিহাস নিয়ে বেশি মাত্রার গবেষণা ও প্রকাশনার কারণ হিসেবে ফরাসি সামজের উচ্চ আগ্রহকে দেখানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির ফলে ফ্রান্সে জেন্ডার ইতিহাস বিষয়ের গবেষণার ক্ষেত্রে বৈষম্যের হার পরিবর্তিত হচ্ছে এবং অনেক ফরাসি পণ্ডিতগণ ইউরোপের বাইরেও নিয়োগ খুঁজছেন।[১৩]

রাশিয়া[সম্পাদনা]

রাশিয়ায় নারীর ইতিহাস রচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে জারদের যুগ থেকে, এবং আলেক্সান্দ্‌র পুশকিন এর লেখার মাধ্যমে তা সকলের নজরে আসে। সোভিয়েত যুগে সমতার আদর্শে নারীবাদের সূচনা হয়, কিন্তু এর প্রয়োগে এবং গৃহের কার্যাবলিতে পুরুষদের কর্তৃত্ব প্রদর্শন করতে দেখা যেত।[১৪][১৫]

১৯৯০ এর দশকে নতুন সাপ্তাহিকী, বিশেষ করে কাসাসওডিসাস: ডায়লগ উইথ টাইম, অ্যাডাম অ্যান্ড ইভ" নারীর ইতিহাস এবং সাম্পতিককালে জেন্ডার ইতিহাস উস্কে দেয়। জেন্ডার মতবাদের বিকাশের ফলে নারীর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থান থেকে লিঙ্গ পার্থক্য ধারণায় নজর চলে আসে। জেন্ডার মতবাদের ইতিহাস লেখনীকে আরো গভীর বিতর্কের দিকে নিয়ে যায় এবং ব্যক্তিগত, স্থানীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসকে একত্রিত করে সাধারন একটি ইতিহাস রচনায় উদ্বুদ্ধ করে ।[১৬][১৭]

এশিয়া[সম্পাদনা]

এশিয়ার ইতিহাসে নারীর ভূমিকা অল্প, তবে বিশেষজ্ঞরা চীন, জাপান, ভারত, কোরিয়া ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী দেশের নারীদের অবদানের উপর জোর দিয়ে থাকেন।[১৮][১৯]

চীন[সম্পাদনা]

বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত কাজে বিপ্লবে নারীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, নারী মুক্তির পথ হিসেবে তাদের কর্মসংস্থান, নারীর উপর শোষণের উৎস হিসেবে কনফুসীয় ও পারিবারিক সংস্কৃতি লিপিবদ্ধ হয়। গ্রাম্য বিবাহ প্রথা, যেমন যৌতুক এখনো আগের মতই থাকলেও এর কিছু পরিবর্তনও এসেছে। যৌথ পরিবার ভেঙ্গে একক পরিবার গড়ে ওঠছে এবং বিবাহ চুক্তিতে নারীর এজেন্সি বাড়ছে।[২০] চীনে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় লিঙ্গ বিষয়ক তত্ত্বের উপর ইংরেজি ও চীনা ভাষার রচনায় প্রচুর নতুন তথ্য পাওয়া যায়।[২১][২২]

জাপান[সম্পাদনা]

জাপানী নারীদের ইতিহাস ঐতিহাসিক গবেষণায় উঠে আসে বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে। ১৯৪৫ সালের পূর্বে নারীর ইতিহাস নিয়ে কোন আলোচনা হয় নি, এমনকি এর পরেও অনেক জাপানী ইতিহাসবেত্তাগণ জাপানী ইতিহাসের অংশ হিসেবে নারীর ইতিহাসকে গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। ১৯৮০ এর দশকের নারীর প্রতি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে আসতে থাকে, জাপানী নারীর ইতিহাস লেখনের সুযোগ দেওয়া হয় এবং নারীর ইতিহাসকে একাডেমিক পাঠ্যক্রম হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ১৯৮০ এর দশকে নারীর ইতিহাসের উপর বেশ কিছু রোমাঞ্চকর ও নতুন গবেষণা করা হয়। এই গবেষণার বেশির ভাগই করেন একাডেমিক নারী ইতিহাসবেত্তাগণ। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী লেখক, সাংবাদিক, ও আনাড়ি ইতিহাসবেত্তাগণও এই ধরনের গবেষণা করেন। জাপানী নারীদের ইতিহাস শিক্ষা বর্তমানে প্রচলিত বিষয়সমূহের অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।[২৩]

বিষয়বস্তু[সম্পাদনা]

অধিকার ও সমতা[সম্পাদনা]

নারী অধিকার বলতে নারীর সামাজিক ও মানবিক অধিকারসমূহকে বোঝায়।

কর্মসংস্থান[সম্পাদনা]

১৮৭০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি প্রথম বিভিন্ন পেশায় জড়িত নারীদের সংখ্যা গণনা করে এবং নারীর ইতিহাসের চিত্র প্রকাশ করে। এতে দেখা যায় ভিক্টোরিয়ান যুগের সকল মার্কিন নারীরা তাদের মধ্যবিত্ত পরিবারে বা কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ ছিলেন না। মোট কর্মীর মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৫% (১২.৫ মিলিয়নের মধ্যে ১.৮ মিলিয়ন)। তাদের এক-তৃতীয়াংশ ফ্যাক্টরির কাজে নিয়োজিত ছিল এবং বাকিরা শিক্ষা দান, কাপড়বুনন, দর্জির কাজে নিয়োজিত ছিল। সে সময়ের দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষক ছিল নারী। তাদের মধ্যে লোহা ও ইস্পাতের কাজে ৪৯৫ জন, খনিতে ৪৬ জন, করাত-কলে ৩৫ জন, তেল কূপ ও শোধনাগারে ৪০ জন, গ্যাসের কাজে ৪ জন এবং কাঠকয়লার ভাঁটিতে ৫ জন, জাহাজের কাজে ১৬ জন, টিমস্টার হিসেবে ১৯৬ জন, তার্পিন তেল শ্রমিক হিসেবে ১৮৫ জন, পিতল শ্রমিক হিসেবে ১০২ জন, নুড়ি ও লেদমেশিন নির্মাতা হিসেবে ৮৪ জন, স্টক-হার্ডার হিসেবে ৪৫ জন, বন্দুক ও তালা মিস্ত্রী হিসেবে ৩৩ জন, শিকারী ও ফাঁদপাতার কাজে ২ জন নিয়োজিত ছিল। এছাড়া ৫ জন আইনজীবী, ২৪ জন দন্তবিদ, এবং ২,০০০ জন ডাক্তার ছিল।

ধর্ম[সম্পাদনা]

গত দুই শতাব্দীতে সমাজ পরিবর্তনের সাথে সাথে ইসলাম, ইহুদি, খ্রিস্টান, শিখ, ও হিন্দু ধর্মে নারী সম্পর্কিত মতের ভিন্নতা দেখা গেছে। চার্চে নারীদের ভূমিকা বেশির ভাগ ইতিহাসেই উপেক্ষা বা অস্বীকার করা হয়েছে।[২৪][২৫][২৬]

বিবাহের বয়স[সম্পাদনা]

নারীর বিবাহের বয়স সমাজে তাদের অবস্থান বোঝাতে একটি মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নারীর বিবাহের বয়স অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে। কারণ যে দেশে নারীর বিবাহের বয়স বেশি সে দেশের নারীরা অধিক সময় মানব সম্পদ হিসেবে অর্থনীতিতে ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশ্বে নারীদের বিবাহের বয়সের গড় বাড়ছে। যাই হোক, মেক্সিকো, চীন, মিশর, রাশিয়ায় নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির হার জাপানের তুলনায় স্বল্প।[২৭]

মহামন্দা[সম্পাদনা]

আধুনিক বিশ্ব মহামন্দা ছড়িয়ে পড়লে পুরুষদের বেকারত্ব, দারিদ্র, ও পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতার প্রয়োজনে নারীদের উপর চাপ সৃষ্টি হয়। নারীদের প্রাথমিক দায়িত্ব ছিল গৃহস্থালীর কাজ করা। পারিবারিক আয়ের কোন নির্দিষ্ট উৎস না থাকায় নারীদেরও খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করতে হয়। পরিবারের ভরণপোষণের দিকে নজর দিতে গিয়ে সন্তান না নেওয়ায় প্রায় সব স্থানে জন্মহার কমতে থাকে। ১৪ টি বড় দেশে জন্মহারের গড় কমে দাড়ায় ১২%, যেখানে ১৯৩০ সালে প্রতি হাজারে জন্ম হার ছিল ১৯.৩% তা ১৯৩৫ সালে ১৭% নেমে আসে।[২৮] কানাডায় অর্ধেকের বেশি রোমান ক্যাথলিক নারী চার্চের শিক্ষাকে অমান্য করে এবং জন্মহার রুখতে গর্ভনিরোধক ব্যবহার করে।[২৯]

যুদ্ধবিগ্রহ[সম্পাদনা]

যুদ্ধবিগ্রহে সবসময় নারীরা লাঞ্ছিত হয়েছে এবং অন্যদের তাদেরকে আশ্রয় ও সহয়তা প্রদান করতে হয়েছে।[৩০][৩১][৩২] বিংশ শতাব্দীতে নারীদের গৃহস্থালীর কাজের বাইরেও যুদ্ধের সহায়তামূলক কাজ, যেমন যুদ্ধের উপকরণ প্রস্তুতকারী, পুরুষদের স্থলে সেবামূলক কাজ, সেবিকা, এমনকি সেনা দলেও কাজ করতে হয়েছে।[৩৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Nancy Rose Hunt, "Placing African women's history and locating gender." Social. History (1989) 14#3, 359-379.
  2. Penelope Hetherington, "Women in South Africa: the historiography in English." International Journal of African Historical Studies 26#2 (1993): 241-269.
  3. Kathleen Sheldon, Historical dictionary of women in Sub-Saharan Africa (Scarecrow press, 2005).
  4. Catherine Coquery-Vidrovitch, African Women: A Modern History (1997)
  5. ; M.J. Hay and Sharon Stitcher, Women in Africa South Of the Sahara (1995).
  6. Bolanle Awe, Nigerian women in historical perspective (IbDn: Sankore, 1992).
  7. Elizabeth A. Eldredge, "Women in production: the economic role of women in nineteenth-century Lesotho." Signs 16.4 (1991): 707–731. in JSTOR
  8. Kathleen Sheldon, 'Women's History: Africa" in Kelly Boyd, ed. (১৯৯৯)। Encyclopedia of Historians and Historical Writing, vol 2। Taylor & Francis। পৃ: 1308–11। 
  9. Gaines M. Foster, Ghosts of the Confederacy: Defeat, the Lost Cause and the Emergence of the New South, 1865-1913 (1985) p 30.
  10. Schwarzkopf, Jutta "Women's History: Europe" in Boyd, Kelly ed. (১৯৯৯)। Encyclopedia of Historians and Historical Writing, vol 2। Taylor & Francis। পৃ: 1316–18। 
  11. Karen Offen, Ruth Roach Pierson, and Jane Rendall, eds (1991). Writing Women's History: International Perspectives. covers 17 countries including Austria, Denmark, East Germany, Greece, the Netherlands, Norway, Spain, Sweden, Switzerland and Yugoslavia.
  12. Offen, Karen M. (2000). European feminisms, 1700-1950: a political history. Stanford University Press.
  13. Thébaud, Françoise (2007)। "Writing Women's and Gender History in France: A National Narrative?" Journal of Women's History, Vol. 19 Issue 1, pp. 167–172.
  14. Clements, Barbara Evans (2012), "A History of Women in Russia: From Earliest Times to the Present"।
  15. Pushkareva, Natalia (1997), "Women in Russian History: From the Tenth to the Twentieth Century"।
  16. Repina, Lorina (2006), "Gender studies in Russian historiography in the nineteen‐nineties and early twenty‐first century." Historical Research 79.204: 270-286.
  17. Edmondson, Linda (2001), "Gender in Russian History & Culture".
  18. Dorothy Ko, "Women's History: Asia" in Kelly Boyd, ed. (১৯৯৯)। Encyclopedia of Historians and Historical Writing, vol 2। Taylor & Francis। পৃ: 1312–15। 
  19. Danke K. Li (2014), "Teaching The History of Women in China and Japan: Challenges and Sources." ASIANetwork Exchange: A Journal for Asian Studies in the Liberal Arts 21#2.
  20. Hershatter, Gail (2007), Women in China's Long Twentieth Century
  21. Gail Hershatter, and Zheng Wang, "Chinese History: A Useful Category of Gender Analysis," American Historical Review, Dec 2008, Vol. 113 Issue 5, pp 1404-1421
  22. Wang, Shou (2006) “The ‘New Social History’ in China: The Development of Women’s History.” The History Teacher. 39#3: 315–323
  23. Hiroko Tomida, "The Evolution Of Japanese Women's Historiography," Japan Forum, July 1996, Vol. 8 Issue 2, pp 189-203
  24. Blevins, Carolyn DeArmond, Women in Christian History: A Bibliography. Macon, Georgia: Mercer Univ Press, 1995. আইএসবিএন ০-৮৬৫৫৪-৪৯৩-X
  25. Ursula King, "A question of identity: Women scholars and the study of religion." Religion and Gender (1995): 219–244.
  26. Amy Hollywood, "Gender, agency, and the divine in religious historiography." Journal of Religion 84.4 (2004): 514–528.
  27. Baten, Jörg (২০১৬)। A History of the Global Economy. From 1500 to the Present.। Cambridge University Press। পৃ: ২৪২f। আইএসবিএন 9781107507180 
  28. W.S. Woytinsky and E.S. World population and production: trends and outlook (1953) p 148.
  29. Denyse Baillargeon, Making Do: Women, Family and Home in Montreal during the Great Depression (Wilfrid Laurier University Press, 1999), p. 159.
  30. ইসলাম, উদিসা (ডিসেম্বর ১৫, ২০১৫)। "মুক্তিযুদ্ধে নারীর ইতিহাস কেবলই নির্যাতনের!"বাংলা ট্রিবিউন। সংগৃহীত ৮ মার্চ, ২০১৭ 
  31. Jean Bethe Elshtain, Women and War (1995)
  32. Jean Bethe Elshtain and Sheila Tobias, eds., Women, Militarism, and War (1990)
  33. Bernard Cook, ed, Women and War: Historical Encyclopedia from Antiquity to the Present (2 vol, 2006)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]