সামরিক প্রযুক্তি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

সামরিক প্রযুক্তি হচ্ছে প্রযুক্তির এমন একটি শাখা যা যুদ্ধক্ষেএে ব্যবহার করা হয় । এই প্রযুক্তি শুধু সামরিক বাহিনীর জন্য তৈরী করা হয়,বেসামরিক লোক এগুলো ব্যবহার করতে পারে না ৷ কারণ সাধারন নাগরিক জীবনে এগুলোর কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, তাছাড়া যথাযথ সামরিক প্রশিক্ষণ ব্যতীত এটি বিপজ্জনক ৷

তবে কিছু কিছু ক্ষেএে সামরিক প্রযুক্তির সামান্য পরিবতনের মাধ্যমে বেসামরিক ক্ষেএে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত করে তোলা হয়েছে, এমনকি বেসামরিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনও সামরিক ক্ষেএেও ব্যবহার করা হয় ৷

বিশেষভাবে সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য সামরিক প্রযুক্তি প্রায়শই প্রকৌশলী এবং বিজ্ঞানীদের দ্বারা গবেষণা এবং উন্নত করা হয় । গবেষণাক্ষেএে সামরিক তহবিেরল ফলে অনেক নতুন নতুন প্রযুক্তি তৈরী হচ্ছে ৷

অস্ত্র প্রকৌশল হচ্ছে সামরিক অস্ত্র ও সিস্টেমের নকশা, উন্নয়ন, পরীক্ষা এবং সামরিক অস্ত্র ও সিস্টেমের ব্যবস্থাপনা। এটি যান্ত্রিক প্রকৌশল, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকাট্রনিক্স, ইলেক্ট্রো-অপটিক্স, মহাকাশ প্রকৌশল, উপকরণ প্রকৌশল এবং রাসায়নিক প্রকৌশল সহ বিভিন্ন প্রথাগত প্রকৌশল বিভাগের জ্ঞান নিয়ে সৃষ্ট প্রকৌশল শাখা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই বিভাগটি সামরিক প্রযুক্তিকে প্রভাবিত করেছে এমন সব বিস্তৃত প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে (প্রাচীনকাল থেকে) ।

প্রাচীন প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

সম্ভবত প্যালিওথেলিক যুগ থেকে সবপ্রথম পাথরের তৈরী অস্এ ব্যবহার শুরু হয়েছিল ৷ প্রাচীনতম পাথর সরঞ্জাম 3.3 মিলিয়ন বছর আগে ডেটিং, তুর্কানা, লোমেকভি অঞ্চল থেকে হয় ৷পাথরের তৈরী সরঞ্জামাদীর ব্যাপক পরিবতন হয়েছিল প্যালিস্টোসেন যুগে (যা ১২০০০ বছর আগে শেষ হয়েছে) ৷ দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধের প্রাচীনতম প্রমাণ পাওয়া যায়, তুর্কানার নাইটুকু অঞ্চলে (যা কেনিয়ায় অবস্থিত),যেখানে মারাত্নক আঘাত প্রাপ্ত মাথা,ঘাড়,পাজড়,হাটু,হাত এমনকি মাথার খুলির মধ্যে এমবিডেড অবসিডিয়ান ফলক পাওয়া গেছে,যা ১০০০০ বছর আগে শিকারীদের মধ্যে আন্ত-গোষ্ঠীয় সংঘষের প্রমাণ৷


মানুষ ব্রোঞ্জ যুগে প্রবেশ করেছে, যখন তারা তামা গলিয়ে তার সাথে টিন মিশ্রিত করে অস্এ বানানো শিখেছিল ৷


পোস্ট ক্ল্যাসিকেল প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

আধুনিক প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

সৈন্যবাহিনী[সম্পাদনা]

দ্য ইসলামিক গানপাউডার এম্প্যায়র অসংখ্য উন্নত আগ্নেয়াস্ত, কামান,ছোট আগ্নেয়াস্ত তৈরী করেছিল ৷প্রোটো -শিল্পায়নের যুগে নতুন আবিস্কৃত অস্এ গুলোর ব্যবহার দেখা গিয়েছিল মোঘলে (ভারতীয় উপ-মহাদেশে) ৷

আধুনিকোত্তর প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

The postmodern stage of military technology emerged in the 1940s, And one with recognition thanks to the high priority given during the war to scientific and engineering research and development regarding nuclear weapons, radar, jet engines, proximity fuses, advanced submarines, aircraft carriers, and other weapons. The high-priority continues into the 21st century.[20] It involves the military application of advanced scientific research regarding nuclear weapons, jet engines, ballistic and guided missiles, radar, biological warfare, and the use of electronics, computers and softwar

মহাকাশ[সম্পাদনা]

যুদ্ধের সময়, পৃথিবীর দুই পরাশক্তিধর দেশ (সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা) তাদের জিডিপির অনেক বড় অংশ সামরিক প্রযুক্তির উন্নয়নে খরচ করেছিল ৷তারা পৃথিবীর কক্ষপথে কৃএিম উপগ্রহ স্থাপনের জন্য তোড়জোড় গবেষণা শুরু করেছিল ৷ 1957 সালে, ইউএসএসআর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ (স্পুটনিক 1)উৎক্ষেপন করেছিল।

By the end of the 1960s, both countries regularly deployed satellites. Spy satellites were used by militaries to take accurate pictures of their rivals' military installations. As time passed the resolution and accuracy of orbital reconnaissance alarmed both sides of the iron curtain. Both the United States and the Soviet Union began to develop anti-satellite weapons to blind or destroy each other's satellites. Laser weapons, kamikaze style satellites, as well as orbital nuclear explosion were researched with varying levels of success. Spy satellites were, and continue to be, used to monitor the dismantling of military assets in accordance with arms control treaties signed between the two superpowers. To use spy satellites in such a manner is often referred to in treaties as "national technical means of verification".

1960 এর দশকের শেষ নাগাদ থেকে, উভয় দেশই নিয়মিত উপগ্রহ স্থাপন করছে। স্পাই স্যাটেলাইটগুলি তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীর সামরিক স্থাপনার সঠিক ছবি নিতে সামরিক বাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত হয়। সময় পাস পাশাপাশি কক্ষপথে reconnaissance রেজল্যুশন এবং সঠিকতা লোহার পর্দা উভয় পক্ষের alarmed। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ই একে অপরের উপগ্রহকে ধ্বংস বা ধ্বংস করার জন্য এন্টি স্যাটেলাইট অস্ত্র তৈরী করছে। লেজার অস্ত্র, কামিকাযা স্টাইল উপগ্রহ, পাশাপাশি কক্ষপথ পারমাণবিক বিস্ফোরণের সাফল্যের বিভিন্ন স্তরের সাথে গবেষণা করা হয়। স্পাই উপগ্রহগুলি দুটি মহাপরিচালকদের মধ্যে স্বাক্ষরিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি অনুযায়ী সামরিক সম্পদ ভাঙার নিরীক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং অবিরত থাকে। এই ধরনের উপায়ে গুপ্তচর উপগ্রহ ব্যবহার করার জন্য প্রায়ই "জাতীয় যাচাইয়ের জাতীয় প্রযুক্তিগত মাধ্যম" হিসাবে স্বীকৃত হয়।

The superpowers developed ballistic missiles to enable them to use nuclear weaponry across great distances. As rocket science developed, the range of missiles increased and intercontinental ballistic missiles (ICBM) were created, which could strike virtually any target on Earth in a timeframe measured in minutes rather than hours or days. In order to cover large distances ballistic missiles are usually launched into sub-orbital spaceflight.

মহাশক্তিধররা ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলি বিকশিত করেছেন যাতে তারা মহান পার্শ্ব জুড়ে পরমাণু অস্ত্রোপচার ব্যবহার করতে সক্ষম হয়। রকেট বিজ্ঞান উন্নত হিসাবে, ক্ষেপণাস্ত্র পরিসীমা বৃদ্ধি এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) তৈরি করা হয়েছিল, যা ঘণ্টা বা দিনের পরিবর্তে কয়েক মিনিটের মধ্যে মাপা একটি সময়সীমার মধ্যে কার্যত কোন লক্ষ্য আঘাত করতে পারে। বৃহত্তর দূরত্ব আবরণ করার জন্য ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলি সাধারণত উপ-কক্ষপথের মহাকাশযানগুলিতে চালু হয়।

যখন থেকে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বিকশিত হচ্ছে, তখন থেকে সামরিক পরিকল্পনাকারীরা তাদের কার্যকারিতা মোকাবেলা করার জন্য প্রোগ্রাম এবং কৌশল শুরু করেছে।

মোভিলাইজেশন[সম্পাদনা]

প্রতিরক্ষা[সম্পাদনা]

ফরটিফিকেশন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেএে প্রতিরক্ষার জন্য ভবনের নকশা তৈরী এবং নিমাণ করা । এগুলো আকৃতিতে এবং স্থায়িত্বে গ্রেট ওয়াল অব চায়না থেকে সাংগারের মতো হতে পারে ৷

সেন্সরস এবং কমিউনিকেশন্স[সম্পাদনা]

সেন্সর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা শত্রুদের সনাক্ত করা, সশস্ত্র বাহিনীর অপারেশনের সমন্বয় সাধন এবং অস্ত্র একজায়গা থেকে আরেকজায়গায় নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রারম্ভিক সিস্টেম পতাকা সংকেত, টেলিগ্রাফ এবং হিলিওগ্রাফ সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ভবীষৎ প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের  একটি সংস্থা, যেটি সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের জন্য নতুন প্রযুক্তির তৈরী করে। DARPA যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রযুক্তির উন্নয়নে নেতৃত্ব দেয় এবং তাদের বতমানে কয়েকটি চলমান প্রকল্প রয়েছে,যেগুলো হচ্ছ humanoid রোবট তৈরী করা,   বুলেট তৈরী করা যে তাদের লক্ষ্য পৌঁছানোর আগে পথ পরিবর্তন করতে পারবে। চীনেও একটি অনুরূপ সংস্থা আছে।

বহিগমন অঞল[সম্পাদনা]

সাইবারস্পেস[সম্পাদনা]

2011 সালে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ সাইবারস্পেসকে যুদ্ধের একটি নতুন ডোমেন ঘহিসেবে ঘোষণা করেছিল; তারপরে থেকে DARPA নতুন প্রযুক্তি তৈরির লক্ষ্যে "Project X" নামে পরিচিত একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করেছে যা সরকারকে সাইবার অঞ্চলকে আরও ভালভাবে বুঝতে এবং কতৃত্ব নিতে সক্ষম করবে। প্রতিরক্ষা বিভাগকে গতিশীল নেটওয়ার্কের পরিবেশে বড় আকারের সাইবার মিশন পরিকল্পনা এবং পরিচালনা করার ক্ষমতা প্রদান করাই হচ্ছে সাইবারস্পেস সম্পকিত প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য ৷

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্য সূত্র[সম্পাদনা]

  1. Wescott, David (1999). Primitive Technology: A Book of Earth Skills. Layton, UT: Society of Primitive Technology, Gibbs Smith. p. 60. ISBN 978-0-87905-911-8
  2. . Lahr, M. Mirazón; Rivera, F.; Power, R. K.; Mounier, A.; Copsey, B.; Crivellaro, F.; Edung, J. E.; Fernandez, J. M. Maillo; Kiarie, C. (2016). "Inter-group violence among early Holocene hunter-gatherers of West Turkana, Kenya". Nature. 529 (7586): 394–398. doi:10.1038/nature16477 (https://doi.org/10.1038%2Fnature16 477). PMID 26791728 (https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/26791728).
  3. . Iron In Africa: Revising The History : Unesco (http://portal.unesco.org/en/ev.phpURL_ID=3432&URL_DO=DO_PRINTPAGE&URL_SECTION=201.html). Portal.unesco.org. Retrieved on 2014-11-20.
  4. Tucker, Spencer (2010). A Global Chronology of Conflict. Santa Barbara, CA: ABC-CLIO, LLC. pp. 6–7. ISBN 978-1-85109-672-5.
  5. "Teachers' Guide for Military Technology" (http://depts.washington.edu/chinaciv/t[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] g/tmiltech.pdf) (PDF). 2001-11-26: 1. Retrieved 2014-11-20.
  6. . Ping-Yü, with the collaboration of Ho; Gwei-Djen, Lu; Ling, Wang (1986). Science and Civilization in China. The Gunpowder Epic (https://books.google.com/books/ about/Science_and_Civilisation_in_China_Volume.html?id=hNcZJ35dIyUC) (1. publ. ed.). Cambridge: Cambridge U.P . ISBN 9780521303583. Retrieved 20 November 2014.
  7. . Needham, Volume 5, Part 7, 224–225.
  8. Gwei-Djen, Lu; Joseph Needham; Phan Chi-Hsing (July 1988). "The Oldest Representation of a Bombard". Technology and Culture. 29 (3): 594–605. doi:10.2307/3105275 (https://doi.org/10.2307%2F3105275). JSTOR 3105275 (ht tps://www.jstor.org/stable/3105275).
  9. Partington, J.R. (1960). A History of Greek Fire and gunpowder (https://books.go[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] ogle.com/books/about/The_Cambridge_Illustrated_History_of_Chi.html?id=sHGd q4rLSTEC) (Johns Hopkins paperback ed.). Cambridge: Heffer. p. 211. ISBN 9780801859540. Retrieved 20 November 2014.
  10. "Missiles mainstay of Pak's N-arsenal" (http://articles.timesofindia.indiatimes.co[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] m/2008-04-21/india/27784965_1_cruise-missile-missile-program-hatf-viii). The Times of India. 21 April 2008. Retrieved 2011-08-30.
  11. Max Boot, War made new: technology, warfare, and the course of history, 1500 to today (Penguin, 2006).
  12. B.H. Liddell Hart, "Armed Forces in the Art of War: Armies", in J.P .T. Bury, ed., The New Cambridge Modern History: volume X: The Zenith of European Power 1830-70 (1967), 302-330
  13. Michael Lewis, "Armed Forces in the Art of War: Navies", in J.P .T. Bury, ed., The New Cambridge Modern History: Volume X: The Zenith of European Power 1830-70 (1967), 274-301.
  14. David K. Brown, Warrior to Dreadnought: Warship Development 1860– 1905(2003).
  15. Michael Howard, "The armed forces." In F.H. Hinsley, ed. ‘’The new Cambridge modern history: volume XI: 1870-1898" (1962) pp 204–42.
  16. John Sumida, In Defence of Naval Supremacy: Finance, Technology, and British Naval Policy 1889-1914 Naval Institute Press, 2014.
  17. McBride, William M. (1992). "'The Greatest Patron of Science'?: The NavyAcademia Alliance and US Naval Research, 1896-1923". Journal of Military History. 56 (1): 7. doi:10.2307/1985709 (https://doi.org/10.2307%2F1985709). JSTOR 1985709 (https://www.jstor.org/stable/1985709).
  18. Jeffrey, Thomas E. (2016). "'Commodore' Edison Joins the Navy: Thomas Alva Edison and the Naval Consulting Board". Journal of Military History. 80 (2): 411– 46.
  19. L.F. Haber, The poisonous cloud: chemical warfare in the First World War (Oxford UP ,1986 ).
  20. Harry Bondy, "Postmodernism and the source of military strength in the Anglo West." Armed Forces & Society 31#1 (2004): 31-61.
  21. Richard S. Friedman and Bill Gunston, Advanced Technology Warfare: A Detailed Study of the Latest Weapons and Techniques for Warfare Today and into the 21st Century (1985).
  22. Everett Mendelsohn, Merritt Roe Smith, and Peter Weingart, eds. Science, technology and the military (Springer Science & Business Media, 2013).
  23. Pellerin, Cheryl. "DARPA's Plan X Uses New Technologies to 'See' Cyber Effects" (http://www.defense.gov/news/newsarticle.aspx?id=122455). America Forces Press Service. US Department of Defense. Retrieved 21 November 2014.

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Andrade, Tonio. The Gunpowder Age: China, military innovation, and the rise of the West in world history (Princeton UP,2016).
  • Boot, Max. War made new: technology, warfare, and the course of history, 1500 to today (Penguin, 2006).
  • Dupuy, Trevor N. The evolution of weapons and warfare (1984), 350pp, cover 2000 BC to late 20th century.
  • Ellis, John. The Social History of the Machine Gun (1986).
  • Gabriel, Richard A., and Karen S. Metz. From Sumer to Rome: The Military capabilities of ancient armies (ABCCLIO, 1991).
  • Hacker, Barton (2005). "The Machines of War: Western Military Technology 1850–2000". History & Technology. 21 (3): 255–300. doi:10.1080/07341510500198669 (https://doi.org/10.1080%2F07341510500198669).
  • Levy, Jack S (1984). "The offensive/defensive balance of military technology: A theoretical and historical analysis". International Studies Quarterly. 28 (2): 219–238. doi:10.2307/2600696 (https://doi.org/10.2307%2F260 0696). JSTOR 2600696 (https://www.jstor.org/stable/2600696).
  • McNeill, William H. The Pursuit of Power: Technology, Armed Force, and Society since A.D. 1000 (1984).
  • Parker, Geoffrey. The Military Revolution: Military Innovation and the Rise of the West (1988).
  • Steele, Brett D. and Tamara Dorland. Heirs of Archimedes: Science & the Art of War through the Age of Enlightenment (2005) 397 pp.