মাৎসু বাসো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মাৎসু বাসো (松尾 芭蕉)
জন্ম মাৎসু কিন্সাকু (松尾 金作)
১৬৪৪
ইগা প্রদেশ, উইনো'র নিকটে
মৃত্যু নভেম্বর ২৮, ১৬৯৪ (৫০ বছর)
ওসাকা[১]
ছদ্মনাম সোবো (宗房)
তোসে (桃青)
বাসো (芭蕉)
পেশা কবি, শিক্ষক
জাতীয়তা জাপানি
উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ Oku no Hosomichi

মাৎসু বাসো (松尾 芭蕉?, ১৬৪৪ – নভেম্বর ২৮, ১৬৯৪), জন্মনাম মাৎসু কিন্সাকু (松尾 金作?), পরবর্তীতে মাৎসু চুয়েমন মুনেফুসা (松尾 忠右衛門 宗房?),[২][৩] ছিলেন জাপানের ইদো সময়কালের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি। তার জীবদ্দশায় তিনি মূলত হাইকাই ন রেঙ্গা বা রেংকু নামক সহযোগীতামূলক কবিতায় তার অবদানের জন্য পরিচিত ছিলেন। শত বছরের ব্যাখা-বিশ্লেষণের পর তাকে সর্বশ্রেষ্ঠ হাইকু কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার কবিতাগুলো বিশ্ব্বব্যাপী খ্যাত। জাপানের স্মৃতিস্তম্ভ ও ঐতিহাসিক স্থানসমূহে তার বহু কবিতা লেখা হয়েছে। যদিও বাসো পশ্চিমা বিশ্বে তার রচিত হাইকুর জন্যই বিখ্যাত, তিনি নিজে মূলত রেংকুতে তার অবদান ও অংশগ্রহণকেই তার সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ বলে মনে করতেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন,"আমার বহু অনুসারী আমার মতো হাইকু লিখতে পারে। হাইকাই শ্লোক যোগ করার মধ্য দিয়েই প্রকৃতভাবে আমি আমাকে দেখাতে সক্ষম হয়েছি।"[৪]

বাসোর কাব্যপরিচয় খুব ছোটবেলাতেই হয়। ইদোর (আধুনিক টোকিও) বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে জড়িত হওয়ার খুব অল্পদিনের মধ্যেই সমগ্র জাপানে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। পেশায় তিনি একজন শিক্ষক হলেও জাপানের সাহিত্যিকদের শহুরে সামাজিক জীবন এড়িয়ে চলতেন। তিনি বরং জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করতেন। তিনি গহীন জনমানবহীন অরণ্য, প্রকৃতির মাঝে ঘুরে ঘুরে তার লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Louis Frédéric, Japan Encyclopedia, Harvard University Press, 2002, p. 71.
  2. "松尾芭蕉"। The Asahi Shimbun Company। সংগৃহীত ২০১০-১১-২২ (জাপানি)
  3. "芭蕉と伊賀上野"। 芭蕉と伊賀 Igaueno Cable Television। সংগৃহীত ২০১০-১১-২২ (জাপানি)
  4. Drake, Chris. 'Bashō’s “Cricket Sequence” as English Literature', in Journal of Renga & Renku, Issue 2, 2012. p7

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]