বিষয়বস্তুতে চলুন

লি জুং-হিউন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লি জুং-হিউন
২০১৮ সালে লি জুং-হিউন
জন্ম
লি জুং-হিউন

(1980-02-07) ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০ (বয়স ৪৪)
গিমজে, উত্তর জিওলা প্রদেশ, দক্ষিণ কোরিয়া
অন্যান্য নামআভা, হায়নি
মাতৃশিক্ষায়তনজুং-আং বিশ্ববিদ্যালয়[১]
পেশাঅভিনেত্রী, কণ্ঠশিল্পী
কর্মজীবন১৯৯৬–বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীঅজানা ব্যক্ত (বিয়ে. ২০১৯)
সন্তান
সঙ্গীত কর্মজীবন
ধরনকে-পপ, ইউরোডান্স, টেক্নো, ট্রান্স, ইলেক্ট্রোপপ
বাদ্যযন্ত্রকণ্ঠ
লেবেলবানানা কালচার
ওয়েবসাইটwithava.kr
কোরীয় নাম
হাঙ্গুল
হাঞ্জা
সংশোধিত রোমানীকরণI Jeong-hyeon
ম্যাক্কিউন-রাইশাওয়াYi Chŏnghyŏn

লি জুং-হিউন (জন্ম ৭ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮০) একজন দক্ষিণ কোরীয় অভিনেত্রী ও পপ তারকা। তার অভিনীত প্রথম ছবিটি ছিলো বিভিন্ন পুরস্কারজয়ী, আর সেটি থেকেই তার অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তার সূত্রপাত হয়। তিনি কন্ঠশিল্পী হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক কে-পপ তারকাদের মধ্যে অন্যতম। তাকে "টেকনো সঙ্গীতের রানী" বলে আখ্যায়িত করা হয়, কারণ তিনিই দক্ষিণ কোরিয়াতে সর্বপ্রথম টেকনো সঙ্গীতের প্রচলন করেন। তাকে "রূপান্তরের রানী"ও বলা হয়। [২][৩] প্রত্যেক গানে তিনি নতুন রূপে আবির্ভূত হন, যার কারণে তিনি চীনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন কোরীয় নতুন ধারা হিসেবে (যা হাল্যিউ নামে পরিচিত)। [৪][৫]

২০২০ সালে, লি নানজির ভূমিকায় অভিনয় করে চীনা সিরিজ কনফুসিয়াসের মাধ্যমে তার অভিনয়ের অগ্রগতি পুনরুদ্ধার করেন। ২০১১ সালে, লি পার্ক চ্যান-উক এবং পার্ক চ্যান-কিয়ং-এর পুরস্কার বিজয়ী ফ্যান্টাসি শর্ট ফিল্ম নাইট ফিশিং-এ একটি শামান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যা সম্পূর্ণরূপে একটি আইফোনে শুট করা হয়েছিল। [৬] [৭] নাইট ফিশিং ২০১১ বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য স্বর্ণ ভল্লুক জিতেন। ২০১২ সালে, লি আসছে-যুগের ফিল্ম জুভেনাইল অফেন্ডারে একজন একক মা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন,[৮] যেটি টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ফিচার জিতেছিল। 2014 সালের ব্লকবাস্টার দ্য অ্যাডমিরাল: রোরিং কারেন্টস -এ তিনি পরবর্তী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, প্রধান কাস্টে একমাত্র মহিলা চরিত্র হিসেবে। লি এসবিএস-এর নাটক দ্য ফ্যামিলি ইজ কামিং -এ টেলিভিশনে ফিরে আসেন। [৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Lee Jung-hyun, graduating in 9 years, Yoo Ji-tae "I've got my Master""Hancinema। ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০০৯। 
  2. "'변신여왕' 이정현, 이번엔 '정열의 세뇨리따'"Sports Chosun (কোরীয় ভাষায়)। ২০০৪-০৬-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-২১ 
  3. Yoon, Ilsang। "컨셉의 여왕, 이정현" (কোরীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-২১ 
  4. Kim, Ji-soo (২০১৩-০৮-০১)। "Lee back as 'zombie' bride"The Korea Rimes। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-২১ 
  5. Kim, Ki dong (২০১৭-০৭-০৯)। "[중국사람 이야기 18] 한류 이야기 ③ 가수 이정현의 '중국 성공' 비결은 '궁상각치우'"OhmyNews (কোরীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-২১ 
  6. "Park Chan-wook collaborates on iPhone short to get theatrical launch"Screen Daily। জানুয়ারি ১১, ২০১১। 
  7. "'Arirang' making local premiere at digital film fest"The Korea Times। ১৬ আগস্ট ২০১১। 
  8. "Lee Jung-hyun to make big screen comeback in new Korean film"10Asia। নভেম্বর ২২, ২০১১। জুন ১৬, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৪, ২০২২ 
  9. "'Here Comes Family' PD Reveals Reasons Behind Casting Choices"Mwave। ডিসেম্বর ৩০, ২০১৪। মার্চ ৩০, ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৪, ২০২২