মিট স্মেট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মিট স্মেট
Miet Smet 2009.jpg
সিনেটর
কাজের মেয়াদ
১২ জুলাই ২০০৭ (2007-07-12) – জুন ২০১০
ফ্লেমিশ সংসদ এর সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৩ অক্টোবর ২০০৪
ইউরোপীয় সংসদ এর সদস্য
কাজের মেয়াদ
৭ আগস্ট ১৯৯৯ – ৭ আগস্ট ২০০৪
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1943-04-05) ৫ এপ্রিল ১৯৪৩ (বয়স ৭৬)
সিন্ট-নিকলাম
জাতীয়তাবেলজিয়ান
রাজনৈতিক দলখৃষ্টান গণতান্ত্রিক ও ফ্লেমিশ
দাম্পত্য সঙ্গীউইলফ্রাইড মার্টিনস
বাসস্থানলোকেরেন
কমিটিPresident and Chair of AWEPA
ওয়েবসাইটwww.mietsmet.be

মিট স্মেট (জন্ম ৫ই এপ্রিল ১৯৪৩) হচ্ছেন বেলজিয়ান রাজনৈতিক দল খৃষ্টান গণতান্ত্রিক ও ফ্লেমিশ পার্টির (CD&V) এর রাজনীতিবিদ।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৮-এ, স্মেট শ্রমিকদের প্রশ্নের জন্য ইউরোপীয় কেন্দ্র-এর সভাপতি হন, এই পদে তিনি ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত নিযুক্ত ছিলেন।


জাতীয় রাজনীতিতে কর্মজীবন[সম্পাদনা]

স্মেট ক্রিশ্চিয়ান পিপলস পার্টির রাজনৈতিক মহিলা সংগঠন ভরাউ এন মাৎসচাপিজ (নারী ও সমাজ) এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি ছিলেন।[১]

১৯৭৮ সালে তিনি বেলজিয়ান চেম্বার অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস-এ নির্বাচিত হন। ১৯৮৫ সালে তিনি পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্টেট সেক্রেটারি হয়ে ওঠেন। তিনি নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, নারীর অর্থনৈতিক অবস্থান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন। ১৯৯১ সালে যখন মিট স্মেট শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী হন, তিনি সমান সুযোগের পোর্টফোলিও রেখেছিলেন।[২]

ইউরোপীয় সংসদ সদস্য[সম্পাদনা]

১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মিট স্মেট একজন ইউরোপীয় সংসদ সদস্য ছিলেন।

২০০২ সালে তিনি একজন প্রতিমন্ত্রী হন ও ২০০৪ সাল থেকে ফ্লেমিশ পার্লামেন্ট এবং ২০০৭ সাল থেকে বেলজিয়ান সিনেটের সদস্য তিনি।[৩]

২০০৯-এ, স্মেট "আফ্রিকার সাথে ইউরোপীয় সংসদ সদস্য" (AWEPA) এর সভাপতি নির্বাচিত হন,[৪]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮-এ, স্মেট সহকর্মী খৃষ্টান গণতান্ত্রিক ও ফ্লেমিশের রাজনীতিবিদ এবং প্রাক্তন বেলজিয়ান প্রধানমন্ত্রী উইলফ্রাইড মার্টিনসকে বিবাহ করেন।[৫] মার্টিনের প্রথম স্ত্রী লেভ ভার্স্ক্রিবেনের মৃত্যুর পর, ২৭ এপ্রিল ২০১৩-এ ক্যাথলিক চার্চে এই বিবাহ নিশ্চিত করা হয়েছিল।

অন্যান্য কার্যকালাপ[সম্পাদনা]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Miet en Manschappij in Johan Anthierens, Het Belgische domdenken, p. 27
  2. Kris Deschouwer; M. Theo Jans (২০০৭)। Politics Beyond the State: Actors and Policies in Complex Institutional Settings। Asp / Vubpress / Upa। পৃষ্ঠা 225। আইএসবিএন 978-90-5487-436-2 
  3. "Belgische Senaat" (Dutch ভাষায়)। Belgian Senate। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০০৯ 
  4. "AWEPA Executive Committee"। ২১ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৯ 
  5. Oud-ministers Martens en Smet vandaag getrouwd ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ অক্টোবর ২০১২ তারিখে, De Morgen, 27 September 2008
  6. Academic Council Wilfried Martens Centre for European Studies.
  7. "Miet Smet"www.senate.be 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে মিট স্মেট সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন