মেলবোর্ন বিমানবন্দর
মেলর্বোন বিমানবন্দর তুল্লামেরিন বিমানবন্দর | |||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |||||||||||||||
| বিমানবন্দরের ধরন | পাবলিক | ||||||||||||||
| পরিচালক | অস্ট্রেলিয়া প্যাসিফিক এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন লিমিটেড | ||||||||||||||
| পরিষেবাপ্রাপ্ত এলাকা | মেলর্বোন | ||||||||||||||
| অবস্থান | মেলর্বোন বিমানবন্দর, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া | ||||||||||||||
| যে হাবের জন্য | |||||||||||||||
| সময় অঞ্চল | AEST (ইউটিসি+১০) | ||||||||||||||
| • গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) | AEDT (ইউটিসি+১১) | ||||||||||||||
| এএমএসএল উচ্চতা | ৪৩৪ ফুট / ১৩২ মিটার | ||||||||||||||
| স্থানাঙ্ক | ৩৭°৪০′২৪″ দক্ষিণ ১৪৪°৫০′৩৬″ পূর্ব / ৩৭.৬৭৩৩৩° দক্ষিণ ১৪৪.৮৪৩৩৩° পূর্ব | ||||||||||||||
| ওয়েবসাইট | melbourneairport | ||||||||||||||
| মানচিত্র | |||||||||||||||
| রানওয়ে | |||||||||||||||
| |||||||||||||||
| পরিসংখ্যান (2018/2019) | |||||||||||||||
| লিজড কমনওয়েলথ বিমানবন্দর | |||||||||||||||
| |||||||||||||||
মেলবোর্ন বিমানবন্দর হল মেলবোর্ন শহরকে পরিসেবা প্রদানকারী প্রধান বিমানবন্দর এবং এটি অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ব্যাস্ততম বিমানবন্দর। এটি এডিসন বিমানবন্দরের নিকটে ১৯৭০ সালে এসেডন বিমানবন্দরের বদলে চালু করা হয়। মেলবোর্ন বিমানবন্দর মেলবোর্ন মেট্রোপলিটন এলাকায় বিমান পরিবহন সেবা প্রদানকারী চারটি বিমানবন্দরের মধ্যে প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অন্য আরেকটি আন্তর্জাতিক হল অ্যভেলন বিমানবন্দর।
বিমানবন্দরে চার টার্মিনাল রয়েছে; একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল, দুটি আভ্যন্তরীণ টার্মিনাল এবং এক বাজেট আভ্যন্তরীণ টার্মিনাল। এটি মেলবোর্ন শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ২৩ কিলোমিটার (১৪ মাইল) উত্তর পশ্চিমে তুল্লামেরিন উপশহর এলাকায় অবস্থিত। বিমানবন্দরটির নিজস্ব উপশহর এবং পোস্টকোড রয়েছে — মেলবোর্ন বিমানবন্দর, ভিক্টোরিয়া (পোস্টকোড ৩০৪৫)।[৩]
২০১৬-২০১৭ সালে ২ কোটি ৫০ লক্ষ আভ্যন্তরীণ যাত্রী এবং ১ কোটি আন্তর্জাতিক যাত্রী এ বিমানবন্দর ব্যবহার করেছে।[৪] মেলবোর্ন - সিডনি বিমানপথ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম যাত্রী পরিবহনকারী বিমানপথ।[৫] বিমানবন্দর থেকে ৩৩টি আভ্যন্তরীণ গন্তব্যস্থল এবং প্যাসিফিক, ইউরোপ, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা এ যাওয়ার সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মেলবোর্ন বিমানবন্দর চালুর পূর্বে মেলবোর্নের প্রধান বিমানবন্দর ছিল এসেনডন বিমানবন্দর, যা ১৯৫০ সালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ১০,০০০ জনেরও বেশি যাত্রী এসেনডন বিমানবন্দর ব্যবহার করছিলেন এবং এর সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হতে শুরু করেছিল। বিমান ভ্রমণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এসেনডনের সুবিধাগুলি অপর্যাপ্ত ছিল; রানওয়ে বিমান পরিচালনা করার জন্য খুব ছোট ছিল এবং টার্মিনালগুলি যাত্রীদের বৃদ্ধি পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছিল। ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে উত্তর হ্যাঙ্গারের দিকে একটি ওভারফ্লো আন্তর্জাতিক টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়। বিমানবন্দরের চারদিকে আবাসিক এলাকা হওয়ায় বিমানবন্দরকে প্রসারিত করা যায়নি।
১৯৫৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসেডেননের পরিবর্তে একটি প্রতিস্থাপনের সন্ধানে, মেলবোর্নের বেসামরিক বিমানচালনার প্রয়োজনগুলি মূল্যায়ন করার জন্য একটি প্যানেল নিযুক্ত করা হয়েছিল।[৬] ১৯৫৯ সালে, কমনওয়েলথ সরকার তখনও-গ্রামীণ তুল্লামেরিনে ৫,৩০০ হেক্টর (১৩,০০০ একর) তৃণভূমি গ্রহণ করে।[৭] অবশেষে ১৯৫৯ সালে ঘোষণা করা হয় যে, তুল্লামেরিনে নতুন বিমানবন্দর করা হবে। পর্বতীতে ১৯৬২ সালের ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী রবার্ট মেনজিস ৪৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার ব্যয়ে ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন।[৮]
টার্মিনাল
[সম্পাদনা]
মেলবোর্ন বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলিতে ৬৮টি গেট রয়েছে: ৫৩টি আভ্যন্তরীণ এবং ১৫টি আন্তর্জাতিক।[৯] সাউদার্ন মালবাহী এপ্রনে পাঁচটি ডেডিকেটেড মালবাহী পার্কিং রয়েছে।[১০] বর্তমান টার্মিনাল নাম্বারিং পদ্ধতিটি ২০১৫ সালের জুলাইয়ে চালু হয়েছিল; যা পূর্বে কোয়ান্টাস ডমেস্টিক, আন্তর্জাতিক এবং দক্ষিণ (পূর্বে অ্যাসেট ডোমেস্টিক) নামে পরিচিত ছিল।[১১]
অপারেশন
[সম্পাদনা]মেলবোর্ন বিমানবন্দর অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর। বিমানবন্দরটি কারফিউমুক্ত এবং দিনে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা করে, যদিও সকাল দুইটা থেকে সকাল চারটার মধ্যে, মালবাহী বিমান যাত্রীবাহী বিমানের তুলনায় বেশি জনপ্রিয়।[১২] ২০০৪ সালে পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা সিস্টেমগুলি আইএসও ১৪০০১ হিসাবে স্বীকৃত হয়েছিল, যা বিশ্বের সেরা অনুশীলন স্ট্যান্ডার্ড, এটি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিমানবন্দর যে এই জাতীয় অনুমোদন লাভ করেছে।[১৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Melbourne Airport passenger performance FY19"। ২৩ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০১৯।
- 1 2 "Melbourne airport – Economic and social impacts"। Ecquants। ২২ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Suburbs in postcode 3045 – Australia Post Codes"। Auspostcode.com। ৭ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১১।
- ↑ "Airport traffic data: 1985-86 to 2016-17"। Bureau of Infrastructure, Transport and Regional Economics। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৮।
- ↑ "60th Edition of IATA World Air Transport Statistics"। ৬ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "2010 Annual Report" (পিডিএফ)। Melbourne Airport। ২০১০। ১৫ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ Lucas, Clay (২৬ জুন ২০১০)। "Melbourne Airport train link derailed by buck-passing"। The Age। Melbourne। ১৩ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Melbourne to Get Jetport in 5-Year Development Plan"। The New York Times। ২৭ নভেম্বর ১৯৬২। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Melbourne Airport – Technical"। Melbourne Airport। ২১ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০০৮।
- ↑ "Melbourne Airport – the hub for freight in Australasia" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Melbourne Airport। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০০৮।
- ↑ "Melbourne Airport renames terminals" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Melbourne Airport। ২৪ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০০৮।
- ↑ "Melbourne Flight summary" (পিডিএফ)। Melbourne Airport। ২০ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০০৮।
- ↑ "Melbourne Airport – Environment"। Melbourne Airport। ১৯ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০০৮।