সংবার্ড
| সংবার্ড সময়গত পরিসীমা: প্রাক ইয়োসিন থেকে বর্তমান | |
|---|---|
| পূবালি হলুদ রবিন (Eopsaltria australis) | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | প্রাণী |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| শ্রেণী: | পাখি |
| বর্গ: | প্যাসারিফর্মিস |
| উপবর্গ: | Passeri |
সংবার্ড হলে এক ধরনের পাখি যা পার্চিং পাখির (প্যাসারিফর্মিস) ক্ল্যাড পাসেরির অন্তর্গত। অসিন হলো এদের অন্য একটি নাম, যেটাকে কখনও কখনও বৈজ্ঞানিক বা দেশীয় নাম হিসাবে দেখা হয়। অসিন শব্দটি ল্যাটিন শব্দ গায়কপাখি বা ওসিন হতে এসেছে। এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ৫০০০ বা তার চেয়েও বেশি প্রজাতি [১][২] সারা বিশ্ব জুড়ে পাওয়া গেছে, যার মধ্যে এদের প্রত্যেকেরই ভোকাল অঙ্গটি সাধারণত এমনভাবে বিকশিত হয়েছে যাতে একটি বিচিত্র এবং বিস্তৃত সুর তৈরি করা যায়।
সংবার্ডগুলো প্রচলিত পার্চিং পাখির দুটি প্রধান বংশের মধ্যে একটি, অন্য বংশটি হলো তিরান্নি, যা নিওট্রপিক্সে সবচেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং বিশ্বের অনেক জায়গাতেই অনুপস্থিত। তিরান্নির একটি সরল সিরিঞ্জের পেশী রয়েছে এবং তাদের কণ্ঠস্বর সংবার্ডের মতো জটিল ও আকর্ষণীয় হলেও তা পুরোপুরি যান্ত্রিক শোনায়। একটি পার্চিং পাখির তৃতীয় বংশও রয়েছে, নিউজিল্যান্ডের অ্যাকানথিসিটি, যার মধ্যে আজ কেবল দুটি প্রজাতিই জীবিত রয়েছে।[৩] কিছু প্রমাণ থেকে জানা যায় যে গন্ডোওয়ানার অংশে, প্রায় পাঁচ কোটি বছর আগে সংবার্ডগুলোর উৎপত্তি হয়েছিল যা পরবর্তীকালে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নিউ গিনি এবং অ্যান্টার্কটিকায় ছড়িয়ে পড়ে।[৪][৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ IOC World Bird List 5.1। ডিওআই:10.14344/IOC.ML.5.1।
- ↑ Edwards, Scott V. and John Harshman. 2013. Passeriformes. Perching Birds, Passerine Birds. Version 06 February 2013 (under construction). http://tolweb.org/Passeriformes/15868/2013.02.06 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩১ অক্টোবর ২০২২ তারিখে in The Tree of Life Web Project, http://tolweb.org/[Accessed[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] 2017/12/11].
- ↑ Barker, F. K; Cibois, A; Schikler, P; Feinstein, J; Cracraft, J (২০০৪)। "Phylogeny and diversification of the largest avian radiation"। Proceedings of the National Academy of Sciences। ১০১ (30): ১১০৪০–৫। বিবকোড:2004PNAS..10111040B। ডিওআই:10.1073/pnas.0401892101। জেস্টোর 3372849। পিএমসি 503738। পিএমআইডি 15263073।
- ↑ Low, T. (২০১৪), Where Song Began: Australia's Birds and How They Changed the World, Tyre: Penguin Australia[পৃষ্ঠা নম্বর প্রয়োজন]
- ↑ Reilly, John (২০১৮)। The Ascent of Birds। Pelagic Publishing। পৃ. ১৮২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৭৮৪২৭-২০৩-৬।