মইনুল ইসলাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মইনুল ইসলাম
জন্ম (1950-07-01) ১ জুলাই ১৯৫০ (বয়স ৬৯)
নওয়াপাড়া, রাউজান উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলা, পূর্ববাংলা, পাকিস্তানের আধিরাজ্য
জাতীয়তাবাংলাদেশি
প্রতিষ্ঠানচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষায়তনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়
ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়
পুরস্কারএকুশে পদক

মইনুল ইসলাম (জন্ম: ১ জুলাই ১৯৫০)[১] একজন বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সভ্য। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে।[২][৩]

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

মইনুল ইসলাম চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার নওপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার ওবায়দুল হক ও মাতা সাজমা খাতুন। [১] তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও দ্বিতীয় বার ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন এছাড়া ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন।[১][৪]

পেশা[সম্পাদনা]

মইনুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে ১৯৭৩ সালে যোগ দেন ও বর্তমানে সেখানে অর্থনীতির অধ্যাপক।[৫] তিনি বাংলাদেশ ইকোনমিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিইএ) এর সাবেক চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের অধ্যাপক ছিলেন।[৬]

লেখা-লিখি[সম্পাদনা]

তিনি অর্থনীতির দুর্বৃত্তায়ন নিয়েই বেশি লেখালেখি ও গবেষণা করেন। ‘এ প্রোফাইল অন ব্যাংক লোন ডিফল্ট ইন দি প্রাইভেট সেক্টর ইন বাংলাদেশ’ নামে একটি তাৎপর্যময় গবেষণা গ্রন্থ রয়েছে তার। এ ছাড়াও তিনি ১৩টি গ্রন্থ ও দেশে-বিদেশে ৩৩টি গবেষণা নিবন্ধ লিখেছেন।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "একুশে পদক পাচ্ছেন মইনুল ইসলাম ও সুব্রত বড়-য়া"suprobhat.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৪ 
  2. "'একুশে পদক' ২০১৮ প্রদান"সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  3. "একুশে পদক পাচ্ছেন একুশ গুণী"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  4. "Dr. Moinul Islam-Economist – CGHS Alumni"excghs.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-০৮-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৪ 
  5. "প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ পাচার হচ্ছে"প্রথম আলো। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৯ 
  6. "Sonadia deep sea port's future is bleak, says Economist Moinul Islam"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৪ 
  7. "অর্থনীতির সুবাতাস নষ্ট করতেই এই অস্থিরতা"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২৩ জানুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৯