বিষয়বস্তুতে চলুন

সারাসেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
১৫শ শতকের শেষ দিকে জার্মান কাঠ খোদাই চিত্রে সরাসেনদের চিত্রণ

সরাসেন (/ˈsærəsən/ SARR-ə-sən) শব্দটি গ্রিক ও লাতিন ভাষায় ৫ম থেকে ১৫শ শতকের মধ্যে ব্যবহৃত হতো। এটি প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা নির্ধারিত আরাবিয়া পেত্রেয়া এবং আরাবিয়া দেসের্তার আশপাশে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হতো।[][][] সময়ের সাথে সাথে শব্দটির অর্থে পরিবর্তন আসে। প্রারম্ভিক মধ্যযুগে, এই শব্দটি আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন গোত্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।[]

"সরাসেন" শব্দটি ইসলাম সম্পর্কিত প্রসঙ্গে প্রথম ব্যবহারের প্রাচীনতম উল্লেখ ৭ম শতকের গ্রিক ভাষায় রচিত খ্রিস্টান রচনাবলী Doctrina Jacobi-তে পাওয়া যায়। এই লেখায় রাশিদুন খিলাফতের উত্থানের পর লেভান্ত অঞ্চলে মুসলিম বিজয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা আলোচনা করা হয়েছে।[] মধ্যযুগে রোমান ক্যাথলিক গির্জা এবং ইউরোপীয় খ্রিস্টান নেতারা মুসলমানদের বর্ণনার জন্য এই শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতেন।

১২শ শতকের মধ্যে, "সরাসেন" শব্দটির অর্থ আরও বিস্তৃত হয় এবং এটি ইসলাম, নিকট প্রাচ্যআব্বাসীয় খিলাফতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জাতি ও সংস্কৃতিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হতে থাকে। এই অর্থবিস্তারের সূচনা আরও আগেই বাইজান্টাইন গ্রিকদের লেখায় দেখা যায়, যেমন ৮ম শতকের দলিলপত্রে "সরাসেন" শব্দটি "মুসলিম" শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।[][][] ১৬শ শতাব্দীর আগে পশ্চিমা ভাষাগুলিতে সাধারণভাবে "সরাসেন" শব্দটি মুসলমানদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। তখন "মুসলিম" ও "ইসলাম" শব্দগুলির ব্যবহার ছিল খুবই সীমিত ও বিচ্ছিন্ন।[]

আবিষ্কারের যুগের পর "সরাসেন" শব্দটি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং এর পরিবর্তে "মুসলিম" শব্দের প্রচলন বাড়ে।

প্রাথমিক ব্যবহার ও উৎপত্তি

[সম্পাদনা]

লাতিন শব্দ Saraceni-এর মূল অর্থ নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। কেউ কেউ মনে করেন, এটি সেমিটিক ত্রাক্ষরমূল šrq (অর্থ "পূর্ব") এবং šrkt (অর্থ "গোত্র" বা "সম্মিলন") থেকে উদ্ভূত।[][১০] আরেকটি মত অনুসারে, এটি সেমিটিক মূল srq থেকে এসেছে, যার অর্থ "চুরি করা" বা "দস্যুতা", বিশেষ করে আরবি sāriq (আরবি: سارق) অর্থাৎ "চোর", যার বহুবচন sāriqīn (سارقين)।[১১] দামেস্কের লেখক হামাদ বিন কানান আল-সালহি (আরবি: محمد بن كَنّان الصالحي) তার Levantine Diary গ্রন্থে (১৬৯৯–১৭৪০) sarkan শব্দটি ব্যবহার করেন সামরিক অভিযানের জন্য নিকট প্রাচ্য থেকে অটোমান শাসিত দক্ষিণ ইউরোপের অঞ্চল যেমন সাইপ্রাসরোডস অভিমুখে যাত্রা বোঝাতে।[১২]

টলেমির ২য় শতকের গ্রন্থ Geography-এ Sarakēnḗ (প্রাচীন গ্রিক: Σαρακηνή) নামে সিনাই উপদ্বীপের উত্তরের একটি অঞ্চল উল্লেখ করা হয়েছে।[][] তিনি Sarakēnoí (প্রাচীন গ্রিক: οἱ Σαρακηνοί) নামক এক জনগোষ্ঠীরও উল্লেখ করেন, যারা আরব উপদ্বীপের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বাস করত, সিনাইয়ের প্রতিবেশী।[][] ইউসেবিয়াস তার Ecclesiastical History গ্রন্থে পোপ ডায়োনিসিয়াসের একটি চিঠির উদ্ধৃতি দেন, যেখানে রোমান সম্রাট ডেসিয়াসের অধীনে খ্রিস্টান নিপীড়নের সময় 'সার্কেনোই' নামে এক বর্বর জাতি দ্বারা আরব পর্বতে অনেককে দাস বানানোর কথা বলা হয়েছে।[][] Historia Augusta গ্রন্থেও ১৯৩ খ্রিস্টাব্দে পেসকেনিয়াস নিগারের সেনাদলের উপর Saraceni কর্তৃক আক্রমণের কথা বলা হয়েছে, যদিও তাদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়নি।[১৩]

রোমের হিপোলিটাস এবং উরানিয়াস প্রথম তৃতীয় শতাব্দীতে আরব ভূখণ্ডে তিনটি ভিন্ন জনগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করেন: Taeni, Saraceni এবং Arabes[][] Taeni পরে তাইয়্যি গোত্রের সঙ্গে সনাক্ত হয়, যারা খাইবারইউফ্রেটিস পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে বসবাস করত। তাদের উত্তরে Saraceni বসবাস করত।[][] উত্তর হিজাজে বসবাসরত এই সরাসেনরা ছিল যুদ্ধক্ষম ও রোমানদের প্রতিপক্ষ। রোমানরা তাদের বর্বরজাতি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করত।[][]

সরাসেনদের equites (অশ্বারোহী সৈন্য) হিসেবে ফিনিশিয়াথমূদের সঙ্গে সম্পর্কিত করা হয়েছে।[১৪][১৫][১৬] ডায়োক্লেটিয়ানের সিরীয় মরুভূমির অভিযানে পরাজিত শত্রুদের এক দস্তাবেজে সরাসেনদের উল্লেখ রয়েছে। ৪র্থ শতকের সামরিক দলিলপত্রে আরবদের নাম না থাকলেও, Saracen নামে পরিচিত কিছু গোষ্ঠীর উল্লেখ পাওয়া যায়, যারা মেসোপটেমিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং সাসানীয় ও রোমান উভয় পক্ষেই যুদ্ধ করত।[১৪][১৫][১৬][১৭] থিওডোসিয়াস I-এর সময়কার রোমান প্রশাসনিক দলিল Notitia Dignitatum-এ সরাসেনদের রোমান সেনাবাহিনীর পৃথক ইউনিট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, এবং তাদের আরবদের থেকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।[১৮]

মধ্যযুগে শব্দটির ব্যবহার

[সম্পাদনা]
ক্যাথলিক বর্ণনায় saracene শব্দের ব্যবহার: জুলিয়াস শ্নর ফন ক্যারোসফেল্ড কর্তৃক চিত্রিত, "Attacco delle navi saracene" শীর্ষক গির্জার ছাদের চিত্রকর্ম (১৮২২–২৭)

পঞ্চম শতকের গোড়ার দিকেই ইহুদি ও খ্রিস্টান লেখকরা সরাসেনদের আরবদের সঙ্গে সমতুল্য হিসেবে উল্লেখ করতে শুরু করেন। ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলামি বংশানুক্রমিক চিন্তায় কখনো কখনো সরাসেনদের ইসমায়েলীয়দের (অর্থাৎ ইব্রাহিম নবীর প্রথম পুত্র ইসমায়েল-এর বংশধর) সঙ্গে যুক্ত করা হতো। জেরোম (মৃত্যু: ৪২০ খ্রিস্টাব্দ)-এর লেখায় প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় যে, ইসমায়েলীয়রা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের "সরাসেন" নামে অভিহিত করতে চেয়েছিল, যাতে তারা ইব্রাহিমের "মুক্ত" স্ত্রী সারার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করতে পারে; "হাগারীয়" নামে পরিচিত হলে তারা হাজেরার দাসত্বের পরিচয় পেত।[১৯] এই ধারণাটি মধ্যযুগে জনপ্রিয় হলেও মূলত নতুন নিয়মের গালাতীয়দের প্রতি পত্র-এ পলের রূপকধারণা থেকে উদ্ভূত, ইতিহাসভিত্তিক নয়। "সরাসেন" নামটি স্থানীয় জনগণের নয়, বরং গ্রিক-রোমান ঐতিহাসিকরা গ্রিক স্থাননাম অনুসারে এদের এই নামে অভিহিত করতেন।[][]

মধ্যযুগ অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লাতিন পশ্চিমে এই শব্দটির ব্যবহার পরিবর্তিত হয়, কিন্তু এটি প্রধানত খ্রিস্টধর্মের প্রতিপক্ষদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো।[২০] ৮ম শতকের একটি ধর্মীয় সমালোচনামূলক রচনায় আরব সন্ন্যাসী দামেস্কের জন সরাসেনদের "ভ্রান্ত" নবীর অনুসারী এবং "খ্রিস্টবিরোধীর অগ্রদূত" হিসেবে উল্লেখ করেন, এবং তাদের নাম ইসমায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করেন।[২১][২২]

১২শ শতকের মধ্যে, ইউরোপীয়রা "সরাসেন" শব্দটি জাতিগত ও ধর্মীয় উভয় পরিচয়ের জন্য ব্যবহার করতে শুরু করে।[][২৩] মধ্যযুগীয় সাহিত্যে সরাসেনদের সাধারণভাবে মুসলমান হিসেবে চিহ্নিত করা হতো এবং তাদেরকে গায়ের রংয়ে গাঢ় হিসেবে বর্ণনা করা হতো, যেখানে খ্রিস্টানরা হতো হালকা ত্বকের। The King of Tars নামক মধ্যযুগীয় কাব্যে এর উদাহরণ পাওয়া যায়।[২৪][২৫] পুরাতন ফরাসি বীরত্বগাথা The Song of Roland-এ সরাসেনদের একমাত্র ভিন্ন বৈশিষ্ট্য হিসেবে তাদের কৃষ্ণাঙ্গত্বকে উল্লেখ করা হয়েছে।[২৬]

১৮শ শতক পর্যন্ত পশ্চিমে "সরাসেন" শব্দটি "মুসলিম" শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আবিষ্কারের যুগ শুরুর পর এটি ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে এবং ১৬শ শতক থেকে "মোহাম্মদান" (Mohammedan) শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হতে থাকে। এরপর "সরাসেন" শব্দটির ব্যবহার কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সীমিত হয়ে পড়ে, যেমন ইন্দো-সরাসেন স্থাপত্য শব্দবন্ধে, এবং পরে এটি পুরোপুরি অপ্রচলিত হয়ে যায়।

ওয়িল্টশায়ার অঞ্চলের উপভাষায় "সারসেন" শব্দটি অমুসলিম বা বহির্শক্তি অর্থে ব্যবহৃত হতো, এবং সেখান থেকেই "সারসেন স্টোন" (সারসেন) শব্দের উৎপত্তি, যা স্টোনহেঞ্জের নির্মাণে ব্যবহৃত পাথর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।[২৭]

মধ্যযুগীয় বিনোদনে ব্যবহার: ক্রুসেড ধারাবাহিকতা

[সম্পাদনা]
Renaud de Montauban কাব্যে মাউজিস ও সরাসেন নাইরোঁর মধ্যে যুদ্ধ; আঁকাঃ ডেভিড অবের, ব্রুজ, ১৪৬২–৭০

পুরাতন ফরাসি ছন্দযুক্ত ক্রুসেড ধারাবাহিকতা গল্পগুলো মধ্যযুগীয় ফ্রান্স, অক্সিতানিয়া ও আইবেরিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। ১২শ শতকের শেষ দিকে শুরু হওয়া এসব কাহিনিতে আন্তিওকেরজেরুজালেমের অবরোধের ঘটনাবলি, যুদ্ধদৃশ্য, কষ্টভোগ এবং সরাসেনদের লুণ্ঠনের বর্ণনা দেওয়া হয়। এতে সরাসেনদের মৃদ্র গিলাফ, স্বর্ণালংকার ও সূক্ষ্ম কারুকাজ করা তাঁবুর বর্ণনাও থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সরাসেন নেতা করবারানের তাঁবু সম্পর্কে একটি কাব্যিক বর্ণনা:

তাঁবুটি ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ, ঝলমলে সিল্কে আচ্ছাদিত,

ঘাসের উপর ছড়ানো ছিল সবুজ অলংকৃত রেশম,

ফল ও পশুপাখির নিপুণ নকশায় কাটা কাপড়ে আবৃত।

তাঁবু বাঁধা ছিল রেশমি দড়ি দিয়ে,

আর ভিতরের কাঁথাটি ছিল মসৃণ, উজ্জ্বল ‘সামিত’ কাপড়ে সেলাই করা।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 Daniel 1979, পৃ. 53।
  2. 1 2 3 4 5 6 7 8 Retsö 2003, পৃ. 505।
  3. 1 2 3 4 5 6 7 8 Retsö 2003, পৃ. 506।
  4. "Saracen"Britannica Concise EncyclopediaCambridge University Press। ২০১২। ১৬ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০১২
  5. Déroche, Vincent; Dagron, Gilbert (১৯৯১)। Doctrina Jacobi nuper Baptizati, 'Juifs et chrétiens dans l'Orient du VIIe siècle' (Edition of the Greek text with French translation সংস্করণ)। পৃ. ১৭–২৪৮।; Kirby, Peter। "External references to Islam"External References to Islam। ২৯ এপ্রিল ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  6. Kahf 1999, পৃ. 181।
  7. Retsö 2003, পৃ. 96।
  8. Tolan, John V. (২০০২)। Saracens: Islam in the Medieval European ImaginationColumbia University Press। পৃ. ১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৩১-৫০৬৪৬-৫
  9. Macdonald 2009
  10. Toral-Niehoff, Isabel। "Saraca"। Cancik, Hubert; Schneider, Helmuth; Salazar, Christine F.; Orton, David E. (সম্পাদকগণ)। Brill's New Pauly: Encyclopaedia of the Ancient World। খণ্ড ১৪। Brill Publishers। পৃ. ১১৫৮। ডিওআই:10.1163/1574-9347_bnp_e1101160
  11. Shahîd, Irfan (১৯৮৪)। Rome and the Arabs: A Prolegomenon to the Study of Byzantium and the ArabsDumbarton Oaks। পৃ. ১২৫। আইএসবিএন ০৮৮৪০২১১৫৭
  12. "الحوادث اليومية من تاريخ أحد عشر وألف ومية" [The Chronicles of Ash-Sham"]Yawmiat Shamiyya (Chronicles of Ash-Sham) (আরবি ভাষায়)। The Daily Events As of 1111 Hijri / 1699 CE। ১৫ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৮{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
  13. Retsö 2003, পৃ. 457।
  14. 1 2 Retsö 2003, পৃ. 464।
  15. 1 2 Retsö 2003, পৃ. 465।
  16. 1 2 Retsö 2003, পৃ. 466।
  17. Retsö 2003, পৃ. 517।
  18. Retsö 2003, পৃ. 464–466।
  19. Rubenstein, Jay (২০১১)। Armies of Heaven: The First Crusade and the Quest for ApocalypseBasic Books। পৃ. ১২১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৬৫-০১৯২৯-৮
  20. Daniel 1979, পৃ. 246।
  21. Damascene, John (২৮ এপ্রিল ২০১২)। "The Fount of Knowledge" (পিডিএফ)Gotiska Ärkestiftet av de Sanna ortodoxt kristna। Warwick, G. N. কর্তৃক অনূদিত। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৮
  22. Chase, Frederic (১৯৫৮)। Writings (The Fathers of the Church, vol. 37)। Catholic University of America Press। পৃ. ১৫৩–১৬০। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১৩২০০৩৭৮...They are also called Saracens, which is derived from Sarras kenoi, or destitute of Sara... {{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য)
  23. Heng 2012, পৃ. 334।
  24. Heng 2012, পৃ. 231।
  25. Heng 2012, পৃ. 422।
  26. Kahf 1999, পৃ. 31।
  27. Bruce Bedlam The stones of Stonehenge ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩০ অক্টোবর ২০২২ তারিখে