লরেন বুথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লরেন বুথ
জন্ম
সারাহ জানে বুথ

(1967-07-22) ২২ জুলাই ১৯৬৭ (বয়স ৫২)
অন্যান্য নামসারাহ বুথ[১]
পেশাসাংবাদিক, সম্প্রচারক, পাবলিক স্পিকার
দাম্পত্য সঙ্গী
  • ক্রেইগ ডার্বি (বি. ২০০০; বিচ্ছেদ. ২০১০)
  • সোহেল আহমেদ (বি. ২০১২)
সন্তান
পিতা-মাতা
আত্মীয়চেরি ব্লেয়ার (সৎ বোন)

হলি ডার্বি (মেয়ে)

ওয়েবসাইটwww.laurenbooth.co.uk

সারা জেন বুথ (জন্ম: ২২ জুলাই ১৯৬৭; যিনি লরেন বুথ নামে পরিচিত) হচ্ছেন একজন ইংরেজি সম্প্রচারক, সাংবাদিক এবং সক্রিয়তাবাদী ব্যক্তি।[২]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

লরেন বুথ ২২ জুলাই ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডের লন্ডনের ইসলিংটনে জন্মগ্রহণ করেন এবং বেড়ে উঠেছিলেন। তিনি চেরি ব্লেয়ারের (প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী) সৎ বোন এবং অভিনেতা টনি বুথের ষষ্ঠ কন্যা। তিনি লন্ডন একাডেমি অফ পারফর্মিং আর্টসে অভিনেত্রী হিসাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে পরে বিভিন্ন আঞ্চলিক থিয়েটার সংস্থার সাথে বেশ কয়েক বছর ইউরোপ ভ্রমণ করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

লরেন বুথ ১৯৯৭ সালে সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন। তার লন্ডন সান্ধ্য স্ট্যান্ডার্ডের সাথে অভিজ্ঞতাগুলো প্রথম লেখার 'টাউন সম্পর্কে' কলামটিতে লিখেছিলেন। ১৯৯৯ সালে তিনি নিউ স্টেটসম্যান, রাজনৈতিক ম্যাগাজিনের হয়ে লেখতে শুরু করেছিলেন, যেখানে তিনি চার বছর কাজ করেছিলেন। একই সাথে তিনি দ্যা মেইল সানডেতে কলামিস্ট হিসাবে কাজ করেন। [৩] বুথ নিউ স্টেটসম্যান [৪] এবংদ্যা মেইল সানডের লেখক ছিলেন। দ্যা মেইল সানডের কলামিস্ট থাকাকালীন তাকে ২০০৫ সালে ফিলিস্তিনে নির্বাচনের রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য প্রেরণ করা হয়েছিল।[৫]

২০০৬ সালে তিনি আইটিভির আই এম সেলিব্রিটি , গেট্ মে আউট অফ হেয়ার রিয়েলিটি শো'র আয়োজক ছিলেন। তিনি উত্থাপিত অর্থ ইন্টারপালে (ফিলিস্তিনি ত্রাণ ও উন্নয়ন তহবিল) দান করেন।[৬]

২০০৬ থেকে ২০০৮ সালে বুথ যুক্তরাজ্যের ইসলাম চ্যানেলে ফোকাস উপস্থাপন করেন।[৩] ইরানের মালিকানাধীন প্রেস টিভির সাথে তার দীর্ঘ সম্পর্ক ছিল ২০০৮ সালেদ্যা হেডলাইসের মাধ্যমে যা শুরু হয়েছিল।[৩]

২০১৪ সালে তিনি ব্রিটিশ মুসলিম টিভিতে নিজের সিরিজ উপস্থাপন করেন, যার নাম টকিং বুথ। ২০১৪ সালে তিনি দোহার আল জাজিরায় সিনিয়র প্রযোজক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি একজন স্পষ্টবাদী কর্মী এবং স্টপ দ্য ওয়ার কোয়ালিশনের সমর্থক।[৭] ২০০৮ সালের আগস্টে তিনি সাইপ্রাস থেকে জাহাজে আরও ৪৬ জন কর্মী নিয়ে গাজা ভ্রমণ করেছিলেন।[৮] গাজা উপত্যকায় অবরোধ তুলে ধরে এবং গাজার বধিরদের জন্য একটি বিদ্যালয়ে শ্রবণ সহায়তা এবং বেলুন সরবরাহ করেন। পরবর্তীকালে তাকে ইসরায়েল ও মিশরে প্রবেশ করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছিল। তিনি দাবি করেছিলেন যে তাকে গাজা ছেড়ে নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার অধিকার প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েল বিশেষত আন্দোলনের স্বাধীনতা সম্পর্কিত মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার ১৩ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন করেছে।[৯]

ইসলাম গ্রহণ[সম্পাদনা]

সারা জেন বুথ ইরানের ‘কুম’ শহরে ফাতিমা আল মাসুমেহ’র স্মৃতিচিহ্ন পরিদর্শনের পর ব্রিটেনে ফিরে ধর্মান্তরিত হবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ২০১০ সালে বুথ ফিলিস্তিন সফরের কয়েক বছর পরে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে তিনি একজন অনুশীলনকারী মুসলিম।[১০] হিজাব পরিহিত বুথ ২৩ অক্টোবর ২০১০ সালে ইসলাম চ্যানেলের গ্লোবাল পিস অ্যান্ড ইউনিটির ইভেন্টে হাজির হয়ে বলেছিল: "আমার নাম লরেন বুথ এবং আমি একজন মুসলিম।"[১১] তিনি ফিলিস্তিনে সাংবাদিক হিসাবে তার অভিজ্ঞতাগুলোর জন্য তার ইসলাম গ্রহণের কারণ বলে জানান। [১২][১৩] তিনি ধর্মান্তরের বিষয়ে শত শত বক্তৃতাও দিয়েছেন এবং পশ্চিম তীর এবং গাজার ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর সাথে তার অভিজ্ঞতার সাথে তার রূপান্তরের কারণ বলে জানান। জুন ২০১১ সালে বুথ ক্যাজিপ্রসনার্সের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে যোগদান করেন।[১৪] তবে ২০১৫ সাল থেকে বুথ আর সংস্থার পৃষ্ঠপোষক ছিল না।

চ্যারিটি কমিশন প্রায় অর্ধশত পিসট্রেইলের আয়ের হিসাব না করতে পেরে পিসট্রেইলের আরেক ট্রাস্টি লরেন বুথ এবং প্রধান নির্বাহী, তার স্বামী সোহেল আহমেদকে কোনও ট্রাস্টি পদে রাখার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল।[১৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Sarah Booth"Companies in the UK 
  2. "Blair's relative 'stuck in Gaza'"BBC News। ২ সেপ্টেম্বর ২০০৮। 
  3. "About"Lauren Booth। ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. "Writers-Lauren Booth"New Statesman 
  5. "Struggling in the shadow of Arafat"Daily Mail। London, UK। ১৬ জানুয়ারি ২০০৫। 
  6. "Tony Blair's sister-in-law Lauren Booth converts to Islam after a 'holy experience' in Iran"Daily Mail। London, UK। ২৪ অক্টোবর ২০১০। 
  7. "Protest marks 10 years of Afghan war"Daily Mirror। ৯ অক্টোবর ২০১১। 
  8. "Gaza: UN expert welcomes landing of ships carrying human rights activists"UN News Centre। ২৫ আগস্ট ২০০৮। 
  9. "Blair's relative 'stuck in Gaza'"BBC News। ২ সেপ্টেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৪ 
  10. "Tony Blair's Muslim sister-in-law, Lauren Booth", express.co.uk; accessed 16 November 2014.
  11. (https://www.arabianbusiness.com/tony-blair-s-sister-in-law-confirms-conversion-islam-358222.html)
  12. "
  13. Daily Mail
  14. "UPDATE: Lauren Booth and Sami Al Hajj join Cageprisoners as patrons"Cageprisoners। ২৮ জুন ২০১১। ১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  15. "Cherie Blair's half-sister removed from trusteeship of Islamic charity" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]