লেসলি চ্যান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লেসলি চ্যান
Leslie Chan in 2013 at the CERN Workshop on Innovations in Scholarly Communication (OAI8).jpg
লেসলি চ্যান (২০১৩)
জন্ম১৯৫৯
জাতীয়তাকানাডিয়
পেশাঅধ্যাপনা
কর্মজীবন১৯৮৭–বর্তমান
ওয়েবসাইটটরন্টো স্কার্বার্গ বিশ্ববিদ্যালয়/লেসলি চ্যান

লেসলি চ্যান হলেন উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার কার্যে জড়িত একজন কর্মী। বর্তমানে তিনি টরন্টো স্কার্বার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমে বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।[১]

জীবনী[সম্পাদনা]

চ্যান ১৯৫৯ সালে হংকংয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ১৬ বছর বয়সে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে কানাডায় চলে যান।[২] তিনি নৃবিজ্ঞানে ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তিনি তার গবেষণাটি প্রকাশিত হওয়ার সময় অ্যাকাডেমিক প্রকাশনা নিয়ে সমস্যার সম্মুখিন হন এবং সেগুলোর সমাধানকল্পে বিকল্প পথের সন্ধান শুরু করেন।

কাজ[সম্পাদনা]

চ্যান উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার আন্দোলনের একজন সমর্থক।[৩] তিনি বুদাপেস্ট ওপেন অ্যাক্সেস ইনিশিয়েটিভে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যেও একজন।

বায়োলাইন ইন্টারন্যাশনাল[সম্পাদনা]

চ্যান ১৯৯৩ সালে বায়োলাইন ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেন।[৪] বায়োলাইন ইন্টারন্যাশনাল হলো পণ্ডিত সমাজের প্রকাশনা বিষয়ক সমন্বিত সংঘের একটি অলাভজনক সংগঠন যেটি উন্নয়নশীল দেশগুলিতে প্রকাশিত জার্নালগুলি উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার পদ্ধতিতে ব্যবহার করার বিষয়ে প্রচেষ্টা চালায়। চ্যান বিশ্বাস করেন যে জার্নালগুলিতে উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রবেশাধিকার প্রয়োজন।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Leslie Chan, University of Toronto at Scarborough" [লেসলি চ্যান, টরন্টো স্কার্বার্গ বিশ্ববিদ্যালয়]। utsc.utoronto.ca (ইংরেজি ভাষায়)। টরন্টো স্কার্বার্গ বিশ্ববিদ্যালয়। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০১৮ 
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; চ্যান নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  3. "In defence of Open Access systems" [ওপেন অ্যাক্সেস সিস্টেমের প্রতিরক্ষা] (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য হিন্দু। ৩১ ডিসেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০১৮ 
  4. Masum, Hassan (৪ অক্টোবর ২০১২)। "Insider Views of Collaborative R&D for Health: Q&A with Leslie Chan - Center for Global Health R&D Policy Assessment"healthresearchpolicy.orgResults for Development Institute। ১৭ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৩ 
  5. Chan, Leslie; Kirsop, Barbara; Arunachalam, Subbiah (১৭ জানুয়ারি ২০১১)। "Withdrawal of journal access is a wake-up call for researchers in the developing world | Speaking of Medicine"blogs.plos.org। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]