শিনজো আবে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শিনজো আবে

安倍 晋三
Shinzō Abe 20120501.jpg
জাপানের ৯৬তম প্রধানমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২৬শে ডিসেম্বর ২০১২ – ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
সার্বভৌম শাসকনারুহিতো আকিহিতো
ডেপুটিতারো আসো
পূর্বসূরীইয়োশিহিকো নোদা
উত্তরসূরীইয়োশিহিদে সুগা
কাজের মেয়াদ
২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ – ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭
সার্বভৌম শাসকআকিহিতো
পূর্বসূরীজুনিচিরো কোইযুমি
উত্তরসূরীইয়াসুও ফুকুদা
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (জাপান) এর প্রেসিডেন্ট
কাজের মেয়াদ
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ – ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
ডেপুটিমাসাহিকো কোমুরা
পূর্বসূরীসাদাকাজু তানিগাকি
উত্তরসূরীইয়োশিহিদে সুগা
কাজের মেয়াদ
২০ সেপ্টেম্বর ২০০৬ – ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭
পূর্বসূরীজুনিচিরো কোইযুমি
উত্তরসূরীইয়াসুও ফুকুদা
চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি
কাজের মেয়াদ
৩১ অক্টোবর ২০০৫ – ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬
প্রধানমন্ত্রীজুনিচিরো কোইযুমি
পূর্বসূরীহিরোইউকি হোসোদা
উত্তরসূরীইয়াসুহিসা শিওজাকি
হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (জাপান) এর সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০ অক্টোবর ১৯৯৬ – ৮ জুলাই ২০২২
পূর্বসূরীনতুন নির্বাচনী এলাকা
সংসদীয় এলাকা
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মনিহোঙ্গো
(১৯৫৪-০৯-২১)২১ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪
টোকিও, জাপান
মৃত্যু৮ জুলাই ২০২২(2022-07-08) (বয়স ৬৭)
মৃত্যুর কারণগুলিবিদ্ধ
জাতীয়তাজাপানিজ
রাজনৈতিক দললিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (জাপান)
দাম্পত্য সঙ্গীআকিয়ে মাতসুজাকি
বাসস্থানকান্তেই
প্রাক্তন শিক্ষার্থী

শিনজো আবে (জাপানি: 安倍晋三 আবে শিঞ্জৌ; ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ – ৮ জুলাই, ২০২২[১]) একজন জাপানি রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি ২০০৬-২০০৭ সালে এবং ২০১২ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২] ২০২২ সালে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তিনি জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

২০১৩ সালে আবে জাপানের সংসদে এক ঘোষণাতে বলেন যে জাপানের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জিবীত করা ও ইয়েনের মানের অবনতি ঠেকানো জাপানের জন্য "সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী বিষয়।" [৩] তার দেয়া অর্থনৈতিক কৌশল ইংরেজিতে অ্যাবেনমিকস (Abenomics) নামে পরিচিতি পেয়েছে। এটি তিনটি "তীর" নিয়ে তৈরি একটি নীতি। প্রথম তীর হল ২% মুদ্রাস্ফীতি অর্জন, দ্বিতীয়টি হল সংক্ষিপ্ত মেয়াদের জন্য অর্থনীতিকে চাঙা করার জন্য এবং পরবর্তীতে বাজেটে উদ্বৃত্ত অর্জনের জন্য একটি পরিবর্তনীয় আর্থিক নীতি এবং তৃতীয়টি হল দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধির জন্য বেসরকারী খাতে বিনিয়োগ ও কাঠামোগত সংস্কার।[৪] ২০২০ সালের ২৮শে আগস্ট শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি পদত্যাগ ঘোষণা করেন ।[৫]

হত্যাকাণ্ড[সম্পাদনা]

হাউস অফ কাউন্সিলর নির্বাচনের দুই দিন আগে নারাতে প্রচারাভিযানের বক্তৃতা দেওয়ার সময় ৮ জুলাই ২০২২-এ জাপান মান সময় সকাল ১১:৩০ টায় আবেকে হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর হৃদ ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বলে জানা যায় এবং গুলি করবার পর অবিলম্বে এর কোনো উল্লেখযোগ্য লক্ষণ দেখা যায় নি।[৬] অভিযুক্ত শুটার ৪১ বছর বয়সী ইয়ামাগামি তেতসুয়াকে মেট্রোপলিটন পুলিশ হত্যা চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে।[৭] একই দিন দুপুরে নারা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আবে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ নিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আবে হলেন ষষ্ঠ সাবেক জাপানি প্রধানমন্ত্রী যিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন।[৮][৯][১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাঁচানো গেলো না শিনজো আবেকে বাংলা ট্রিবিউন
  2. https://www.bbc.com/news/world-asia-54172461
  3. Abe, Shinzo (জানুয়ারি ২৮, ২০১৩)। Policy Speech (Speech)। Diet of Japan, 183rd Session। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৬, ২০১৫ 
  4. Abe, Shinzo (ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৩)। Japan is Back (Speech)। CSIS। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৬, ২০১৫ 
  5. https://www.bbc.com/news/amp/world-asia-53943758
  6. "Former Japanese PM Shinzo Abe 'showing no vital signs' after attack"South China Morning Post 
  7. "Former Japanese PM Abe Shinzo shot in Nara, man in his 40s arrested"NHK World News -- Japan। NHK Broadcasting। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০২২ 
  8. "安倍晋三元首相死亡 奈良県で演説中に銃で撃たれる"NHK (Japanese ভাষায়)। Tokyo, Japan। ৮ জুলাই ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০২২ 
  9. Takahara, Kanako; Otake, Tomoko; Martin, Alex K. T. (৮ জুলাই ২০২২)। "Former Prime Minister Shinzo Abe dies after being shot in Nara"The Japan Times। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০২২ 
  10. "Shinzo Abe: Japan ex-PM shot dead at campaign event"BBC News (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২২-০৭-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৭-০৮