ভেড়ামারা
| ভেড়ামারা | |
|---|---|
| শহর | |
| স্থানাঙ্ক: ২৪°০১′২৮″ উত্তর ৮৮°৫৯′৩৭″ পূর্ব / ২৪.০২৪৩৫৮° উত্তর ৮৮.৯৯৩৭২১° পূর্ব | |
| দেশ | |
| বিভাগ | খুলনা |
| জেলা | কুষ্টিয়া |
| উপজেলা | ভেড়ামারা |
| পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত | ১৯৮৩ |
| সরকার | |
| • ধরন | পৌরসভা |
| • শাসক | ভেড়ামারা পৌরসভা |
| আয়তন | |
| • শহর | ২৬.৬০ বর্গকিমি (১০.২৭ বর্গমাইল) |
| • পৌর এলাকা | ৩.১৬ বর্গকিমি (১.২২ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০২২) | |
| • শহর | ৭৫,৪০৩ |
| • জনঘনত্ব | ২,৮০০/বর্গকিমি (৭,৩০০/বর্গমাইল) |
| • পৌর এলাকা | ২৬,৪১৫ |
| • পৌর এলাকার জনঘনত্ব | ৮,৪০০/বর্গকিমি (২২,০০০/বর্গমাইল) |
| সময় অঞ্চল | বাংলাদেশ মান সময় (ইউটিসি+০৬:০০) |
| পোস্টকোড | ৭০৪০ |
| ওয়েবসাইট | ভেড়ামারা পৌরসভা |
ভেড়ামারা কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ও ভেড়ামারা উপজেলার সদরদপ্তর। ব্রিটিশ শাসনামলে এখানে রেলপথ স্থাপনের মাধ্যমে শহরটি গড়ে ওঠে। এটি হিশনা-ঝাঞ্চা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এর উত্তর ও পূর্ব পাশ দিয়ে পদ্মা নদী প্রবাহিত হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে প্রবশের সময় এটিই প্রথম শহর। শহরটির উপকণ্ঠে অবস্থিত লালন শাহ সেতু, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জিকে সেচ প্রকল্পের কারণে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এটি কুষ্টিয়া জেলার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর।[১]
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের যান্ত্রিক বিভাগ, যান্ত্রিক পাম্প হাউজ বিভাগ ও ড্রেজার অপারেশন বিভাগের সদরদপ্তর ভেড়ামারা।[২]
বর্তমানে এই শহরের বিস্তৃতি পৌরসভা এলাকাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী ভেড়ামারা পৌরসভার আয়তন ৩.১৬ কিমি২ (১.২২ মা২) এবং ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী ২৬,১৪৫ জন। পৌরসভাসহ শহুরে এলাকার আয়তন ২৬.৬০ কিমি২ (১০.২৭ মা২) এবং জনসংখ্যা ৭৫,৪০৩ যা একে জেলার ২য় বৃহত্তম শহরের মর্যাদা দিয়েছে।[ক]
ভূগোল
[সম্পাদনা]ভেড়ামারা কুষ্টিয়া জেলার পশ্চিম পাশে ভেড়ামারা উপজেলায় হিসনা নদীর তীরে অবস্থিত। জিকে প্রকল্পের খাল পদ্মা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে ভেড়ামারা শহরে প্রবেশ করেছে। লালন শাহ সেতু থেকে জেড৭৪০৯ মহাসড়ক হয়ে ভেড়ামারার দুরত্ব ৬.৭১ কিমি (৪.১৭ মা)। শহরের পূর্ব পাশে জাতীয় মহাসড়ক ৭০৪ অবস্থিত। জেলার কেন্দ্রীয় শহর কুষ্টিয়া থেকে ভেড়ামারার দুরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার।
ভেড়ামারা পৌরসভা মোট ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। এর আয়তন ৩.১৬ কিমি২ (১.২২ মা২), ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী এখানে ২৬,৪১৫ জন মানুষ বসবাস করে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯০৬ সালে ভেড়ামারা থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯০৯ সালে পোড়াদহ থেকে ভেড়ামারা পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হয়ে ভেড়ামারা স্টেশন চালু হয়। ১৯১৫ সালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নির্মাণ কাজ হলে ভেড়ামারার থেকে ঈশ্বরদী রেলপথ চালু হয়। ১৯১৬ সালে ভেড়ামারা-রায়টা লাইন চালু করা হয়।[৩]
১৯১৩–১৯১৬ সালের আঞ্জমনে-ওলামায়ে-বাঙ্গালা রিপোর্ট অনুযায়ী নদীয়া জেলাধীন ভেড়ামারায় আঞ্জমানে ইসলামিয়া নামে একটি সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়। যা পরবর্তীতে আঞ্জমনে-ওলামায়ে-বাঙ্গালার শাখা সমিতি হিসেবে পরিচালিত হতে থাকে।[৪]
পূর্ব পাকিস্তান
[সম্পাদনা]১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের ফলে নদীয়া জেলা ভেঙ্গে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর মহকুমা নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে কুষ্টিয়া জেলা গঠিত হলে ভেড়ামারা থানা কুষ্টিয়া জেলাধীন হয়।১৯৫৯ সালে ভেড়ামারা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (বর্তমানে ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৫ সালে ভেড়ামারা কলেজ (বর্তমানে ভেড়ামারা সরকারি কলেজ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ও ভেড়ামারা কুষ্টিয়া জেলার অন্যতম শহর ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ফলস্বরূপ এটি সামরিক ভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।[৫]
২৫ মার্চের পর থেকে ভেড়ামার–পাকশী ফেরিঘাট ও ভেড়ামারা–ঈশ্বরদী রেলপথ বন্ধ হয়ে যায়। ২৮ এপ্রিল ২৮ পাঞ্জাব রেজিমেন্ট ফেরিঘাট ও রেলপথ দুটিই চালু করে।[৫]
ভেড়ামারা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত একটি মুক্ত এলাকা ছিল। ১৩ এপ্রিল ভেড়ামারা পুরোপুরি ভাবে পাকিস্তানি সেনাদের দখলে চলে যায়। এসময় তারা স্থানীয়দের দেখা মাত্রই গুলি করতে।[৫]
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়
[সম্পাদনা]
১৯৮২ সালের ৭ জানুয়ারি ভেড়ামারা উপজেলা গঠন করা হলে ভেড়ামারা শহর ভেড়ামারা উপজেলার সদরদপ্তরে পরিণত হয়।
অলাভজনক লাইনে পরিণত হলে ১৯৯০ সালে ভেড়ামারা-রায়টা লাইন বন্ধ ঘোষণা করা হয়।[৩]
শিক্ষা
[সম্পাদনা]২০২২ সালের তথ্যানুযায়ী ভেড়ামারা পৌরসভার শিক্ষার হার শতকরা ৮৭.৬৩ শতাংশ (৭ বছর এবং তার বেশি বয়সী)। পুরুষের সাক্ষরতার হার শতকরা ৮৯.১০ শতাংশ এবং নারীর সাক্ষরতার হার শতকরা ৮৬.৩১ শতাংশ। শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯,৭৩৬ জন জেনারেল, ৬১৯ জন কারিগরি, ১,০৫৩ ধর্মীয় এবং ১৫৫ জন অন্যান্য শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণ করেছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক মাধ্যমিক পর্যায়ে ভেড়ামারার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যশোর শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত। ভেড়ামারা উপজেলার শিক্ষাবিষয়ক তদারকির জন্য কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা অফিসের অধীনে ভেড়ামারা উপজেলা শিক্ষা অফিস রয়েছে।
মাধ্যমিক
[সম্পাদনা]ভেড়ামারার সবচেয়ে পুরাতন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলো ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় যা ১৯১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি স্থানীয় ব্যক্তিদের উদ্যোগে ১৯১৮ সালে একটি জুনিয়র স্কুল হিসেবে ভেড়ামারার নিকটস্থ চণ্ডিপুরে চন্দনা নদীর তীরে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন নদীয়া জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যোগেন্দ্র কুমারের নামে বিদ্যালয়টির নামকরণ 'ভেড়ামারা চন্ডিপুর যোগেন্দ্র কুমার ইনষ্টিটিউশন' করা হয়। পরবর্তীতে জানকী ভূষন সাহা নামক একজন জমি দান করলে বিদ্যালয়টিকে বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করা হয়। ১৯২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৮৫ সালে এটি পাইলট প্রকল্পের আওতাভুক্ত হয়। ২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি এই বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হয় এবং বর্তমান নাম 'ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়'।
ভেড়ামারা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট এটিকে সরকারিকরণ করা হয়।
উচ্চমাধ্যমিক ও মহাবিদ্যালয়
[সম্পাদনা]ভেড়ামারা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৫ সালে। এটি ১৯৭০ সালের ৫ আগস্ট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়। বর্তমানে এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এবং এখানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষাকার্যক্রমের অনুমোদন রয়েছে। ২০০৩ সালে এটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএমটি) পাঠদানের অনুমোদন লাভ করে।[৬] ২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি এটিকে সরকারিকরণ করা হয় ও 'ভেড়ামারা সরকারি কলেজ' নামকরণ করা হয়।[৭]
১৯৯৪ সালে স্থানীয় ব্যক্তিদের দ্বারা ভেড়ামারা মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৫ সালের ১৬ নভেম্বর যশোর শিক্ষা বোর্ড এটিকে পরীক্ষামূলকভাবে বানিজ্য ও মানবিক বিভাগে পাঠদানের অনুমোদন দেয়। ২০০৪–২০০৫ শিক্ষবর্ষে এটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএমটি) পাঠদানের অনুমোদন লাভ করে। এটি বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে স্নাতক শিক্ষা কার্যক্রমের অনুমোদন রয়েছে। ২০১৮ সালে এটি সরকারি কলেজে উন্নীত হয় এবং 'ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজ' নামকরণ করা হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা
[সম্পাদনা]পানি উন্নয়ন বোর্ড
[সম্পাদনা]ভেড়ামারায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাঠ পর্যায়ের ৩টি দপ্তর রয়েছে।[২] এগুলো হলো-
- ভেড়ামারা যান্ত্রিক বিভাগ
- ভেড়ামারা ড্রেজার অপারেশন বিভাগ
- ভেড়ামারা যান্ত্রিক পাম্প হাউজ বিভাগ/ভেড়ামারা পাম্প স্টেশন বিভাগ
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]- এম শমশের আলী - বাংলাদেশী পরমাণু বিজ্ঞানী
- শহিদুল ইসলাম - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- সেলিনা শহীদ - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- আতোয়ার রহমান - বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক
- ফরিদা ইয়াসমিন - রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী ও সাবেক শিক্ষিকা
পাদটীকা
[সম্পাদনা]- ↑
- ভেড়ামারা পৌরসভা
- চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন - ১১৮, ১৮৯, ৩৩৬, ৬৮৭, ও ৭৮৭ নং মৌজা
- ধরমপুর ইউনিয়ন - ৩৭৯, ৮৭৬ ও ৯৭১ নং মৌজা
- বাহিরচর ইউনিয়ন - ২১৩ ও ৩৩৫ নং মৌজা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "জমি অধিগ্রহণেই থেমে আছে ভেড়ামারার অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার উদ্যোগ"। জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৬ জুলাই ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৫।
- 1 2 "মাঠ পর্যায় দপ্তর সমূহ"। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "রেলওয়ে"। বাংলা পিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ আঞ্জমনে-ওলামায়ে-বাঙ্গালা রিপোর্ট (পিডিএফ)। কলকাতা। ১৯১৮। পৃ. ১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - 1 2 3 আতোয়ার রহমান (১৯৯২)। একাত্তরঃ নির্যাতনের কড়চা (পিডিএফ)। ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধ ইং আর্কাইভ। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ইতিহাস" (পিডিএফ)। ভেড়ামারা সরকারি কলেজ। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "সরকারি কলেজ-৫ শাখা" (পিডিএফ)। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। ১০ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ভেড়ামারা পৌরসভা
- "ভেড়ামারা উপজেলা"। বাংলা পিডিয়া।
- "MASTER PLAN: 2011–2031" [মহাপরিকল্পনা: ২০১১–২০৩১] (পিডিএফ)। BHERAMARA PAURASHAVA (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৫।
- "পৌরসভা উন্নয়ন পরিকল্পনা (পিডিপি) ভেড়ামারা পৌরসভা ২০২২ - ২০২৭" (পিডিএফ)। ভেড়ামারা পৌরসভা। ২০২২।
- "MAUZAS AND MAHALLAS OF KUSHTIA ZILA" [কুষ্টিয়া জেলার মৌজা ও মহল্লা] (পিডিএফ)। স্মল এরিয়া এটলাস বাংলাদেশ (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ২০১৬।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |

