লি জুং-হিউন
লি জুং-হিউন | |
|---|---|
২০১৮ সালে লি জুং-হিউন | |
| জন্ম | লি জুং-হিউন ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০ গিমজে, উত্তর জিওলা প্রদেশ, দক্ষিণ কোরিয়া |
| অন্যান্য নাম | আভা, হায়নি |
| মাতৃশিক্ষায়তন | জুং-আং বিশ্ববিদ্যালয়[১] |
| পেশা | অভিনেত্রী, কণ্ঠশিল্পী |
| কর্মজীবন | ১৯৯৬–বর্তমান |
| দাম্পত্য সঙ্গী | অজানা ব্যক্ত (বিয়ে. ২০১৯) |
| সন্তান | ১ |
| সঙ্গীত কর্মজীবন | |
| ধরন | কে-পপ, ইউরোডান্স, টেক্নো, ট্রান্স, ইলেক্ট্রোপপ |
| বাদ্যযন্ত্র | কণ্ঠ |
| লেবেল | বানানা কালচার |
| ওয়েবসাইট | withava.kr |
| কোরীয় নাম | |
| হাঙ্গুল | 이정현 |
| হাঞ্জা | 李貞賢 |
| সংশোধিত রোমানীকরণ | I Jeong-hyeon |
| ম্যাক্কিউন-রাইশাওয়া | Yi Chŏnghyŏn |
লি জুং-হিউন (জন্ম ৭ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮০) একজন দক্ষিণ কোরীয় অভিনেত্রী ও পপ তারকা। তার অভিনীত প্রথম ছবিটি ছিলো বিভিন্ন পুরস্কারজয়ী, আর সেটি থেকেই তার অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তার সূত্রপাত হয়। তিনি কণ্ঠশিল্পী হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক কে-পপ তারকাদের মধ্যে অন্যতম। তাকে "টেকনো সঙ্গীতের রানী" বলে আখ্যায়িত করা হয়, কারণ তিনিই দক্ষিণ কোরিয়াতে সর্বপ্রথম টেকনো সঙ্গীতের প্রচলন করেন। তাকে "রূপান্তরের রানী"ও বলা হয়। [২][৩] প্রত্যেক গানে তিনি নতুন রূপে আবির্ভূত হন, যার কারণে তিনি চীনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন কোরীয় নতুন ধারা হিসেবে (যা হাল্যিউ নামে পরিচিত)। [৪][৫]
২০২০ সালে, লি নানজির ভূমিকায় অভিনয় করে চীনা সিরিজ কনফুসিয়াসের মাধ্যমে তার অভিনয়ের অগ্রগতি পুনরুদ্ধার করেন। ২০১১ সালে, লি পার্ক চ্যান-উক এবং পার্ক চ্যান-কিয়ং-এর পুরস্কার বিজয়ী ফ্যান্টাসি শর্ট ফিল্ম নাইট ফিশিং-এ একটি শামান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যা সম্পূর্ণরূপে একটি আইফোনে শুট করা হয়েছিল। [৬][৭] নাইট ফিশিং ২০১১ বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য স্বর্ণ ভল্লুক জিতেন। ২০১২ সালে, লি আসছে-যুগের ফিল্ম জুভেনাইল অফেন্ডারে একজন একক মা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন,[৮] যেটি টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ফিচার জিতেছিল। 2014 সালের ব্লকবাস্টার দ্য অ্যাডমিরাল: রোরিং কারেন্টস -এ তিনি পরবর্তী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, প্রধান কাস্টে একমাত্র মহিলা চরিত্র হিসেবে। লি এসবিএস-এর নাটক দ্য ফ্যামিলি ইজ কামিং -এ টেলিভিশনে ফিরে আসেন। [৯]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Lee Jung-hyun, graduating in 9 years, Yoo Ji-tae "I've got my Master""। Hancinema। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ "'변신여왕' 이정현, 이번엔 '정열의 세뇨리따'"। Sports Chosun (কোরীয় ভাষায়)। ২৮ জুন ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২০।
- ↑ Yoon, Ilsang। "컨셉의 여왕, 이정현" (কোরীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২০।
- ↑ Kim, Ji-soo (১ আগস্ট ২০১৩)। "Lee back as 'zombie' bride"। The Korea Rimes। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২০।
- ↑ Kim, Ki dong (৯ জুলাই ২০১৭)। "[중국사람 이야기 18] 한류 이야기 ③ 가수 이정현의 '중국 성공' 비결은 '궁상각치우'"। OhmyNews (কোরীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২০।
- ↑ "Park Chan-wook collaborates on iPhone short to get theatrical launch"। Screen Daily। ১১ জানুয়ারি ২০১১।
- ↑ "'Arirang' making local premiere at digital film fest"। The Korea Times। ১৬ আগস্ট ২০১১।
- ↑ "Lee Jung-hyun to make big screen comeback in new Korean film"। 10Asia। ২২ নভেম্বর ২০১১। ১৬ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২।
- ↑ "'Here Comes Family' PD Reveals Reasons Behind Casting Choices"। Mwave। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪। ৩০ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২।