বিষয়বস্তুতে চলুন

মিট রমনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মিট রমনি
রমনির হাস্যোজ্জ্বল মুখের ছবি
সরকারি প্রতিকৃতি, ২০১৯
উটাহ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনেট
কাজের মেয়াদ
৩ জানুয়ারি ২০১৯  ৩ জানুয়ারি ২০২৫
পূর্বসূরীঅরিন হ্যাচ
উত্তরসূরীজন কার্টিস
ম্যাসাচুসেটসের ৭০তম গভর্নর
কাজের মেয়াদ
২ জানুয়ারি ২০০৩  ৪ জানুয়ারি ২০০৭
লেফটেন্যান্টকেরি হিলি
পূর্বসূরীজেইন সুইফট (কার্যনির্বাহী)
উত্তরসূরীদেভাল প্যাট্রিক
২০০২ সালের শীতকালীন অলিম্পিকপ্যারালিম্পিকের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি
কাজের মেয়াদ
১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯  আগস্ট ২০০২
রাষ্ট্রপতিহুয়ান আন্তোনিও সামারাঞ্চ
জ্যাক রগ
পূর্বসূরীজেমস এল. ইস্টন
উত্তরসূরীভ্যালেন্তিনো কাস্টেল্লানি
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মউইলার্ড মিট রমনি
(1947-03-12) ১২ মার্চ ১৯৪৭ (বয়স ৭৯)
ডেট্রয়েট, মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র
রাজনৈতিক দলরিপাবলিকান (১৯৯৩–বর্তমান)
স্বতন্ত্র (১৯৯৩-এর আগে)
দাম্পত্য সঙ্গীঅ্যান ডেভিস (বি. ১৯৬৯)
সন্তান৫, এর মধ্যে আছেন ট্যাগ
পিতামাতা
আত্মীয়স্বজনরমনি পরিবার
শিক্ষা
স্বাক্ষরকালি দিয়ে লেখা কারসিভ স্বাক্ষর
এই নিবন্ধটি বিষয়টি
মিট রমনি একটি সিরিজের অংশ
মিট রমনি
মিট রমনি

মিট রমনি বা উইলার্ড মিট রমনি (ইংরেজি: Willard Mitt Romney) মার্কিন ব্যবসায়ী ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী।

১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে জন্ম মিট রমনির। পুরো নাম উইলার্ড মিট রমনি। বাবা জর্জ ডব্লিউ রমনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় গাড়ি কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইতালীয় আমেরিকান মা লেনোর রমনির তিন সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠতম তিনি। রমনির বাবাও ১৯৬৮ সালে রিপাবলিকান দলের হয়ে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে অংশ নিয়েছিলেন তবে সফল হতে পারেননি।

শৈশবে মিট রমনির ডাক নাম ছিল ‘বিলি’। ব্রিংহামর ক্যানব্যাক স্কুলের পালা শেষ করে ১৯৬৫ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরই মধ্যে খ্রিস্টধর্মের উপধারা মরমন ধর্মপ্রচারক হিসেবে ফ্রান্সে দুই বছর কাটিয়ে আসেন। পরে ব্রিগহাম ইয়াং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। পড়াশোনার পালা শেষ করে রমনি বোস্টনের ম্যানেজমেন্ট কনসাল্টিং ফার্ম বেইন অ্যান্ড কোম্পানিতে যোগ দেন। খুব দ্রুত কোম্পানির চেয়ারম্যানের পদে উঠে আসেন তিনি। বেইন ক্যাপিটাল নামের একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

সংসার

[সম্পাদনা]

হাইস্কুলে পড়ার সময় থেকেই অ্যান ডেভিসের সঙ্গে প্রেম শুরু করেন রমনি। পরে ১৯৬৯ সালে বিয়েও করেন তারা। অ্যান-রমনি দম্পতি ৪২ বছর ধরে সংসার করছেন এবং পাঁচ সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন।

পেশাজীবন

[সম্পাদনা]

একটি সফল ক্যারিয়ার বলতে যা বোঝায় তার সব রয়েছে মিট রমনির। একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় কাজে অংশ নেন। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন এবং পরিবারের আগ্রহে গত শতকের নব্বইয়ের দশকে রাজনীতিতে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ১৯৯৪ সালে ম্যাসাচুসেটসের ঝানু ডেমোক্রেট রাজনীতিবিদ টেড কেনেডির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়িয়ে যান। প্রথমবারে সফল না হলেও রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি পেতে সফল হন তিনি। ২০০২ সালে সল্ট লেক সিটি উইন্টার অলিম্পিকের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বেশ সমালোচনার শিকার হন রমনি। তবে ওই বছরের শেষে তিনি ম্যাসাচুসেটসের গভর্নর নির্বাচিত হন। গভর্নর হিসেবে রাজ্যের নাগরিকদের বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্যবীমার আইনে সই করে আবার সমালোচনার জন্ম দেন। রমনির দেখানো পথ ধরেই ওবামা ২০১০ সালে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বিলের পরিকল্পনা করেছেন বলে অভিযোগ করে সমালোচকরা।

২০০৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়ানোর স্বপ্ন থাকায় ২০০৬ সালে গভর্নরের পদে পুনর্নির্বাচনে দাঁড়াননি রমনি। কিন্তু অ্যারিজোনার সিনেটর জন ম্যাককেইনের কাছে হেরে যান। তবে পরাজের গ্লানি ভুলে ২০১২ সালের প্রার্থীতা পাওয়ার জন্য জোরোশোরে কাজ করতে শুরু করেন। এবার অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে বড় ধরনের পার্থক্য রেখেই রিপাবলিকান শিবিরের হয়ে লড়াইয়ে নেমেছেন তিনি।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]