সমুদ্র সৈকত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইংল্যান্ডের ডোর্সেট অঞ্চলের বালুকাময় ও নুড়িময় ম্যান ও’আর কোভ সমুদ্র সৈকত।

সমুদ্র সৈকত বা সৈকত হচ্ছে এক প্রকার ভূ-তাত্ত্বিক স্থলভাগ, যা কোনো জলভাগের পার্শ্বে গড়ে ওঠে। কিন্তু হ্রদ বা হাওড় ধরনের জলাশয়ের পার্শ্বে গড়ে ওঠা স্থলভাগকে সৈকত হিসেবে ধরা হয় না। এটি শুধুমাত্র সমুদ্রের পার্শ্ববর্তী স্থলভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এটি সাধারণত আলগা জড়পদার্থ, যেমন: শিলা, নুড়ি, বালু, কাকর প্রভৃতি বস্তু দিয়ে তৈরি হয়। কিছু ক্ষেত্রে জীববস্তুর মাধ্যমে সৈকত গঠিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রাণীর খোলস, কোরাল প্রভৃতি।

বুনো সৈকত বলতে সেসকল সৈকতকে বোঝানো হয়, যেগুলোতে কোনো লাইফগার্ডের অস্তিত্ব নেই, বা কোনো কিছু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত হয় না; যেমন: হোটেল বা রিসোর্ট। এ ধরনের সৈকতকে মাঝে মাজে স্বীকৃতিহীন, অনুন্নত, অসংজ্ঞায়িত, বা অনাবিস্কৃত সৈকত হিসেবে অভিহিত করা হয়। বুনো সৈকত তাদের অস্পৃশ্য সৌন্দর্য, ও সংরক্ষিত প্রকৃতির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ও মূল্যবান। এগুলো সচারচর তুলনামূলকভাবে কম উন্নত স্থানগুলোতে দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে আছে পুয়ের্টো রিকো, থাইল্যান্ড, ও ইন্দোনেশিয়া

দেখা যায় যে, যেসকল স্থানে বাতাসের প্রবাহ ও মহাসাগরীয় স্রোত কার্যকর হয়, সেসকল স্থানেই ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সমুদ্র সৈকতের সৃষ্টি হয়।

অবস্থান এবং প্রোফাইল[সম্পাদনা]

সৈকত অঞ্চল

যদিও সমুদ্রতীর সাধারণত সমুদ্র সৈকত শব্দের সাথে যুক্ত, তথাপি সৈকতগুলি হ্রদ এবং বড় নদীরে আশেপাশেও পাওয়া যায়।

সমুদ্র সৈকতকে নিম্নোক্তভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে:

  • এমন একটি ছোট প্রক্রিয়া যেখানে শিলা উপাদান ঢেউ এবং স্রোতের শক্তি দ্বারা উপকূলাভিমুখী, সমুদ্রতীর হতে দূরে বা সমুদ্রতীরে চলে যায়; বা
  • উল্লেখযোগ্য আকারের ভূতাত্ত্বিক একক।

ক্ষয় এবং বৃদ্ধি[সম্পাদনা]

প্রাকৃতিক ক্ষয় এবং বৃদ্ধি[সম্পাদনা]

কারণসমূহ[সম্পাদনা]

সৈকতের আকার আকৃতি প্রধানত পানি এবং বাতাসের গতিবিধি দ্বারা পরিবর্তিত হয়ে থাকে। কর্দমাক্ত বা দ্রুত প্রবাহিত জল বা উচ্চ বাতাসের মতো আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট ঘটনা সমুদ্রতীরের ক্ষয়সাধন করতে পারে।

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Bascom, W. 1980. Waves and Beaches. Anchor Press/Doubleday, Garden City, New York.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]