সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ, খুলনা
| সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ | |
|---|---|
| অবস্থান | |
খালিশপুর, খুলনা | |
| তথ্য | |
| প্রাক্তন নাম |
|
| ধরন | মহাবিদ্যালয় |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৬৯ |
| প্রতিষ্ঠাতা | আবু সুফিয়ান (বীর প্রতীক) |
| বিদ্যালয় জেলা | খুলনা |
| ইআইআইএন | ১১৭১০৯ |
| ক্যাম্পাসের ধরন | স্থায়ী |
| অন্তর্ভুক্তি | যশোর শিক্ষা বোর্ড জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |
সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ (ইংরেজি: Govt. Hazi Muhammad Muhsin College, Khulna) বাংলাদেশের খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত একটি সরকারি মহাবিদ্যালয়। এটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৩ সালে সরকারিকরণ করা হয়।[১] কলেজটি বর্তমানে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালনা করে।
অবস্থান
[সম্পাদনা]সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজের ক্যাম্পাস খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠাতালগ্নে কলেজটির ক্যাম্পাস দৌলতপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে খালিশপুরের বর্তমান অবস্থানে কলেজটি স্থানান্তর করা হয়।
ক্যম্পাস
[সম্পাদনা]কলেজটির ক্যাম্পাস ৪.৬৪১২ একর জমির উপর অবস্থিত। [২]কলেজটিতে ১টি চারতলা ও ১টি দ্বিতল একাডেমিক ভবন। এছাড়া, কলেজটিতে ১টি দ্বিতল ভবন লাইব্রেরি ভবন রয়েছে। লাইব্রেরিতে ৫৮৯০টি বই সংখ্যা রয়েছে। [২]কলেজটিতে ১টি দ্বিতল ভবন প্রশাসনিক ভবন ও ১টি দ্বিতল মসজিদ ভবন রয়েছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৬৯ সালে আবু সুফিয়ানের (বীরপ্রতীক) নেতৃত্বে ও প্রস্তাবে খুলনার দৌলতপুরে মুহসিন নাইট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[৩] ইব্রাহীম হোসেন, শেখ নেছার উদ্দীন (সাবেক চেয়ারম্যান), কাজী সফি উদ্দীন, আলী আকবর বিশ্বাস, ডাঃ আবুল কাশেম, আলী আশরাফ (সাবেক চেয়ারম্যান), মিনা সামসুর রহমান কলেজটির প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।[৩][২] হাজী মুহাম্মদ মহসিনের নামে কলেজটির নামকরণ করা হয়। কলেজটিতে আবু সুফিয়ান ভাইস-প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। [৪]আবু সুফিয়ানের মৃত্যুর পর, কলেজটি খালিশপুরের বর্তমানে ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৭৬ সালে হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ নামকরণ করা হয়।[৩]
কলেজটি ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই, উচ্চমাধ্যমিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৭০ সালের ১ জুলাই, স্নাতক (পাস) এবং ২০০৫ সালে স্নাতক (সম্মান) অধিভুক্তি লাভ করে।
২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠাতা আবু সুফিয়ানের স্ত্রী এবং তৎকালীন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান কলেজের সভাপতি মনোনীত হন। [৩]
২০১১ সালের ৫ মার্চ, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কলেজটিকে সরকারি হিসেবে ঘোষণা করেন। ২০১৩ সালের ১৪ মে, কলেজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারিকরণ করা হয়।[৩]তখন থেকে কলেজটির নাম সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ, খুলনা।
শিক্ষা-কার্যক্রম
[সম্পাদনা]সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান, বাণিজ্য, ও মানবিক বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক পাঠদান করে। কলেজটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পাস কোর্স ও ৬ টি বিষয়ে অনার্স কোর্স, ৪ টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে।
বিভাগ
[সম্পাদনা]বর্তমানে কলেজটিতে ৬টি বিভাগ রয়েছে।
- হিসাববিজ্ঞান বিভাগ (মাস্টার্স রয়েছে)
- ব্যবস্থাপনা বিভাগ (মাস্টার্স রয়েছে)
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ (মাস্টার্স রয়েছে)
- সমাজকর্ম বিভাগ (মাস্টার্স রয়েছে)
- অর্থনীতি বিভাগ
- ইসলাম শিক্ষা বিভাগ
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "মুহসিন কলেজ, খালিশপুর, খুলনা"। School college listing.com।
- 1 2 3 "Govt. Hazi Muhammad Muhsin College - Khulna"। PetaLokasi (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 একাডেমিক ক্যালেন্ডার, উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি (২০১৯-২০) সরকারি হাজি মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ, খুলনা।
- ↑ সুফিয়ান, বেগম মন্নুজান (২৮ ডিসেম্বর ২০২১)। "শ্রমিকনেতা অধ্যাপক সুফিয়ান ছিলেন শ্রমিকের প্রাণ"। dhakapost.com। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫।